"পাঞ্জাব, পাকিস্তান" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(বানান সংশোধন)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
}}
 
'''পাঞ্জাব''' (پنجاب) [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] একটি প্রদেশ যা দেশটির উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত। এটি আদিতে ঐতিহাসিক পাঞ্জাব অঞ্চলের অংশ ছিল; ঐ অঞ্চলের পশ্চিম অংশ নিয়ে বর্তমান পাকিস্তানি প্রদেশটি গঠিত হয়েছে। এর আয়তন ২,০৫,৩৪৪ বর্গকিলোমিটার। এর পূর্বে ভারত, পশ্চিমে পাকিস্তানের বেলুচিস্তান ও [[খাইবার পাখতুনখোয়া]] প্রদেশ, দক্ষিণে [[সিন্ধ প্রদেশ]]। পাঞ্জাব প্রদেশটি [[ইসলামাবাদ]] রাজধানী অঞ্চলকে ঘিরে রেখেছে।
 
পাঞ্জাব পাকিস্তানের সবচেয়ে সমৃদ্ধ কৃষি অঞ্চল। পাকিস্তানের বেশির ভাগ গম এবং অর্ধেক পরিমাণ ধান এখানেই উৎপাদিত হয়। এছাড়াও এখানে তুলা, আখ, যব, তৈলবীজ, ডাল, ফল এবং শাকসবজি ফলানো হয়। প্রায় সমস্ত আবাদী ভূমি সেচের আওতাভুক্ত।
পাঞ্জাব প্রদেশে টেক্সটাইল, যন্ত্রপাতি এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের শিল্পকারখানা আছে। এখানে কয়লা ও লোহার আকরিকের খনিও আছে। ইউরেনিয়ামের মজুদ নিশ্চিত হয়েছে।
 
পাকিস্তানের [[রাষ্ট্রপতি]] পাঞ্জাবের গভর্নরকে নিয়োগ প্রদান করেন এবং তাঁকে প্রাদেশিক আইনসভার নির্বাচিত সদস্য থেকে একদনএকজন মন্ত্রী পাঞ্জাব প্রদেশ পরিচালনায় সাহায্য করেন। [[লাহোর]] শহর প্রদেশের রাজধানী।
 
পাঞ্জাব পাকিস্তানের সবচেয়ে জনবহুল প্রদেশ। এখানে পাকিস্তানের প্রায় অর্ধেক লোক বাস করে। বেশির ভাগ লোক গ্রামীণ এলাকায় বাস করে। ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও খ্রিস্টান, হিন্দু, পর্সি এবং শিখরাও এ প্রদেশে বাস করে। প্রদেশের প্রধান শহরগুলির মধ্যে আছে [[লাহোর]], [[ফায়সালাবাদ]], [[গুজরানওয়ালা]], [[মুলতান]] এবং [[রাওয়ালপিণ্ডি]]।
 
পাঞ্জাবের বেশির ভাগ লোক [[পাঞ্জাবি]] ভাষায় কথা বলে। প্রায় ১৫% লোক পাঞ্জাবি ভাষার একটি উপভাষা সারাইকি ভাষাতে কথা বলে। অন্যদিকে রাষ্ট্রভাষা উর্দু মাত্র ৫% লোকের মাতৃভাষা। ১৯৮০-র দশকে আফগানিস্তানে থেকে বহু লক্ষ শরনার্থীর আগমনের ফলে পাঞ্জাবের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে এখানে ৮ কোটিরও বেশি লোকের বাস।
 
পাঞ্জাব নামটি [[ফার্সি]] ভাষার پنج ''পাঞ্জ'' ("পাঁচ") এবং آب ''অব'' ("পানি" বা "জল") থেকে এসেছে। অর্থাৎ পাঞ্জাব হল পাঁচ নদীর দেশ। পাঁচ নদী বলতে ঝেলুম, চেনাব, রাভি, বেয়াস এবং সুতলেজ নদীগুলিকে নির্দেশ করা হয়েছে। এগুলি সবগুলি সিন্ধু নদের উপনদী।
 
পাঞ্জাব প্রদেশটির বর্তমান সীমানা ১৯৭২ সালের মে মাসে নির্ধারিত হয়।