টেরি ইগলটন: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্প্রসারণ
(বিষয়শ্রেণী:১৯৪৩-এ জন্ম যোগ হটক্যাটের মাধ্যমে)
(সম্প্রসারণ)
 
{{টেমপ্লেট:তথ্যছক দার্শনিক}}
[[জন্ম]]
টেরি ইগলটনের জন্ম ১৯৪৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী সেলফরডে, একটি শ্রমিক শ্রেণীর আইরিশ ক্যাথলিক পরিবারে। বাবা ফ্রান্সিস পল ইগলটন, মা রোজালিন।
 
টেরি ইগলটন (জন্ম ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৩) একজন ব্রিটিশ সাহিত্য তাত্ত্বিক, সমালোচক এবং [[বুদ্ধিজীবী]]। তিনি বর্তমানে ল্যাঙ্কস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যে বিশিষ্ট অধ্যাপক।
[[পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার]]
১৯৬১ সালে ট্রিনিটি কলেজে আসার আগে তিনি সাফরডে একটি রোমান ক্যাথলিক গ্রামার স্কুলে পড়েন। এখান থেকে তিনি জিসাস কলেজ, কেমব্রিজে যান, ১৯৬৪ তে গ্রেজুয়াশন শেষ করে। কেমব্রিজে তিনি জুনিয়র গবেষণা ফেলো এবং ডক্টরাল স্টুডেন্ট হিসেবে ছিলেন।তিনি আঠার শতকের পর কনিষ্ঠতম ফেলো ছিলেন। ১৯৬৯ সালে তিনি অক্সফোর্ডে পড়াতে যান। অক্সফোর্ডে তিনি একটি রেডিকেল গ্রুপ গড়ে তোলেন।<ref>টেরি ইগলটন; ''মার্কস ও মুক্তি''; [[সংহতি]] [[ঢাকা]]; ফ্লাপ।</ref> বর্তমানে তিনি ল্যানকেসটার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যর অধ্যাপক হিসাবে কাজ করছেন।
 
== প্রথম জীবন ==
[[প্রকাশনা]]
টেরি ইগলটনের জন্ম হয় ১৯৪৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারীফেব্রুয়ারী। সেলফরডেতার জন্ম হয় ইংল্যান্ডের স্যালফর্ডে, একটি শ্রমিক শ্রেণীর আইরিশ ক্যাথলিক পরিবারে। তার বাবা ফ্রান্সিস পল ইগলটন, মা রোজালিন।
সাহিত্যতাত্ত্বিক, সমালোচক ও বুদ্ধিজীবী ইগলটন চল্লিশের অধিক বই লিখেছেন। পোস্টমডার্নিজমের অন্যতম পর্যালোচক হিসেবে বিশ্বব্যাপী তার খ্যাতি রয়েছে।<ref>টেরি ইগলটন; ''মার্কস ও মুক্তি''; [[সংহতি]] [[ঢাকা]]; ফ্লাপ।</ref> তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও জনপ্রিয় বই লিটারেরি থিউরিঃ এন ইন্ট্রোডাকশান (১৯৮৩) যা প্রায় সাড়ে সাতলাখ কপি বিক্রি হয়েছে। তার অন্যান্য বইয়ের মধ্যে দি ইডিওলজি অফ এসথেটিকস, দি ইলিউশন অব পোস্টমডার্নিজম।
 
[[== পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার]]পেশা ==
তার মার্কসবাদ ও সাহিত্যতত্ত্ব (১৯৭৬) বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের কাছে পরিচিত।<ref>টেরি ইগলটন; ''মার্কস ও মুক্তি''; [[সংহতি]] [[ঢাকা]]; ফ্লাপ।</ref>
১৯৬১তিনি সালেস্যালফর্ডের ট্রিনিটিএকটি রোমান ক্যাথলিক গ্রামার স্কুলে - দে লা সালে কলেজে আসারশিক্ষিত আগেহয়েছিলেন। ১৯৬১ সালে তিনি সাফরডে[[ট্রিনিটি একটিকলেজ, রোমানকেমব্রিজ|ট্রিনিটি ক্যাথলিককলেজে]] গ্রামারইংরেজি স্কুলেবিষয় নিয়ে ভর্তি পড়েন।হন। এখান থেকে তিনি জিসাস কলেজ, কেমব্রিজে যান, ১৯৬৪ তেসালে গ্রেজুয়াশনস্নাতকত্ব শেষলাভ করে। কেমব্রিজে তিনি জুনিয়র গবেষণা ফেলো এবং ডক্টরাল স্টুডেন্ট হিসেবে ছিলেন।তিনিছিলেন। আঠারতিনি অষ্টদশ শতকের পরপরে, কলেজের কনিষ্ঠতম ফেলো ছিলেন।হয়েছিলেন। ১৯৬৯ সালে তিনি অক্সফোর্ডে[[অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়|অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়তে]] পড়াতে যান। অক্সফোর্ডে তিনি একটি রেডিকেলমূলগত গ্রুপ গড়ে তোলেন।<ref name=":0">টেরি ইগলটন;{{বই ''উদ্ধৃতি|title=মার্কস ও মুক্তি''; [[|last=ইগলটন|first=টেরি|publisher=সংহতি]]|year=২০১৭|isbn=978 984 888 269 6|location=[[ঢাকা]]; ফ্লাপ।|pages=}}</ref> বর্তমানে তিনি ল্যানকেসটার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যরসাহিত্যের অধ্যাপক হিসাবে কাজ করছেন।
 
== [[প্রকাশনা]] ==
সাহিত্যতাত্ত্বিক, সমালোচক ও বুদ্ধিজীবী ইগলটন চল্লিশের অধিক বই লিখেছেন। পোস্টমডার্নিজমের অন্যতম পর্যালোচক হিসেবে বিশ্বব্যাপী তার খ্যাতি রয়েছে।<ref>টেরি ইগলটন; ''মার্কস ও মুক্তি''; [[সংহতি]] [[ঢাকা]];name=":0" ফ্লাপ।</ref> তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও জনপ্রিয় বই লিটারেরিলিটারারি থিউরিঃথিওরি: এন ইন্ট্রোডাকশানইন্ট্রোডাকশন (১৯৮৩) যা প্রায় সাড়ে সাতলাখ কপি বিক্রি হয়েছে। তার অন্যান্য বইয়ের মধ্যে দি ইডিওলজি অফ এসথেটিকসএস্থেটিক (১৯৯০), দি ইলিউশন অবঅফ পোস্টমডার্নিজম।পোস্টমডার্নিজম (১৯৯৬)।
 
তার মার্কসবাদ ও সাহিত্য সমালোচনা (১৯৭৬) (মার্ক্সিজম এন্ড লিটারারি ক্রিটিসিজম) বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের কাছে পরিচিত।<ref name=":0" />
 
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৩-এ জন্ম]]
১,৪৭২টি

সম্পাদনা