"বেতাল পঁচিশি" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(বিষয়শ্রেণী:পৌরাণিক কাহিনী যোগ হটক্যাটের মাধ্যমে)
 
যাওয়ার পথে বেতাল নিজের কাহিনী বলা শুরু করে। তার মাবাবার পুত্রসন্তান ছিলোনা, এক তান্ত্রিক তাদেরকে যমজ পুত্রসন্তান দান করবে জাদুর মাধ্যমে তবে তাদেরকে তার অধীনে লেখাপড়া শিখতে হবে বলে সে শর্ত দেয়। বেতাল সবকিছুই শেখে তবে প্রায়ই মার খায়। অপরদিকে তার ভ্রাতাকে প্রহার করা হয়না। বেতাল জেনে যায় যে তান্ত্রিকটি তার যমজ ভাইকে তার মাতাপিতার কাছে ফেরত দিয়ে তাকে জবেহ করবে কারণ সে নাকি সবজান্তা কুমার এবং বেতালকে বলি দিয়ে সে বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবে যার দ্বারা সে পুরো পৃথিবীকে শাসন করতে পারবে এবং সবসময় অমরণশীল থাকবে। বেতাল বিক্রমকে বলে যে তান্ত্রিকটি এখন তাকেও (বিক্রম) হত্যা করতে চায়, তাকে শিরচ্ছেদ করতে চায় কারণ সে দেবীদের সামনে মাথানত করেছে। তান্ত্রিক বেতালের আত্মাটাকেও বলি দিয়ে তার সেই পুরনো অভিলাষ চরিতার্থ করে ফেলবে। বেতাল বিক্রমে এসবকিছুর সমাধান বাতলে দেয় এবং বিক্রম পরে সে অনুযায়ী কাজ করে সফল হয়।
{{উইকিসংকলন|বেতালপঞ্চবিংশতি}}
 
==তথ্যসূত্র==
{{ সূত্র তালিকা }}
 
[[বিষয়শ্রেণী:পৌরাণিক কাহিনী]]
১,৮৩৪টি

সম্পাদনা