"রমেশ চন্দ্র মিত্র" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বানান
(পাতা লিঙ্ক)
(বানান)
'''রমেশ চন্দ্র মিত্র''' (১৮৪০- ১৩ জুলাই, ১৮৯৯) ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বাঙালি বিচারপতি ও খ্যাতনামা সমাজসেবী।
==প্রারম্ভিক জীবন==
রমেশ চন্দ্র মিত্র অবিভক্ত চ্চব্বিশচব্বিশ পরগনা জেলায় জন্মগ্রহন করেন, তার পিতার নাম ছিল রামচন্দ্র মিত্র। [[হেয়ার স্কুল]] ও [[প্রেসিডেন্সী কলেজ, কলকাতা|প্রেসিডেন্সী কলেজে]] সজিক্ষাশিক্ষা সম্পন্ন করেন তিনি। বি এ ও বি এল পাশ করে ২১ বছর বয়েসে ওকালতি শুরু করেন সদর দেওয়ানী আদালতে। বিচারপ্তবিচারপতি অনুকূল মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর [[কলকাতা হাইকোর্ট|কলকাতা হাইকোর্টে]] তার স্থাল্ভিসিক্তস্থলাভিসিক্ত হন তিনি। উচ্চপদস্থ ইঙ্গেজইংরেজ রাজপুরুষরা বিচারপতি মিত্রের আইন জ্ঞান ও রায়কে কদর করতেন।
 
==কৃতিত্ব==
রমেশ চন্দ্র সম্মানের সাথে বিচারপতির কাজ করেছেন প্রায় কুড়ি বছর। তিনি ১৮৮৭ সালে পাবলিক সার্ভিস কমিশন, কলিকাতা[[কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েরবিশ্ববিদ্যালয়|কলকাতা এরবিশ্ববিদ্যালয়ে]]<nowiki/>র ব্যবস্থাপক সবারসভার সদস্য ছিলেন। ১৮৮৩ সালে আদালত অবমাননার মামলায় রাষ্ট্রগুরু [[সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়]]<nowiki/>কে সাজা দেওয়ার সময় অন্যান্য সংখ্যাগরিষ্ঠ ইংরেজ বিচারপতির সাথে মতানৈক্য প্রকাশ করেছিলেন। [[রিপন কলেজ|রিপন কলেজজে]]<nowiki/>র উন্নতি, শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কার করে জনপ্রিয় হন। এজ অফ কনসেন্ট বিলের বিরোধীতা করেছিলেন তিনি। [[ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস]] দলে যোগ দিয়ে ১৮৯৬ সালে কলকাতা অধিবেশনের অভ্যর্থনা সমিতির সভাপতি হন। [[সংস্কৃত ভাষা|সংস্কৃত]] শাস্ত্রের অধ্যাপনার জন্যে [[কলকাতা]]<nowiki/>র [[ভবানীপুর (কলকাতা)|ভবানীপুরে]] প্রতিষ্ঠা করেন চতুষ্পাঠী।
 
==সম্মান==