"ভুট্টা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎সেচ ও আগাছা ব্যবস্থাপনা: বানান ঠিক করা হয়েছে, ব্যাকরণ ঠিক করা হয়েছে
(→‎সেচ ও আগাছা ব্যবস্থাপনা: বানান ঠিক করা হয়েছে, ব্যাকরণ ঠিক করা হয়েছে)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা
 
== সেচ ও আগাছা ব্যবস্থাপনা ==
উচ্চ ফলনশীল জাতেরভুট্টারজাতের ভুট্টার আশানুরূপ ফলন পেতে হলে রবি মৌসুমে সেচ প্রয়োগ অত্যাবশ্যক। উদ্ভাবিত জাতেনিম্নরূপজাতে নিম্নরূপ ৩-৪টি সেচ দেওয়া যায়।
* প্রথমসেচ : বীজ বপনের ১৫-২০ দিনের মধ্যে (৪-৬ পাতা পর্যায়)
* দ্বিতীয়সেচ : বীজ বপনের ৩০-৩৫ দিনের মধ্যে (৮-১২ পাতা পর্যায়)
* তৃতীয়সেচ : বীজ বপনের ৬০-৭০ দিনের মধ্যে (মোচা বের হওয়া পর্যায়)
* চতুর্থসেচ : বীজ বপনের ৮৫-৯৫ দিনের মধ্যে (দানা বাঁধার পূর্বপর্যায়)
ভুট্টারফুল ফোটা ও দানা বাঁধার সময় কোন ক্রমেই জমিতে যাতে জলবদ্ধতা সৃষ্টি না হয় সেদিকেখেয়ালসেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। জমিতে আগাছা দেখা দিলে নিড়ানী দিয়ে দমন করতে হবে। ভুট্টার চারা অবস্থায় কাটুই পোকার আক্রমণ হলে হাত দিয়ে তা মেরে ফেলতেহবে।ফেলতে হবে।
 
=== রোগ ব্যবস্থাপনা ===
 
== ভুট্টারবীজ পচা এবং চারা গাছের রোগ দমন ==
বীজ পচা এবং চারা নষ্ট হওয়ার কারণে সাধারণত ক্ষেতেভুট্টা গাছের সংখ্যা কমে যায়। নানা প্রকার বীজ ও মাটি বাহিত ছত্রাক যেমন পিথিয়াম, রাইজোকটনিয়া, ফিউজেরিয়াম, পেনিসিলিয়াম ইত্যাদি বীজ বপন, চারা ঝলসানো, রোগ ও শিকড়পচা রোগ ঘটিয়ে থাকে। জমিতে রসের পরিমাণ বেশি হলে এবং মাটির তাপমাত্রা কম থাকলেবপনকৃত বীজের চারা বড় হতে অনেক সময় লাগে। ফলে এ সময়ে ছত্রকের আক্রমণের মাত্রা বেড়েযায়।
৮,২২৬টি

সম্পাদনা