"লিওনেল প্যালেরিট" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ব্যক্তিগত জীবন - অনুচ্ছেদ সৃষ্টি
(শেষদিকের কাউন্টি ক্রিকেট - অনুচ্ছেদ সৃষ্টি)
(ব্যক্তিগত জীবন - অনুচ্ছেদ সৃষ্টি)
১৯০৩ সালে এগারোটি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নেন লিওনেল পালাইরেট। এ মৌসুমে একটিমাত্র সেঞ্চুরি করার কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন তিনি। প্রথম ইনিংসে [[সারে কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব|সারের]] বিপক্ষে অর্ধ-শতক হাঁকানোর পর দ্বিতীয় ইনিংসে ১১৪ রান তুলেন।<ref>{{cite web |url=https://cricketarchive.com/Archive/Scorecards/6/6341.html |title=Somerset v Surrey: County Championship 1903 |publisher=CricketArchive |accessdate=6 December 2012}}</ref> এছাড়াও আরও তিনবার পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেলেন। বছর শেষে ৩৫.৩৮ গড়ে ৬৩৭ রান তুলেন।<ref name="batbs"/> পরের বছর তিনি আরও নিয়মিতভাবে খেলতে থাকেন। খেলোয়াড়ী জীবনে সর্বশেষবারের মতো সহস্রাধিক রান তুলেন।<ref name="batbs"/> গ্লুচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ১৬৬ রান তুলে মৌসুম শুরু করেন।<ref>{{cite web |url=https://cricketarchive.com/Archive/Scorecards/6/6417.html |title=Gloucestershire v Somerset: County Championship 1904 |publisher=CricketArchive |accessdate=6 December 2012}}</ref> বাথ ক্রিকেট উৎসবে ১১১ রান তুলেন। এ পর্যায়ে ব্রন্ডের সাথে উদ্বোধনী জুটিতে ১৬১ রান তুললেও ল্যাঙ্কাশায়ারের কাছে দশ উইকেটে পরাজিত হয় তাঁর দল।<ref>{{cite web |url=https://cricketarchive.com/Archive/Scorecards/6/6460.html |title=Somerset v Lancashire: County Championship 1904 |publisher=CricketArchive |accessdate=6 December 2012}}</ref> ঐ মাসের শেষদিকে [[Worcestershire County Cricket Club|ওরচেস্টারশায়ারের]] বিপক্ষে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত দ্বি-শতকটি হাঁকান। ২০৩ রানের ঐ ইনিংসটি ওরচেস্টারশায়ারের প্রথম ইনিংসের দলীয় সংগ্রহেরও অধিক ছিল। খেলায় সমারসেট ইনিংস ও ১১৪ রানে জয়ী হয়।<ref>{{cite web|url=https://cricketarchive.com/Archive/Scorecards/6/6493.html |title=Worcestershire v Somerset: County Championship |publisher=CricketArchive |accessdate=6 December 2012}}</ref> ক্রিকেট ঐতিহাসিক ডেভিড ফুট ১৯০৪ ও পরবর্তী কয়েকটি মৌসুমে সমারসেটের ছন্দপতন লক্ষ্য করেন।<ref name="Foot79">Foot (1986), p. 79.</ref> ঐ সময় ও [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম বিশ্বযুদ্ধের]] সময়কালের মধ্যবর্তী সময়ে ক্লাবটি কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপে দশম স্থানের অধিক উচ্চতায় অগ্রসর হতে পারেনি।<ref>Foot (1986), p. 218.</ref> ১৯০৫ ও ১৯০৬ সালের অধিকাংশ সময়ই ক্রিকেট খেলার বাইরে অবস্থান করেন পালাইরেট। এ সময় তিনি [[Earl of Devon|ডেভনের আর্লের]] পক্ষে ভূমি প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে থাকেন।<ref name="Foot79"/> ১৯০৫ সালে তিনবার খেলায় অংশ নেন। সফরকারী অস্ট্রেলিয়া একাদশ, [[কেন্ট কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব|কেন্ট]] ও ওয়ারউইকশায়ারের বিপক্ষে খেলেন। ১৯০৬ সালে কেবলমাত্র ইয়র্কশায়ারের বিপক্ষে একটিমাত্র খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। <ref name="fcm"/> ১৮৯৪ সাল থেকে সমারসেটের অধিনায়ক উডস ১৯০৬ সাল শেষে অবসর নেন। পূর্ববর্তী বছরগুলোয় খেলায় সীমিত পর্যায়ে অংশ নিলেও ১৯০৭ সালে পালাইরেটকে উডসের স্থলাভিষিক্ত করা হয়।<ref name="Foot8284">Foot (1986), pp. 82–84.</ref>
 
