"দুর্বাসা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বিষয়শ্রেণী
(পাতা তৈরি)
 
(বিষয়শ্রেণী)
ব্রহ্মাণ্ড পুরাণের ৪৪ সংখ্যক অধ্যাযে়র বর্ণনা অনুসারে একবার [[ব্রহ্মা]] এবং [[শিব]]ের কোনো এক কথাতে মনোমালিন্য হয়। এই সংঘাতের ফলেে শিব এত ক্রোধান্বিত হয়ে ওঠেন যে, দেবতারা তাঁর ভয়ে পালাতে আরম্ভ করে। এই কথায় শিবের পত্নী পার্বতী ক্ষুন্ন হন এবং মহাদেবর সাথে বাস করতে অক্ষমতা প্রকাশ করেন। নিজের ক্রোধাগ্নির ফলে সৃষ্টি হওয়া থেকে অথন্তরের কথা চিন্তা করে মহাদেব তা বর্জন করতে সন্মত হন এবং ঋষি অত্রির পত্নী অনুসূয়ার গর্ভে নিজর তপোগ্নি স্থাপন করেন। মহাদেবের এই তপোগ্নির থেকে ঋষি দুর্বাসা (যার সাথে বাস করা যায় না)-র জন্ম হয় বলে পুরাণ বর্ণিত আখ্যানে উপস্থাপন করেছে। যেহেতু মহাদেবের ক্রোধর ফলে তাঁর জন্ম হয়েছিল, সেজন্য ঋষি দুর্বাসা সামান্য কথাতে ক্ষুন্ন হয়ে ক্রোধিত হয়ে উঠতেন বলে জানা যায়।
 
==তথ্যসূত্র:==
{{সূত্র তালিকা}}
* The Vishnu Purana - translated by Horace Hayman Wilson(1840)
* Srimad Bhagavatam - translated by A.C. Bhaktivedanta Swami Prabupada, Copyright(c) The Bhaktivedanta Book Trust International, Inc.
* The website of the Shree Swaminarayan Gurukal, Rajkot, at [http://www.gurukulworld.org/rajkot/]
In Azamgarh, a pilgrim place is named Durvasa where the temple of Durvasa is located. As per the priest of the temple, Durvasa took [[samadhi]] at this place in a shivalinga.
==বহিঃসংযোগ==
 
[[বিষয়শ্রেণী:মহাভারতরমহাভারতের চরিত্র]]
[[বিষয়শ্রেণী:ঋষি]]
[[বিষয়শ্রেণী:পৌরাণিক চরিত্র]]
৪,২১৪টি

সম্পাদনা