"যুগোস্লাভিয়া" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(→‎ইতিহাস: ভাঙ্গন)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
নাৎসি জার্মানী যুগোশ্লাভিয়ার ওপর ১৯৪১ সালে হামলা করে। যুগোশ্লাভিয়ার সর্বোচ্চ সামরিক নেতাগন জার্মানীর কাছে পরাজয় বরন করেন। যুগোশ্লাভিয়ার রাজা তাঁর সরকার বিদেশে স্থাপন করেন। যুগোশ্লাভিয়ার ওপর তখন জার্মানী সামরিক দখল কায়েম করে। যুগোশ্লাভিয়ার অনেক ভূখন্ড দখল করে নেয় বুলগেরিয়া, হাঙ্গেরি ও ইতালি। যুগোশ্লাভিয়া কমিউনিস্ট পার্টি টিটোর দিক নির্দেশনায় দৃঢ়ভাবে বিদেশী আগ্রাসনকারীদের প্রতিরোধ করে। যুগোশ্লাভিয়ার কমিউনিস্ট পার্টি সারাদেশের জনগণকে নিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করার জন্যে আগ্রাসনকারীদের প্রতিরোধ করে। যুগোশ্লাভিয়া কমিউনিস্ট পার্টি যুগোশ্লাভিয়া জাতীয় মুক্তি মোর্চা গঠন করে প্রতিরোধ করে।
১৯৪৩ সালে টিটোর নেতৃতে যুগোশ্লাভিয়া জাতীয় মুক্তি মোর্চা প্রতিষ্ঠা করে অস্থায়ী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করে। যুগোশ্লাভিয়ার জাতীয় বাহিনী ৭ বার আক্রমণ প্রতিরোধ করে জার্মান বাহিনীর এবং ১৯৪৪ সালের যুদ্ধে সারাদেশের অধিকাংশ মুক্ত করে। পরে সোভিয়েট ইউনিয়নের বাহিনী আর যুগোশ্লাভিয়ার যৌথ বাহিনী সম্মিলিত ভাবে যুগোশ্লাভিয়াকে মুক্ত করার যুদ্ধ শুরু করে। রাজধানী বেলগ্রেড মুক্ত হয় , যুদ্ধে মোট ১৫ হাজার জার্মান সেনা মারা যায়, ৯ হাজারকে আটক করা হয় । ১৯৪৫ সালে যুগোশ্লাভিয়া গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের অস্থায়ী সরকার স্থাপন করেন। সোভিয়েট ইউনিয়ন আর যুগোশ্লাভিয়ার যৌথ বাহিনী সারাদেশকে মুক্ত করে।
পরে নব্বইয়ের দশকে একে একে চারটি যুদ্ধের মাধ্যমে [[ক্রোয়েশিয়া]], [[মেসিডোনিয়া]], [[বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা]] আর [[স্লোভেনিয়া]] স্বাধীন হয়ে যায়। [[সার্বিয়া]] আর [[মন্টেনিগ্রো]] ‘ফেডারেল রিপাবলিক অব যুগোস্লাভিয়া’ নাম নিয়ে কিছুকাল টিকে থাকলেও ২০০৬ সালে [[মন্টেনিগ্রো]] স্বাধীন হয়ে গেলে ইতিহাসে বিলীন হয়ে যায় যুগোস্লাভিয়া নামের দেশটি।দেশটি।পরবর্তীতে সার্বিয়া ভেঙ্গে দুটি রাষ্ট্র হয়। একটি [[সার্বিয়া]] অপরটি [[কসোভো]]।
 
===== স্বাধীন হয়ে যাওয়া দেশসমূহ =====
১. [[ক্রোয়েশিয়া]]
২. [[মেসিডোনিয়া]]
৩. [[বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা]]
৪. [[স্লোভেনিয়া]]
৫. [[মন্টেনিগ্রো]]
৬. [[সার্বিয়া]]
৭. [[কসোভো]]
 
===== অর্থনীতি =====
২৪১টি

সম্পাদনা