"বেশান্তর" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা
যদিও বর্তমানে সামাজিক উন্নয়ন মানুষকে পুরুষ ও নারীর [[লিঙ্গবৈষম্য]] ও নিষেধাজ্ঞা থেকে অনেকটাই নিষ্কৃতি দিয়েছে, যদিও [[অন্ধবিশ্বাস|অন্ধবিশ্বাসের]] কারণে তা এখনো সম্পূর্ণ মুছে যায়নি। রূপান্তরকামীদের স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে গ্রহণ করার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, একইভাবে বেশান্তর ও [[সমকামিতা]]র সম্পর্কে অন্ধধারণারও দ্রুত অবসান ঘটছে কিছুকাল থেকে। রূপান্তরকামী ও সমকামীরা নিজেদের যৌন পরিচয় স্পষ্টভাবে প্রকাশ করছেন বেশান্তরের মাধ্যমেই। আবার, [[লিঙ্গ পরিবর্তন|লিঙ্গ-পরিবর্তনের]] দীর্ঘ প্রক্রিয়ার একটি পর্যায়ে বেশান্তর করতে হয়।
 
তবে বেশান্তরের সাংস্কৃতিক গুরুত্ব রয়েছে। অনেক সংস্কৃতিতেই বেশান্তর (প্রধানত পুরুষদের) সামাজিক রীতিনীতির অঙ্গ। [[ভারত|ভারতেও]] পুরুষরা দৈনন্দিন জীবনে বেশান্তরের স্বীকৃতি না পেলেও, লোকসংস্কৃতিতে বেশান্তর স্বাভাবিক ব্যাপার। [[পশ্চিমবঙ্গ]] ও [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] গ্রামেগঞ্জে ''[[যাত্রা]]'' নামক লোকনাটকে নারীচরিত্রে এখনও ছেলেরাই অভিনয় করে। চৈত্র মাসে [[চড়ক পূজা|চড়ক পুজো]]র আগে বহু প্রান্তিক মানুষ [[দুর্গা]], [[কালী]]র মতো দেবীর বেশ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। [[বৃন্দাবন|বৃন্দাবনে]] কিছু পুরুষ [[কৃষ্ণ]]ভক্ত দেবতার প্রেম পাওয়ার বিশ্বাসে [[রাধা]] সেজে পূজার্চনা করেন। ভারতের [[বিহার|বিহারে]] ''লন্ডা নাচ'' নামে গ্রাম্য অনুষ্ঠানে নর্তকী সেজে মনোরঞ্জন করে ছেলেরাই। [[কর্ণাটক|কর্নাটকের]] প্রাচীন নৃত্যকলা 'যক্ষগান'-ও এমনই এক দৃষ্টান্ত। [[কেরল|কেরলের]] কোট্টঙ্কুলংকার দেবী মন্দিরে ''চাময়াবিলক্কু'' নামক বার্ষিক ধর্মীয় উৎসবে পুরুষ ও বালকরা মেয়েদের কাপড় পরে দেবীর আরাধনা করতে যান। বর্তমানে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনে হাস্যরস তৈরির জন্য হলেও অভিনেতাদের বেশান্তর জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
 
==আরও দেখুন==
১,২১৩টি

সম্পাদনা