১৯০৭ সালে পালাইরেট কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপে সমারসেটের পক্ষে সবগুলো খেলাতেই অংশগ্রহণ করেছিলেন। এছাড়াও, ১৯০৭ সালে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশের বিপক্ষে ক্লাবের সদস্যরূপে অংশ নেন। এক পর্যায়ে কিছু খেলায় ক্লাবটিতে যোগ্যতাসম্পন্ন এগারোজন খেলোয়াড়কে নিয়ে খেলতে হিমশিম খায়। ফলশ্রুতিতে, [[Ted Tyler|টেড টাইলরকে]] পুণরায় জোরপূর্বক দলে খেলতে বাধ্য করা হয়। টাইলর চার বছর ধরে সমারসেটের পক্ষে খেলেননি ও ১৯০০ সাল থেকে মাত্র পাঁচ খেলায় অংশ নিয়েছিলেন।<ref name="Foot8284"/><ref>{{cite web|url=https://cricketarchive.com/Archive/Players/0/208/First-Class_Matches.html |title=First-Class Matches played by Ted Tyler (185) |publisher=CricketArchive |accessdate=8 December 2012}}</ref> পালাইরেট নিজেও কঠিনতম সময় পার করেন। দশ বা ততোধিক খেলায় অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে মাত্র ২১.৩৩ গড়ে রান তুলেন যা তাঁর যে-কোন মৌসুমের তুলনায় সর্বনিম্ন ছিল। মাত্র তিনবার পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেলছেন।খেলেছেন।<ref name="batbs"/> তন্মধ্যে, টনব্রিজের অ্যাঞ্জেল গ্রাউন্ডে কেন্টের বিপক্ষে ১১৬ রানের ইনিংস ছিল তাঁর।<ref>{{cite web|url=https://cricketarchive.com/Archive/Scorecards/7/7236.html |title=Kent v Somerset: County Championship 1907 |publisher=CricketArchive |accessdate=8 December 2012}}</ref> এ সেঞ্চুরিটি তাঁর খেলোয়াড়ী জীবনের সর্বশেষ ছিল।<ref name="batbs"/>
 
মৌসুম শেষে সমারসেট কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপের পয়েন্ট তালিকায় ষোল দলের মধ্যে চৌদ্দতম স্থান দখল করে। এর পরপরই দলের অধিনায়কত্ব থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেন তিনি। ক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ্য খেলোয়াড়ের অভাব ও দলের উজ্জ্বীবনী শক্তির অভাবের কথা তুলে ধরেন লিওনেল পালাইরেট। <ref name="Foot8284"/> ১৯০৭ সালের পর তিনি আর মাত্র আটট প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। ১৯০৯ সালে টনটনে কেন্টেের বিপক্ষে সর্বশেষ খেলায় অংশ নেন। প্রথম ইনিংসে এক রান ও দ্বিতীয় ইনিংসে তিন রান তুলেছিলেন।<ref name="fcm"/><ref>{{cite web|url=https://cricketarchive.com/Archive/Scorecards/7/7982.html |title=Somerset v Kent: County Championship 1909 |publisher=CricketArchive |accessdate=8 December 2012}}</ref> খেলাগুলোয় তিনি হার্লিকুইন্স ক্রিকেট টুপি পরিধান করেন।<ref>Foot (1986), p. 37.</ref> দলীয় সঙ্গীদের কাছে বেশ সমীহের কারণ হয়ে দাঁড়ান।<ref>Roebuck (1991), p. 48.</ref> পূর্ণাঙ্গ প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনে ৩৩.৬৩ গড়ে ২৭ সেঞ্চুরি সহযোগে ১৫,৭৭৭ রান তুলেন ও ৩৩.৯১ গড়ে ১৪৩ উইকেট দখল করেন।<ref name="caprof"/>
 
