"লিওনেল মেসি" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: ২০১৭ উৎস সম্পাদনা
| years1 = ২০০৩–২০০৪ | clubs1 = [[ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা|বার্সেলোনা সি]] | caps1 = ১০ | goals1 = ৫
| years2 = ২০০৪–২০০৫ | clubs2 = [[ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা বি|বার্সেলোনা বি]] | caps2 = ২২ | goals2 = ৬
| years3 = ২০০৪– | clubs3 = [[ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা|বার্সেলোনা]] | caps3 = ৩৮৯৪১০ | goals3 = ৩৬০৩৭৪
| nationalyears1 = ২০০৪–২০০৫ | nationalteam1 = [[আর্জেন্টিনা জাতীয় অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল|আর্জেন্টিনা অনূর্ধ্ব ২০]] | nationalcaps1 = ১৮ | nationalgoals1 = ১৪
| nationalyears2 = ২০০৭–২০০৮ | nationalteam2 = [[আর্জেন্টিনা জাতীয় অনূর্ধ্ব ২৩ ফুটবল দল|আর্জেন্টিনা অনূর্ধ্ব ২৩]] | nationalcaps2 = ৫ | nationalgoals2 = ২
| nationalyears3 = ২০০৫- | nationalteam3= [[আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল|আর্জেন্টিনা]] | nationalcaps3 = ১২২১২৩ | nationalgoals3 = ৬১
| pcupdate = ১৯ অক্টোবরমার্চ ২০১৭২০১৮
| ntupdate = ১২ অক্টোবর ২০১৭
}}
'''লিওনেল আন্দ্রেস “লিও” মেসি কুচ্চিত্তিনি''' ({{lang-es|Lionel Andrés Messi Cuccittini}}; {{IPA-es|ljoˈnel anˈdɾes ˈmesi|-|Lionel Andrés Messi - Name.ogg}}; জন্ম: ২৪ জুন ১৯৮৭) একজন আর্জেন্টিনীয়আর্জেন্টাইন পেশাদার [[ফুটবল (সকার)|ফুটবলারফুটবলা]] তিনিখেলোয়াড় যিনি স্পেনের সর্বোচ্চ স্তরের পেশাদার ফুটবল লিগলীগ প্রতিযোগিতা [[লা লিগা]]তে [[ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা|বার্সেলোনা]] ফুটবল ক্লাব এবং [[আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল|আর্জেন্টিনার জাতীয় ফুটবল দলের]] পক্ষে একজন [[ফরোয়ার্ড]] (আক্রমণভাগের খেলোয়াড়) হিসেবে খেলেন। তিনি বর্তমানে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক। মাত্র ২১ বছর বয়সেই মেসি [[বালোঁ দর]] এবং [[ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়]] পুরস্কার দু’টির জন্য মনোনীত হন। পরের বছর তিনি প্রথমবারের মত বালোঁ দর<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|url=http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/europe/8387679.stm|title=Barcelona forward Lionel Messi wins Ballon d'Or award|publisher=[[বিবিসি]]|date=১ ডিসেম্বর ২০০৯|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩}}</ref> এবং ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেন। ২০১০ খ্রিস্টাব্দ থেকে বালোঁ দর এবং ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড় পুরস্কার দুটিকে এক করে নাম দেওয়া হয় [[ফিফা বালোঁ দর]]। উদ্বোধনী বছরেই এই পুরস্কার জিতেন তিনি।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|url=http://www.fifa.com/ballondor/archive/edition=1999902010/index.html|title=Golden duo on top of the world|publisher=[[ফিফা]]|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩}}</ref> এরপর ২০১১<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|url=http://www.fifa.com/ballondor/archive/edition=1999902011/news/newsid=1565454/index.html|title=Messi, Sawa crowned at glittering Gala|publisher=[[ফিফা]]|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩}}</ref> এবং ২০১২<ref name="ballondor2012">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|url=http://www.fifa.com/ballondor/media/newsid=1981449/index.html|title=Messi, Wambach, Del Bosque & Sundhage triumph|publisher=[[ফিফা|FIFA]]|date=৭ জানুয়ারি ২০১৩|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩}}</ref> সালের পুরস্কারও জিতেন তিনি। ২০১১–১২ মৌসুমে তিনি ইউরোপের সেরা খেলোয়াড়ও নির্বাচিত হন। ২৪ বছর বয়সেই তিনি সব ধরণের অফিসিয়াল প্রতিযোগিতায় বার্সেলোনার সর্বোচ্চ গোলদাতায় পরিণত হন।