"মেলভিন ডগলাস" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

'কর্মজীবন' পরিচ্ছেদ যোগ
(পাতা তৈরি)
 
('কর্মজীবন' পরিচ্ছেদ যোগ)
 
'''মেলভিন ডগলাস''' ({{lang-en|Melvyn Douglas}}; জন্ম: '''মেলভিন এডুয়ার্ড হেসেলবের্গ''', [[৫ এপ্রিল]] [[১৯০১]] - [[৪ আগস্ট]] [[১৯৮১]]) ছিলেন একজন মার্কিন অভিনেতা। তিনি ১৯৩০-এর দশকে মুখ্য অভিনেতা হিসেবে প্রসিদ্ধি অর্জন করেন, বিশেষ করে তার ১৯৩৯ সালের প্রণয়ধর্মী চলচ্চিত্র ''নিনোচকা'' চলচ্চিত্রে [[গ্রেটা গার্বো]]র বিপরীতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। পরবর্তীকালে তিনি বয়স্ক ও পিতৃস্থানীয় চরিত্রে অভিনয় করেন। তিনি ''[[হাড (১৯৬৩-এর চলচ্চিত্র)|হাড]]'' (১৯৬৩) ও ''[[বিয়িং দেয়ার]]'' (১৯৭৯) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দুইবার [[শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার জন্য একাডেমি পুরস্কার]] অর্জন করেন এবং ''[[আই নেভার স্যাং ফর মাই ফাদার]]'' (১৯৭০) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে একাডেমি পুরস্কারে মনোনীত হন।<ref name="ফ্লিন্ট-১৯৮১">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শেষাংশ=ফ্লিন্ট|প্রথমাংশ=পিটার বি.|তারিখ=৫ আগস্ট ১৯৮১|শিরোনাম=MELVYN DOUGLAS DEAD; ACTOR, 80, WON 2 OSCARS|ইউআরএল=https://www.nytimes.com/1981/08/05/obituaries/melvyn-douglas-dead-actor-80-won-2-oscars.html|কর্ম=[[দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]|সংগ্রহের-তারিখ=৪ আগস্ট ২০১৮|ভাষা=ইংরেজি}}</ref> শেষ কয়েক বছর তিনি ভৌতিক ও অতিপ্রাকৃত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তার অভিনীত সর্বশেষ দুটি চলচ্চিত্র হল ''দ্য চ্যাঞ্জেলিং'' (১৯৮০) ও ''ঘোস্ট স্টোরি'' (১৯৮১)।
 
ডগলাস কৈশোরে শেকসপিয়ারীয় রিপার্টরিতে এবং [[আইওয়া]]র সিউক্স সিটি, [[ইন্ডিয়ানা]]র ইভান্সভিল, [[উইসকনসিন]]ের ম্যাডিসন এবং [[মিশিগান]]ের ডেট্রয়েটে স্টক কোম্পানিতে কাজ করে অভিনয়ের দক্ষতা অর্জন করেন। [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]]ে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে নিয়োজিত ছিলেন। [[শিকাগো]]তে তিনি একটি আউটডোর থিয়েটার প্রতিষ্ঠা করেন। মুখ্য অভিনেতা হিসেবে তিনি দীর্ঘকাল মঞ্চ, চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনে অভিনয় করেন। ''দ্য বেস্ট ম্যান''-এ আদর্শবান রাষ্ট্রপতি চরিত্রে অভিনয় করে তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে [[টনি পুরস্কার]] অর্জন করেন।
 
==কর্মজীবন==
[[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]] থেকে ফিরে এসে ডগলাস [[শিকাগো]]তে একটি আউটডোর থিয়েটার প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৩০ সালে তিনি ব্রডওয়ে মঞ্চে ''টুনাইট অর নেভার'' মঞ্চনাটকে মুখ্য অভিনেতা হিসেবে কাজ করেন। এতে তার বিপরীতে ছিলেন তার ভবিষ্যৎ স্ত্রী হেলেন গ্যাহাগ্যান। তিনি ১৯৩২ সালে জেমস হোয়ালের ভীতিপ্রদ ধ্রুপদী চলচ্চিত্র ''দ্য ওল্ড ডার্ক হাউজ''-এ বরিস কার্লফ ও [[চার্লস লটন]]ের সাথে শীর্ষ পারিশ্রমিক গ্রহীতা হিসেবে অভিনয় করেন। একই বছর তিনি ভীতিপ্রদ ''দ্য ভ্যাম্পায়ার ব্যাট'' চলচ্চিত্রে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেন।
 
১৯৩৫ সালে তিনি ''শি ম্যারিড হার বস'' চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠাংশে অভিনয় করেন। তিনি [[গ্রেটা গার্বো]]র বিপরীতে তিনটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। সেগুলো হল ''অ্যাজ ইউ ডিজায়ার মি'' (১৯৩২), ''নিনোচকা'' (১৯৩৯) ও গার্বো অভিনীত সর্বশেষ চলচ্চিত্র ''টু-ফেসড ওম্যান'' (১৯৪১)। এছাড়া তিনি [[জোন ক্রফোর্ড]]ের বিপরীতে কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ''আ ওম্যান্‌স ফেস'' (১৯৪১)।
 
১৯৫৯-৬০ সালে তিনি দুটি ভিন্ন রাজনৈতিক চরিত্রে অভিনয় করেন। প্রথমটি ''দ্য গ্যাংস অল হিয়ার''-এ [[ওয়ারেন জি. হার্ডিং]]য়ের অনুকরণে চিত্রিত একজন স্বাচ্ছন্দপ্রিয় ও নৈতিকভাবে অলস রাষ্ট্রপতি চরিত্রে এবং দ্বিতীয়টি ''দ্য বেস্ট ম্যান''-এ আদর্শবান রাষ্ট্রপতি চরিত্রে। দ্বিতীয় কাজের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে [[টনি পুরস্কার]] অর্জন করেন।<ref name="ফ্লিন্ট-১৯৮১"/>
 
==তথ্যসূত্র==