"উইকিপিডিয়া" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

শীতকালীন পুকুর ব্যবস্থাপনা (Winter Pond Management)
(হালনাগাদ)
(শীতকালীন পুকুর ব্যবস্থাপনা (Winter Pond Management))
{{about|ইন্টারনেট বিশ্বকোষ}}
{{Selfref|উইকিপিডিয়ার অ-বিশ্বকোষীয় পরিদর্শক পরিচিতির জন্য, দেখুন {{srlink|উইকিপিডিয়া:বৃত্তান্ত}}।}}
'''শীতকালীন পুকুর ব্যবস্থাপনাঃ'''
{{citation style|date=জানুয়ারি ২০১৫}}
 
অন্তর সরকার,
 
ফিশারিজ অনুষদ, "চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি & এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়"
 
'''শীতকালীন সম্ভাব্য সমস্যা ও সমাধানঃ'''
 
'''সমস্যা ১ -''' শীতকালে তাপমাত্রা কম থাকে ফলে মাছের বিপাকীয় হার (Metabolic Rate) থাকে কম। তাই একই পরিমাণ খাবার হজম হতে সময়ও লাগে বেশি। অতিরিক্ত খাবার জমে ও পঁচে পানির গুণাগুণ নষ্ট করতে পারে ও অ্যামোনিয়া গ্যাস সৃষ্টি করে অক্সিজেন এর মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে। পানির উপর লাল স্তর পড়তে পারে।
 
সমাধানঃ খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া। যে পরিমাণ খাবার আপনি দুইবেলা হারে দিয়ে থাকেন সে  একই পরিমাণ খাবার আপনি তিন বা চারবেলা হারে দিন। দিনের তাপমাত্রা অতিরিক্ত কম থাকলে খাবার দেয়া কিছুদিন বন্ধ রাখতে পারেন। পানির উপর লাল স্তর পড়লে খড়ের বিচালি বা কলাগাছের পাতা পেঁচিয়ে দঁড়ি তৈরী করে টানলে সমাধান হতে পারে। মাছের হজমশক্তি বাডানোর জন্য প্রতি কুইন্ট্যাল খাবারে ৫০-১০০ গ্রাম উপযুক্ত উৎসেচক বা এনজাইম বা হজমি প্রয়োগ করা উচিত। এতে মাছের খাবার চাহিদা বাড়বে।
 
'''সমস্যা ২ –''' আপনার পুকুরের চারপাশে যদি বড় গাছ থাকে তাহলে শীতকালীন পাতা ঝড়া একটি বড় সমস্যার৪ কারণ হতে পারে। কারণ এই পাতাগুলো পুকুরের উপরের স্তরে একটি আবরণের সৃষ্টি করবে যা সূর্যের আলো পুকুরে প্রবেশ করতে দেবেনা। তাছাড়া এই পাতাগুলো পঁচে পানির গুণাগুণ নষ্ট করবে ও বিভিন্ন জীবাণুর বাহক হিসবে কাজ করবে যা মাছের রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
 
সমাধানঃ আপনাকে বার বার পুকুরে জমে থাকা পাতা পরিষ্কার করে নিতে হবে। পুকুরের পানির কিছুটা উপরে জাল টানানোর ব্যবস্থা করতে পারেন যা পাতে গুলো আটকে দেবে। পুকুড় পাড়ের অতিরিক্ত ঝোপঝাড় পরিষ্কার করাও বাঞ্চনীয়।
 
'''সমস্যা ৩ -''' শীতকালে অক্সিজেন এর দ্রবণীয়তা বেশি থাকা স্বত্তেও অক্সিজেন ''উৎপাদন হয়। ফলে অক্সিজেন ঘাটতি দেখা যেতে পারে।''
 
''সমাধানঃ'' কৃত্তিম উপায়ে পানিতে অক্সিজেনের বৃদ্ধি ঘটাতে হবে। জাল টেনে, সাঁতার দিয়ে এবং বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে পানিতে অক্সিজেনের বৃদ্ধি ঘটাতে হবে। এছাড়াও একরপ্রতি পাঁচ থেকে ১০ কেজি টিএসপি দিয়ে কাজ চালানো যেতে পারে। প্রতি ১০-১৫ দিন অন্তর পুকুরে জাল টানলে স্বাস্থ্য, মাছের সংখ্যা ও ওজন সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যাবে। এছাডা জাল টানার ফলে পুকুর থেকে বিভিন্ন ক্ষতিকারক গ্যাস বেরি যায়।
 
'''সমস্যা ৪-'''শীতকালে অ্যামোনিয়ার ঘনমাত্রা বেশি থাকে। অ্যামোনিয়া বেড়ে গেলে পানির রঙ তামাটে অথবা কালচে রঙের হয়। মাছের ছোটাছুটি বেড়ে যায়।
 
সমাধানঃ মাছের মজুদ ঘনত্ব কমাতে হবে। সার ও খাদ্য প্রয়োগ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে। ২৫ থেকে ৩০ ভাগ পানি পরিবর্তন করতে হবে।
 
'''সমস্যা ৫-''' প্রাকৃতিক খাদ্য ''উৎপাদনকারী উদ্ভিদকণা কম থাকে কারণ দিনের ব্যাপ্তি কম থাকে ও কম সূর্যালোক কম প্রবেশ করে।''
 
''সমাধানঃ'' পুকুরে উদ্ভিদকণা বৃদ্ধির জন্য অজৈব সার বিশেষ করে ইউরিয়া (বিঘা প্রতি মাসে ৪-৫ কেজি)ও সিঙ্গল সুপার ফসফেট (বিঘা প্রতি মাসে ৫-৬ কেজি) প্রয়োগ করতে হবে। কিন্তু পুকুরের জলের উপর থেকে দৃশ্যতা ২৫-৩০ সেমির কম হলে বা জল ঘন সবুজ রঙের হয়ে গেলে অজৈব সার দেওয়া চলবে না।
 
'''সমস্যা ৬-''' শীতে সাধারণত পুকুরের পানি কমে যায়। আর কম থাকলে গোসাপ, উদবিড়ালরা মাছ খেয়ে ফেলতে পারে। মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায় শীতের সময়। 
 
সমাধানঃ প্রয়োজনমত পানি সরবরাহ করতে হবে। মাছের ঘনত্ব স্বাভাবিক বা কম রাখতে হবে। প্রয়োজনে স্ট্রেপটোসাইকিন (৫০ পিপিএম) জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক বা পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট (২০০-২৫০পিপিএম) জলে মিশিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। 
 
তথ্যঃ সংগৃহীত ( BD fish, Bikashpidia, Agriview, Water Garden, Aquaview, Pondsite){{citation style|date=জানুয়ারি ২০১৫}}
{{Infobox website
| name = উইকিপিডিয়া
[[বিষয়শ্রেণী:ভার্চুয়াল সম্প্রদায়]]
[[বিষয়শ্রেণী:উইকিসমূহ]]
<references group="notes" />
১৫টি

সম্পাদনা