== ব্যক্তিগত জীবন ==
ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত লিওনেল পালাইরেট ১৮৯৪ সালে উইল্টশায়ারের সুপরিচিত ক্রিকেট উপদেষ্টা উইলিয়াম হেনরি লেভারটনের কন্যা ক্যারোলিন মাবেল লেভারটনের সাথে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। এ দম্পতির দুই সন্তান ছিল। ১৮৯৫ সালে এভলিন মাবেল হ্যামিল্টন ও পরের বছর হেনরি এডওয়ার্ড হ্যামিল্টন জন্মগ্রহণ করে।
 
পালাইরেটের ভাই রিচার্ড পালাইরেট ১৮৯১ থেকে ১৯০২ সাল পর্যন্ত সমারসেটের পক্ষাবলম্বন করেন। তবে, যোগ্যতার মানদণ্ডে লিওনেলের তুলনায় কমই সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন।<ref>{{cite web|url=http://www.espncricinfo.com/wisdenalmanack/content/story/230157.html |title=Obituaries in 1955 |publisher=ESPNcricinfo |accessdate=17 November 2013}}</ref>
 
ক্রিকেটের পাশাপাশি পালাইরেট অন্যান্য ক্রীড়ায়ও তাঁর আগ্রহ বজায় রেখেছিলেন। ১৯০১ সালে বেইলিজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত জীবন-বৃত্তান্তে খেঁকশিয়াল শিকারকে প্রধান খেলারূপে তুলে ধরা হয়েছিল।<ref name="bailys"/> ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়ার পর লিওনেল পালাইরেট দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের প্রথিতযশা গল্ফার হিসেবে আবির্ভূত হন। ১৯১১ সালে ডেভন কাউন্টি গল্ফ ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার পর তিনি প্রথম সভাপতির দায়িত্ব লাভের গৌরব অর্জন করেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে-পরে ১৯১৪ থেকে ১৯২৬ সাল পর্যন্ত গল্ফে ডেভন দলের অধিনায়কের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হন। এছাড়াও, ১৯২৩ থেকে ১৯৩২ সাল পর্যন্ত ইউনিয়নের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।<ref>{{cite web|url=http://www.devongolfunion.org.uk/past_officers |title=Past Officers |publisher=Devon County Golf Union |accessdate=14 December 2012}}</ref> ডেভনে আন্তঃক্লাব দলগত চ্যাম্পিয়নশীপের ধারণা তিনিই তুলে ধরেন ও বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন যা পালাইরেট ট্রফি নামে অদ্যাবধি প্রচলিত রয়েছে।<ref>{{cite web|url=http://www.devongolfunion.org.uk/history |title=History of the Union |publisher=Devon County Golf Union |accessdate=14 December 2012}}</ref> প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ডেভন আর্ল আসনের অধীন পাওয়ারহাম এলাকায় রিওমন্ট ডিপোর কমান্ডের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
 
২৭ মার্চ, ১৯৩৩ তারিখে এক্সমাউথ এলাকায় ৬২ বছর বয়সে দেহাবসান ঘটে লিওনেল পালাইরেটের।<ref name=timesobit/><ref name="wisdenobit"/>
 
== পাদটীকা ==
৭২,২৫৬টি

সম্পাদনা