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|url=http://www.dailymail.co.uk/sport/football/article-2117911/Lionel-Messi-Barcelonas-time-leading-goalscorer.html|title=Magical Messi becomes Barcelona's all-time leading goalscorer after grabbing hat-trick|publisher=ডেইলিমেইল (লন্ডন)|date=২০ মার্চ ২০১২|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩}}</ref> ২৫ বছর বয়সে তিনি [[লা লিগা]]য় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ২০০ গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে ক্লাব ও জাতীয় দল - উভয় মিলিয়ে তিনি তার ক্যারিয়ারের ৪০০তম অফিসিয়াল গোল করেন। একই বছরের নভেম্বরে তিনি লা লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লীগের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতায় পরিণত হন।২০১৭হন। ২০১৭ সালের মে মাসে তিনি বার্সেলোনার হয়ে নিজের ৫০০ তম গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন।
 
অনেক ধারাভাষ্যকার, কোচ এবং খেলোয়াড় তাকে বর্তমান সময়ের সেরা এবং সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে দাবী করে থাকেন।বার্সেলোনার সাবেক কোচ পেপ গার্দিওলা কাতালুনিয়া রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে বলেন আমি তার মস্তিষ্কে ঢুকে দেখতে চাই সে আর্জেন্টিনা ও বার্সেলোনার হয়ে এত চাপ কি ভাবে সামলায়।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|url=http://www.fifa.com/worldcup/preliminaries/news/newsid=1967479/?intcmp=fifacom_hp_module_interview|title=Simunic: Messi’s the bestof all time|publisher=[[ফিফা]]|date=১০ ডিসেম্বর ২০১২|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|url=http://www.bbc.co.uk/sport/0/football/20592977|title=Lionel Messi: Goals record caps golden year for Barcelona star|author=Smith, Ben|publisher=বিবিসি স্পোর্ট|date=৯ ডিসেম্বর ২০১২|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|url=http://www.bleacherreport.com/articles/1421215-lionel-messi-superstar-striker-is-best-footballer-in-world|title=Lionel Messi: Superstar Striker Is Best Footballer in World|author=Daniels, David|publisher=ব্লিচার রিপোর্ট|date=২৫ নভেম্বর ২০১২|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩}}</ref><ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|url=http://www.telegraph.co.uk/sport/football/players/lionel-messi/9734839/Lionel-Messi-hailed-as-incredible-and-gigantic-by-Gerd-Muller-after-Barcelona-star-breaks-record-for-most-goals.html|title=Lionel Messi hailed as 'incredible' and 'gigantic' by Gerd Mullerafter Barcelona star breaks record for most goals|publisher=দ্য টেলিগ্রাফ|date=১০ ডিসেম্বর ২০১২|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.theguardian.com/football/2010/apr/07/barcelona-arsenal-lionel-messi|title=Arsène Wenger hails Barcelona's Lionel Messi after four-goal display|work=দ্য গার্ডিয়ান|date=৬ এপ্রিল ২০১০|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩}}</ref>
 
মেসি ফুটবলের ইতিহাসে প্রথম এবং একমাত্র খেলোয়াড় যিনি টানা পাচটি [[ফিফা বালোঁ দর|ফিফা]] / [[বালোঁ দর]] পুরস্কার জিতেছেন। এছাড়া প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে তিনি তিনটি ইউরোপীয়ান গোল্ডেন শু পুরস্কারও জিতেছেন। বার্সেলোনার হয়ে মেসি আটটি [[লা লিগা]], তিনটিপাঁচটি [[কোপা দেল রে]], পাঁচটিসাতটি [[স্পেনীয় সুপার কোপা]], চারটি [[উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ]], দুইটিতিনটি [[উয়েফা সুপার কাপ]] এবং দুইটিতিনটি [[ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ]] শিরোপা জিতেছেন।
 
