প্রধান মেনু খুলুন

পরিবর্তনসমূহ

সম্পাদনা সারাংশ নেই
==অর্থনীতি==
বেঙ্গালুরু ভারতের তথ্য-প্রযুক্তি শিল্পেরও রাজধানী। দেশের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে অগ্রণী ভূমিকা থাকায় ব্যাঙ্গালোর ভারতের '''সিলিকন উপত্যকা''' নামে ও পরিচিত। ভারতের বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তির সংস্থা ইসরো, উইপ্রো, ইনফোসিস্‌ প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর এই শহরে রয়েছে। এই শহরে ২০০০ টিরও বেশি তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থা রয়েছে। কৃষি এবং উৎপাদন শিল্প থাকলেও তথ্য-প্রযুক্তি শিল্প এই রাজ্যের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। চার দশক আগে এই শহরে যাত্রা শুরু করেছিল তথ্য-প্রযুক্তি। ভারতের বিখ্যাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা কেন্দ্র- যেমন ইন্ডিয়ান ইন্সটিউট অব্‌ সায়েন্স, ইন্ডিয়ান ইন্সটিউট অব্‌ ম্যানেজমেন্ট ব্যাঙ্গালোর, হিন্দুস্তান এরোনটিকস্‌, ভারত ইলেকট্রনিকস্‌ প্রভৃতি ব্যাঙ্গালোরে অবস্থিত। ব্যাঙ্গালোর কন্নড় চলচ্চিত্র শিল্পের প্রধান কেন্দ্র।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|শিরোনাম=এগোচ্ছে বেঙ্গালুরু|ইউআরএল=https://kolkata24x7.com/bengaluru-go-ahead-of-bengal-due-to-jyoti-basus-historical-blunder.html}}</ref>
 
==পরিবহণ==
ব্যাঙ্গালোরের প্রধান বিমান বন্দর কেম্পেগৌড়া আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর শহরের মূলকেন্দ্র থেকে প্রায় ৪০ কি.মি. (২৫ মাইল) দূরে দেভানাহাল্লিতে অবস্থিত।আগে এর নাম ছিল বেঙ্গালুরু আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর। এটি একটি বেসরকারী বিমানবন্দর। ২০০৮ সালের ২৪ শে মে এই নতুন বিমানবন্দরের বিমান ওঠা-নামা শুরু হয়।এর আগে শহরের পূর্বদিকে বিমানাপুরায় অবস্থিত  হাল(হিন্দুস্তান এরোনটিকস লিমিটেড)বিমানবন্দর থেকে বিমান চলাচল করত।যাত্রী সংখ্যা ও বিমান ওঠা-নামার পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দিল্লী ও মুম্বাইয়ের পর ব্যাঙ্গালোর ভারতের তৃতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দর।বিমানবন্দর থেকে শহরের সংযোগের ক্ষেত্রে ট্যাক্সি ও বিএমটিসি পরিচালিত শীততাপনিয়ন্ত্রিত ভলভো বাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
 
ভারতীয় রেলপথের দক্ষিণ-পশ্চিম শাখার বিভাগীয় সদর দপ্তর ব্যাঙ্গালোরে অবস্থিত।  
 
==প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান==
# মণিপাল হাসপাতাল , [[হ্যাল বিমানবন্দর]] রোড
# কলম্বিয়া এশিয়া রেফারেল হাসপাতাল , যশবন্তপুর
 
==পরিবহণ==
ব্যাঙ্গালোরের প্রধান বিমান বন্দর কেম্পেগৌড়া আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর শহরের মূলকেন্দ্র থেকে প্রায় ৪০ কি.মি. (২৫ মাইল) দূরে দেভানাহাল্লিতে অবস্থিত।আগে এর নাম ছিল বেঙ্গালুরু আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর। এটি একটি বেসরকারী বিমানবন্দর। ২০০৮ সালের ২৪ শে মে এই নতুন বিমানবন্দরের বিমান ওঠা-নামা শুরু হয়।এর আগে শহরের পূর্বদিকে বিমানাপুরায় অবস্থিত  হাল(হিন্দুস্তান এরোনটিকস লিমিটেড)বিমানবন্দর থেকে বিমান চলাচল করত।যাত্রী সংখ্যা ও বিমান ওঠা-নামার পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দিল্লী ও মুম্বাইয়ের পর ব্যাঙ্গালোর ভারতের তৃতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দর।বিমানবন্দর থেকে শহরের সংযোগের ক্ষেত্রে ট্যাক্সি ও বিএমটিসি পরিচালিত শীততাপনিয়ন্ত্রিত ভলভো বাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
 
ভারতীয় রেলপথের দক্ষিণ-পশ্চিম শাখার বিভাগীয় সদর দপ্তর ব্যাঙ্গালোরে অবস্থিত।  
 
==আরও দেখুন==
৫,৭৭২টি

সম্পাদনা