"মোন্তেবিদেও" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সংশোধন
(Montevideo_Department_Coa.png কে চিত্র:Coat_of_arms_of_Montevideo_Department.png দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, কারণ: File renamed:।)
(সংশোধন)
মোন্তেবিদেও একটি পর্তুগিজ বাক্যাংশ “Monte vide eu” অর্থাৎ “আমি একটি পাহাড় দেখতে পাই” থেকে এসেছে। উরুগুয়ের জাতীয় নায়ক হোসে গের্বাসিও আর্তিগাসের সমাধিও এখানে অবস্থিত। আরও আছে জাতীয় আইনসভার প্রাক্তন ভবন কাবিলদো এবং ১৭৯০-১৮০৪ সালে নির্মিত একটি কারুকার্যময় ক্যাথিড্রাল। মোন্তেবিদেওতে প্রজাতন্ত্রের বিশ্ববিদ্যালয় (১৮৪৯), উচ্চশিক্ষা ইন্সটিটিউট (১৯২৮), জাতীয় ইতিহাস জাদুঘর (১৯০০), এবং জাতীয় চারুকলা জাদুঘর (১৯১১) অবস্থিত।
 
১৭২৬ সালে বুয়েনোস আইরেসের স্পেনীয় গভর্নর মোন্তেবিদেও শহর প্রতিষ্ঠা করেন, যাতে ব্রাজিল থেকে পর্তুগিজেরা দক্ষিণে অনুপ্রবেশ করতে না পারে। ১৯শ শতকের শুরুর দিকে শহরটির নিয়ন্ত্রণ একাধিকবার স্পেনীয় ও পর্তুগিজদের মধ্যে হাতবদল হয়। শেষ পর্যন্ত ব্রিটিশদের আংশিক হস্তক্ষেপে এটি স্বাধীন উরুগুয়ের রাজধানী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৮২৮ সালে স্পেনীয় আর্জেন্টিনা ও পর্তুগিজ ব্রাজিলের মধ্যে একটি বাফার বা অন্তর্বর্তীসংঘর্ষনিবারক প্রাবর-রাষ্ট্র (buffer state) হিসেবে উরুগুয়েউরুগুয়েকে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। উরুগুয়ের গৃহযুদ্ধের সময় ৯ বছর (১৮৪৩-১৮৫১) শহরটি ছিল। একই সময়ে এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রধান বন্দরে পরিণত হয়। ১৯শ শতকের শেষে এবং ২০শ শতকের শুরুতে বহু ইউরোপীয়, বিশেষত স্পেনীয় ও ইতালীয়রা শহরটিতে অভিবাসী হয়। এরপর গ্রাম থেকে রাজধানীমুখী জনগণই শহরটির বৃদ্ধিতে মূল ভূমিকা রেখেছে।
 
== তথ্যসূত্র ==
৪১,৬৫১টি

সম্পাদনা