মেসি প্রথম এবং একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে টানা চারটি চ্যাম্পিয়নস লীগে সর্বোচ্চ গোল প্রদান করেছেন<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.sport.es/es/?idpublicacio_PK=44&idioma=CAS&idtipusrecurs_PK=7&idnoticia_PK=447107|title=Messi, máximo goleador de la Champions por cuarto año consecutivo|trans_title=মেসি, চতুর্থবারের মত চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা|work=Sport.es|language=স্পেনীয়|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|title=UEFA.com – Statistics – UEFA Champions League2011–12 Top Goalscorers|url=http://www.uefa.com/uefachampionsleague/season=2012/statistics/round=2000263/players/type=topscorers/index.html|work=উয়েফা|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩}}</ref> এবং প্রতিযোগিতায় তার সর্বোচ্চ হ্যাট্রিকেরও রেকর্ড রয়েছে (৪টি৭টি, [[ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো]]র)। ২০১২ খ্রিস্টাব্দের মার্চে চ্যাম্পিয়নস লীগে বেয়ার লেভারকুজেনের বিপক্ষে খেলায় পাঁচ গোল করে মেসি ইতিহাস গড়েন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.uefa.com/live/match-centre/cup=1/season=2012/day=8/session=2/match=2007677/popout/commentary.html|title=Messi scores 5 goals against Bayer Leverkusen|work=উয়েফা|date=৬ মার্চ ২০১২|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩}}</ref> এছাড়া তিনি চ্যাম্পিয়নস লীগের এক মৌসুমে [[হোসে আলতাফিনি|হোসে আলতাফিনির]] করা ১৪ গোলের রেকর্ডও স্পর্শ করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.fifa.com/worldfootball/clubfootball/news/newsid=1610523.html?intcmp=newsreader_news_box_1|title=Messi on the spot to send Milan out|work=ফিফা|date=৩ এপ্রিল ২০১২|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩}}</ref> ২০১১–১২ মৌসুমে সব ধরণের প্রতিযোগিতায় ৯৬টি গোল করার মাধ্যমে ইউরোপীয় ফুটবলে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ড গড়েন মেসি।টানামেসি। টানা ৮ মৌসুমে ৪০ এর অধিক গোল করা একমাত্র ফুটবলার মেসি<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.guardian.co.uk/football/2012/may/05/lionel-messi-four-goals-guardiola|title=Four-goal Lionel Messi gives Pep Guardiola perfect Barcelona send-off|work=দ্য গার্ডিয়ান|location=লন্ডন|date=৫ মে ২০১২|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩}}</ref> ঐ একই মৌসুমে, লা লিগায় ৫০ গোল করার মাধ্যমে লা লিগার এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডও গড়েন তিনি।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://latino.foxnews.com/latino/sports/2012/05/03/messi-sets-scoring-record-real-madrid-wins-title/|title=Messi Breaks La Liga Scoring Record|publisher=ফক্স নিউজ লাতিনো|date=৩ মে ২০১২|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩|author=}}</ref> মেসি ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় যিনি একই মৌসুমে ছয়টি আলাদা অফিসিয়াল প্রতিযোগিতায় গোল এবং গোলে সহায়তা উভয়ই করেছেন। ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ১৬ ফেব্রুয়ারি মেসি বার্সেলোনার হয়ে তার ৩০০তম গোল করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.goal.com/en/news/12/spain/2013/02/16/3740810/messi-scores-300th-barcelona-goal|title=Messi scores 300th Barcelona goal|work=Goal.com|date=১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩|author=Koylu, Enis}}</ref> ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ৩০ মার্চ মেসি লা লিগায় টানা ১৯টি খেলায় গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন। এর মধ্য দিয়ে ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে লীগের সব কয়টি দলের বিপক্ষে টানা গোল করার রেকর্ড গড়েন তিনি।<ref name="consecutive goal">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|url=http://www.dailymail.co.uk/sport/football/article-2301633/Lionel-Messi-breaks-record-completing-stunning-scoring-circle-La-Liga-team.html#ixzz2P6haWH2A|title=Messi breaks another record by completingstunning scoring circle against every La Liga team|publisher=Daily Mail|date=৩০ মার্চ ২০১৩|accessdate=৪ এপ্রিল ২০১৩|author=Jenson, Pete}}</ref> অবশ্য তিনি টানা ২১টি খেলায় গোল করেছিলেন। [[আতলেতিকো মাদ্রিদ|আতলেতিকো মাদ্রিদের]] বিপক্ষে খেলায় হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির (hamstring injury - উরূর মাংসপেশীর টান) কারণে মাঠ ছাড়লে তার এই গোলরথ থামে। ২০১৪ খ্রিস্টাব্দের ২৩ মার্চ তারিখে, [[রিয়াল মাদ্রিদ ফুটবল ক্লাব|রিয়াল মাদ্রিদের]] বিপক্ষে হ্যাট্রিক করার মাধ্যমে এল ক্লাসিকোর ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোল এবং হ্যাট্রিক করার রেকর্ড গড়েন মেসি।