"দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
{{main|২৪ পরগণা জেলার ইতিহাস }}
 
[[১৭৫৭]] সালে বাংলার নবাব [[মীরজাফর]] কলকাতার দক্ষিণে [[কুলপি]] পর্যন্ত অঞ্চলে ২৪ টি জংলীমহল বা পরগনার [[জমিদারি সত্ত্ব]] ভোগ করার অধিকার দেন [[ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি|ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি]]কে। এই ২৪টি পরগনা হল-১। আকবরপুর ২।আমীরপুর ৩।আজিমবাদ ৪।বালিয়া ৫।বাদিরহাটি ৬।বসনধারী ৭।কলিকাতা ৮। দক্ষিণ সাগর ৯।গড় ১০।হাতিয়াগড় ১১।ইখতিয়ারপুর ১২।খাড়িজুড়ি ১৩।খাসপুর ১৪।মেদনমল্ল ১৫।মাগুরা ১৬।মানপুর ১৭।ময়দা ১৮। মুড়াগাছা ১৯। পাইকান ২০।পেচাকুলি ২১।সাতল ২২।শাহনগর ২৩।শাহপুর ২৪।উত্তর পরগনা।
সেই থেকে অঞ্চলটির নাম হয় ২৪ পরগণা।
 
গঙ্গার প্রাচীন প্রবাহ [[কালীঘাট]] দিয়ে পূর্ব-দক্ষিণ অভিমুখে বৈষ্ণবঘাটা, [[গড়িয়া]], [[রাজপুর সোনারপুর]], হরিনাভি, কোদালিয়া, চাংড়িপোতা, মালঞ্চ, মাহিনগর, শাসন, [[বারুইপুর]], ময়দা, দক্ষিণ বারাসাত, [[জয়নগর মজিলপুর]] প্রভৃতি অঞ্চল দিয়ে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হত৷ সাগর অভিমুখি গঙ্গাপ্রবাহপথের এই গ্রামগুলি ধর্মার্থীদের কাছে পবিত্র ছিল এবং সেজন্য দাক্ষিণাত্য বৈদিক ব্রাহ্মণরা এখানে বহুকাল আগে থেকে বসবাস শুরু করেছিলেন।<ref>ঘোষ, বিনয়, "পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি", তৃতীয় খন্ড, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশ ভবন, পৃষ্ঠা: ২২০</ref>
 
কর্ণপুর রচিত “[[চৈতন্যচরিতামৃত]]” গ্রন্থে ও ২৪টি পরগনা জেলার অনেক জায়গার নামের উল্লেখ পাওয়া যায়।“[[মনসামঙ্গল]]” কাব্যে ও “চৈতন্যচরিতামৃত” গ্রন্থে পাওয়া বিভিন্ন জায়গার নাম ও বিবরণ তুলনা করলে দেখে যায় ২৪টি পরগনা জেলার উক্ত জায়গাগুলির অস্তিত্ব ছিল। চাঁদসদাগর বারুইপুরে পৌছে [[আদি গঙ্গা]] তীরবর্তী মনসামন্দির লুঠ করেন। [[চৈতন্যদেব]] বারুইপুরের কাছে অতিসরাতে অনন্ত পন্ডিতের আতিথ্য গ্রহণ করেন।[[ মথুরাপুর]] থানা অঞ্চলে ছিল [[ছত্রভোগ]] বন্দর।
 
ষোড়শ শতাব্দীর মধ্যভাগে এই অঞ্চলের নদীপথে পর্তুগিজ জলদস্যুদের একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল। পরবর্তী ১০০ বছর তাদের আধিপত্য বজায় ছিল উত্তর ২৪টি পরগনা ও দক্ষিণ ২৪টি পরগনার বসিরহাট অঞ্চলে। এই সময় পর্তুগিজ জলদস্যুদের ("হার্মাদ") অত্যাচারে সুন্দরবনের অনেক সমৃদ্ধশালী জনপদ জনশূন্য হয়ে যায়।
বেনামী ব্যবহারকারী