রাসসুন্দরী দেবী: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সংশোধন, বানান সংশোধন
(সংশোধন, বানান সংশোধন)
'''রাসসুন্দরী দেবী''' ({{Lang-en|Rassundari Debi}}) একজন বাঙালি লেখক যিনি প্রথম পূর্ণাঙ্গ আত্মজীবনী লেখক হিসাবে চিহ্নিত <ref>{{cite web|author=Deepa Bandopadhyay|title=নারীর লেখা নারীর কথা|url=http://www.kaliokalam.com/2012/12/01/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE/}}</ref> আধুনিক বাংলা সাহিত্যে। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নারী লেখকদের মধ্যে একজন।
 
তিনি পশ্চিমবঙ্গে জন্মগ্রহণ করেন এবং প্রথম ভারতীয় নারী হিসাবে আত্মজীবনী লিখেছিলেন এবং প্রথম বাঙালি হিসাবে  একটি আত্মজীবনী লেখেনলেখেন। । আরাম[[:s:নির্ঘণ্ট:আমার জীবন (.djvu|আমার জীবন),]] তার আত্মজীবনী, ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
 
তিনি ভারতের প্রথম মহিলা যিনি ভারতের ইতিহাস নিয়ে চর্চিতচর্চা করেছিলেন  ছিল।করেছিলেন।
 
== আত্মজীবনী ==
রাসসুন্দরী ১৮১০ সালে পতাজিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা পদ্মলোচন রায় মারা যান যখন রাসসুন্দরী খুব ছোট ছিলেন। সেতিনি কখনো তার বাবাকে দেখেনিদেখেননি এবং তার মা ও আত্মীয়দের দ্বারা তিনি প্রতিপালিত হয়েছিলেন। তিনি তার বাবার বাড়িতে একটি ধর্মপ্রচারক মহিলা দ্বারা পরিচালিত স্কুলে থাকতেন, যেখানে ছেলেরাও অধ্যয়ন করতেন। রাসসুন্দরী একটি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য স্কুলে উপস্থিত ছিলেন এবং সেখান থেকে [[বাংলা]] ও [[ফার্সি]] ভাষা শেখেন।
 
১২ বছর বয়সে তিনি [[ফরিদপুর|ফরিদপুরের]] রামদিয়া গ্রামের রাজবাড়ির নীলমনি রায়ের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://mukto-mona.com/bangla_blog/?p=37932|title=পিঞ্জরাবদ্ধ এক বিহঙ্গীর ডানা ঝাপটানোর গল্প।|last=ফরিদ আহমেদ}}</ref> তিনি বিশ্বাস  একটি জনএকজন [[বৈষ্ণব]] ধর্ম ধর্মীয়বিশ্বাসী ছিলেন। সীমিত আনুষ্ঠানিক পড়াশোনাপড়াশোনার সঙ্গে, তিনি ভক্তি (নিষ্ঠা) দ্বারা চালিত হয়ে পড়তে শিখেছিশেখেন, তার প্রখর ইচ্ছা হইতে বাল্মীকি পুরাণ ও চৈতন্য ভাগবত পড়তেন। তিনি ১২ জন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন, যাদের মধ্যে ৭ জন জন্মের কিছু দিনের মধ্যে মারা যান। এতগুলো সন্তান হওয়ায় এবং তিনি দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার কারণে অসংখ্য মৃত্যু প্রত্যক্ষ করতে হয়েছে। তাঁর সাতটি সন্তানের মৃত্যু হয় চোখের সামনে। এছাড়া স্বামীকে হারিয়েছেন তিনি, হারিয়েছেন নাতি-নাতনিদেরও। এই সব প্রিয়জনদের মৃত্যু প্রত্যক্ষ করা কতখানি দুঃসহ শোকের তা ফুটে উঠেছে তাঁর লেখনিতে। তাঁর বেঁচে থাকা সন্তানেরা হলেন বীপিনবিপিন বিহারী সরকার, দ্বারকনাথ সরকার, কিশোরী সরকার, প্রতাপচন্দ্র সরকার এবং শ্যামসুন্দরী। তার স্বামী ১৮৬৮ সালে মারা যান।<ref>{{বই উদ্ধৃতি|title=Banglapedia: National Encyclopedia of Bangladesh|last=Amin|first=Sonia|publisher=[[Asiatic Society of Bangladesh]]|year=2003|editor-last=Islam|editor-first=Sirajul|editor-link=Sirajul Islam|edition=First|chapter=Dasi, Rassundari|editor-last2=Jamal|editor-first2=Ahmed A.|chapter-url=http://banglapedia.org/HT/D_0051.HTM|archive-url=https://web.archive.org/web/20080316055526/http://banglapedia.org/HT/D_0051.HTM|archive-date=16 March 2008}}</ref> তার ছেলে কিশোরী সরকার কলকাতা হাইকোর্টের একজন আইনজীবী হয়ে ওঠে এবং বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাজেরবইয়ের লেখক ছিলেন।<ref>''Hindu system of moral science'' (1895, 3rd revised and enlarged ed. 1912), ''Hindu system of religious science and art, or the revelations of rationalism and emotionalism'' (1898), ''Hindu system of self-culture of the Patanjala Yoga Shastra'' (1902), ''Mimansa rules of interpretation as applied to Hindu law'' (1909), ''An introduction to the Hindu system of physics, being an exposition of Kanad-Sûtras relating to the subject'' (1911).</ref> ১৮৯০ সালে রাসসুন্দরী মারা যান।
 
== লিখিত বই ==