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.bbc.co.uk/newsround/26712677|title=Lionel Messi becomes all-time top scorer in Clasicos|publisher=|date=২৪ মার্চ ২০১৪|accessdate=২৯ মার্চ ২০১৪}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://prosoccertalk.nbcsports.com/2014/03/23/lionel-messi-becomes-top-all-time-el-clasico-scorer-as-thrilling-match-is-2-2-at-half/|title=Lionel Messi becomes top El Clasico scorer as Barcelona beats Real Madrid in 4-3 thriller|publisher=NBCSports|date=২৩ মার্চ ২০১৪|accessdate=২৯ মার্চ ২০১৪|first=Nicholas|last=Mendola}}</ref> এরপর নভেম্বরে, [[সেভিয়া ফুটবল ক্লাব|সেভিয়ার]] বিপক্ষে হ্যাট্ট্রিক করার মাধ্যমে ২৫৩ গোল নিয়ে তিনি লা লিগার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার গৌরব অর্জন করেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.nytimes.com/2014/11/24/sports/soccer/barcelonas-lionel-messi-breaks-la-ligas-scoring-record.html|title=Barcelona’s Lionel Messi Breaks La Liga’s Scoring Record|date=২৩ নভেম্বর ২০১৪|accessdate=২৪ নভেম্বর ২০১৪|publisher=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|first=Rob|last=Hughes}}</ref> একই২০১৭ মাসেখ্রিস্টাব্দের ২৩ এপ্রিল, চ্যাম্পিয়নসমেসি লীগেবার্সেলোনার নিজেরহয়ে তার ৭৪তম৫০০তম গোল করারকরেন।<ref>{{ওয়েব মাধ্যমেউদ্ধৃতি|url=http://www.goal.com/en-us/news/messi-scores-500th-goal-for-barcelona-to-win-el-clasico/19xniwjyq3dpb1ivv6d4sic3gc|title=Messi তিনিscores এই500th প্রতিযোগিতারওgoal সর্বকালেরfor সর্বোচ্চBarcelona গোলদাতারto গৌরবwin অর্জনEl করেন।Clasico|work=Goal.com|date=২৩ এপ্রিল ২০১৭|accessdate=২৫ মার্চ ২০১৮|author=Doyle, Mark}}</ref>
 
মেসি [[আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল|আর্জেন্টিনাকে]] ২০০৫ ফিফা অনূর্ধ্ব ২০ বিশ্বকাপ জয়ে সাহায্য করেন। প্রতিযোগিতায় তিনি সর্বোচ্চ ছয়টি গোল করেন এবং সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। ২০০৬ খ্রিস্টাব্দে আর্জেন্টিনার সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে তিনি [[২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপ|বিশ্বকাপে]] অংশগ্রহণ করেন। ২০০৭ খ্রিস্টাব্দে [[কোপা আমেরিকা]]য় আর্জেন্টিনা রানার-আপ হয় এবং তিনি প্রতিযোগিতার কনিষ্ঠ সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.livesoccertv.com/news/3856/copa-america-2011-lionel-messi-profile-player-to-watch/|title=Player Profile: Lionel Messi – Player to Watch|work=লাইভ স্কোর টিভি|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩}}</ref> ২০০৮ খ্রিস্টাব্দে বেইজিং অলিম্পিকে আর্জেন্টিনা অলিম্পিক ফুটবল দলের হয়ে মেসি স্বর্ণপদক জিতে নেন। এটিই ছিল তাঁর প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মাননা। [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ|২০১৪ বিশ্বকাপে]] তিনি আর্জেন্টিনাকে নেতৃত্ব দেন। তিনি টানা চার খেলায় সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার অর্জন করেন এবং দলকে ফাইনালে নিয়ে যান। প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড় হিসাবে তিনি গোল্ডেন বলের পুরস্কারও জিতেন। খেলার ধরন এবং দৈহিক গঠনের কারণে তাকে তারই স্বদেশী [[দিয়েগো মারাদোনা|দিয়েগো মারাদোনার]] সাথে তুলনা করা হয় যিনি নিজেই মেসিকে স্বীয় ‘‘উত্তরসূরি’’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.chinadaily.com.cn/english/doc/2006-02/25/content_523966.htm|title=Maradona proclaims Messi as his successor|publisher=চায়না ডেইলি|work=রয়টার্স|date=২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৬|accessdate=২১ জানুয়ারি ২০১৩}}</ref>