"তৈমুর লং" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
নিজেদের বাহিনীর হাতেই পরাজিত হন সুলতান। দিল্লী দখলের আনন্দে তৈমুর বাহিনী দিল্লী জুড়ে বিরোধী সৈন্যের রক্তের বন্যা বসিয়ে দেয়। তৈমুর ভারতবর্ষ শাসন করেননি। অভিযানরত অবস্থায় তৈমুর বাগদাদের দখল হারানোর দুঃসংবাদ লাভ করেন। ১৩৯৯ সালে তৈমুর পুনরায় বাগদাদ আক্রমণ করেন। বরাবরের মতোই তিনি অনায়াসে বাগদাদ দখল করে নেন। এবার তৈমুরের নিষ্ঠুরতা যেন আরো বেড়ে গেলো। তার আদেশে বাগদাদের ২০ হাজার বিদ্রোহীর শিরশ্ছেদ করা হয়।
 
==অটোমান সাম্রাজ্যে তৈমুরের থাবা==
 
অটোমান সাম্রাজ্য তৎকালীন যুগে পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী সাম্রাজ্য ছিল। তৈমুরের নিষ্ঠুরতার সংবাদে অটোমান সুলতান বায়েজিদ ক্রোধান্বিত হন। তিনি তৈমুরকে সতর্ক করে বার্তা প্রেরণ করেন। কিন্তু এর মাধ্যমে তিনি তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল করে ফেলেন। বার্তা পাওয়া মাত্র তৈমুর মনস্থির করেন, অটোমানদের গৌরব মাটিতে মিশিয়ে দিবেন।
 
১৪০১ সালে তৈমুর তুরস্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। সুলতান বায়েজিদ এই সংবাদে বিশাল বাহিনী নিয়ে প্রস্তুত হয়ে যান। ১৪০২ সালে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় দুই বাহিনী মুখোমুখি হয়। সেদিন পুরো পৃথিবী তৈমুরের রণকৌশলে মুগ্ধ হয়ে যায়। শক্তিশালী অটোমান সাম্রাজ্য তৈমুরের নিকট শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। যুদ্ধে সুলতান বায়েজিদ বন্দী হন। পরবর্তীতে তিনি বন্দী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
 
এই যুদ্ধের পর মিশর সাম্রাজ্য তৈমুরের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে। অটোমান সাম্রাজ্য ইউরোপের বহু রাষ্ট্রের জন্য হুমকিস্বরূপ ছিল। তৈমুরের অটোমান জয়ের ফলে ফ্রান্স, স্পেন সহ প্রভৃতি রাষ্ট্র তৈমুরের সাথে মিত্রতার সম্পর্ক স্থাপন করে।
 
প্রায় অর্ধেক পৃথিবী তৈমুরের দখলে চলে আসে। চেঙ্গিস খানকে আদর্শ মানা তৈমুর বীরদর্পে তার সাম্রাজ্যে পদচারণ করেন। দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়ে তৈমুরের বীরত্বগাথা। স্বাধীন সম্রাটরা ভয়ে ভয়ে থাকেন। এই বুঝি তৈমুর তার বাহিনী নিয়ে আক্রমণ করে বসেন!
 
== তথ্যসূত্র ==
বেনামী ব্যবহারকারী