"বাংলাদেশের অর্থনীতি" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বানান ঠিক করা হয়েছে
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(বানান ঠিক করা হয়েছে)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা
বাংলাদেশের মাথাপিছু [[স্থূল দেশজ উত্‌পাদন]] <ref>http://earthtrends.wri.org/text/economics-business/variable-638.html</ref> স্বাধীনতার পরপরই [[১৯৭০]]-এর দশকে সর্বোচ্চ ৫৭% প্রবৃদ্ধি অর্জন করে। তবে এ প্রবৃদ্ধি বেশীদিন টেকেনি। [[১৯৮০]]-এর দশকে এ হার ছিলো ২৯% এবং [[১৯৯০]]-এর দশকে ছিলো ২৪%।{{citation needed}}
 
বাংলাদেশ বর্ধিত জনসংখ্যার অভিশাপ সত্ত্বেও [[খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা]] অর্জন করেছে। এর মূল কারণ হচ্ছে আভ্যন্তরীণ উৎপাদন অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে [[ধান]] উৎপাদনের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে তৃতীয়।{{citation needed}} বাংলাদেশের চাষাবাদের জমি সাধারণত [[ধান]] ও [[পাট]] চাষের জন্য ব্যবহৃত হলেও সাম্প্রতিক সময়ে [[গম|গমের]] চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে।{{citation needed}} বাংলাদেশে ধান উৎপাদনের দিক দিয়ে মোটামুটি স্বয়ংসম্পূর্ণ। তা সত্ত্বেও মোট জনসংখ্যার ১০% থেকে ১৫% অপুষ্টির ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।{{citation needed}} বাংলাদেশের কৃষি মূলত অনিশ্চিত [[মৌসুমী চক্র]] এবং নিয়মিত [[বন্যা]] ও [[খরা]]র উপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল। দেশের [[যোগাযোগ]], [[পরিবহন]] ও [[বিদ্যুৎ খাত]] সঠিকভাবে গড়ে না ওঠায় দেশটির উন্নতি ব্যহত হচ্ছে। বাংলাদেশে [[প্রাকৃতিক গ্যাস|প্রাকৃতিক গ্যাসের]] বিশাল খনি রয়েছে এবং [[কয়লা]], [[খনিজ তেল]] প্রভৃতির ছোটোখাটো খনি রয়েছে। বাংলাদেশের শিল্প-অবকাঠামো দুর্বল হলেও এখানে অদক্ষদক্ষ শ্রমিকের সংখ্যা অঢেল এবং মজুরিও সস্তা।
 
১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ বিভিন্ন দাতা দেশ থেকে ৩ হাজার কোটি বা ৩০ [[বিলিয়ন]] ডলারেরও বেশি বৈদেশিক সাহায্য ও ঋণ পেয়েছে যার মধ্যে ১৫ হাজার কোটি ডলার খরচ হয়ে গেছে।{{citation needed}} বাংলাদেশের প্রধান দাতার মধ্যে রয়েছে [[বিশ্ব ব্যাংক]], [[এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক]], [[জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী]], [[যুক্তরাষ্ট্র]], [[জাপান]], [[সৌদি আরব]] ও পশ্চিম [[ইউরোপ|ইউরোপীয়]] রাষ্ট্রসমূহ। তাসত্ত্বেও বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার এখনও অনেক বেশি। মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করে{{citation needed}} এবং [[ভারত]] ও [[চীন|চীনের]] পর বাংলাদেশেই সর্বোচ্চ সংখ্যক দরিদ্র মানুষ বসবাস করে।{{citation needed}} একই আয়ের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের সামাজিক সেবার মান অনেক কম। বাংলাদেশে ঐতিহাসিকভাবেই বিরাট বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে এবং এর অর্থনীতি বর্তমানে বিদেশে কর্মরত শ্রমিকের স্বদেশে পাঠানো অর্থের (ইংরেজিতে Remittance রেমিটেন্স) ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। [[১৯৯৫]] ও [[১৯৯৬]] খ্রিস্টাব্দে [[বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ]] সবচেয়ে কম পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের কল্যাণে এই মজুদ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে এই মজুদের মূল্যমান বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার কোটি বা ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বিশ্বের ৪০তম বৃহত্তম মজুদ।{{citation needed}}
৫১টি

সম্পাদনা