ব্রজেন্দ্রনাথ শীল: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বিষয়বস্তু বিয়োগ হয়েছে বিষয়বস্তু যোগ হয়েছে
সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: দৃশ্যমান সম্পাদনা মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
সূত্র
ট্যাগ: দৃশ্যমান সম্পাদনা মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
১ নং লাইন:
'''ব্রজেন্দ্রনাথ শীল''' (৩ সেপ্টেম্বর, ১৮৬৪ - ১৯৩৮) একজন বাঙালি দার্শনিক ও বহুবিদ্যাবিশারদ পন্ডিত ছিলেন।
==প্রারম্ভিক জীবন==
ব্রজেন্দ্রনাথ শীল হুগলীর হরিপালে<nowiki/> জন্মগ্রহন করেন। পিতা মহেন্দ্রনাথ শীল ছিলেন [[কলকাতা হাইকোর্ট|কলকাতা হাইকোর্টে]]<nowiki/>র আইনজীবী। অল্পবয়সে ব্রজেন্দ্রনাথ পিতৃমাতৃহারা হয়ে মামার বাড়িতে মানুষ হন। তিনি [[স্কটিশ চার্চ কলেজ, কলকাতা]] হতে বিএ পাশ করে সেখানেই অধ্যাপনার কাজ নেন। অংক ও দর্শন দুটিতেই তার ব্যুৎপত্তি ছিল। কলেজে তার সহপাঠী ছিলেন [[স্বামী বিবেকানন্দ]]। ১৮৮৪ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ তে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন তিনি।<ref>{{বই উদ্ধৃতি|title=সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান|last=প্রথম খন্ড|first=সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু|publisher=সাহিত্য সংসদ|year=২০০২|isbn=|location=কলকাতা|pages=৩৭১}}</ref> ১৮৮১ সালে ইন্দুমতী রক্ষিতকে বিবাহ করেন। দুর্ভাগ্য বশত ছয় বচগর পরে স্ত্রী বিয়োগ হয় তার।<ref name=":1">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.anandabazar.com/supplementary/patrika/rabindranath-also-appreciated-brajendra-nath-seal-s-straight-on-face-words-1.469862|title=তাঁর স্পষ্টকথার তারিফ করতেন রবীন্দ্রনাথও|last=|first=|date=|website=anandabazar.com|publisher=আনন্দবাজার পত্রিকা|access-date=১২ আগস্ট, ২০১৭}}</ref>
 
==কর্মজীবন==
[[কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়]] থেকে পি এইচ ডি করার পরে বিভিন্ন জায়গায় অধ্যাপনা করেছেন তিনি। [[কোচবিহার|কোচবিহারে]]<nowiki/>র ভিক্টোরিয়া কলেজের প্রথম ভারতীয় অধ্যক্ষ হন। অধুনা এই কলেজটির নাম আচার্য ব্রজেন্দ্রনাথ শীল কলেজ। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনশাস্ত্রের প্রধান অধ্যাপক ছিলেন ৯ বছর। বহরমপুর [[কৃষ্ণনাথ কলেজ|কৃষ্ণনাথ কলেজে]]<nowiki/>র আধুনিকিকরনের রূপকার তিনি।<ref name=":0" /> পরে ১৯২১ থেকে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত তিনি মহীশূর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৮৯৯ সালের ১৫ অক্টোবর [[রোম|রোমে]] অনুষ্ঠিত Congress International Des Orientalists এর আন্তর্জাতিক অধিবেশনে যোগদান করে প্রবন্ধ পাঠ করেন। এ প্রবন্ধে তিনি ‘ইতিহাসের দর্শন’ ও ‘ঐতিহাসিক তুলনামূলক পদ্ধতি’ সম্পর্কে জ্ঞানগর্ভ বক্তব্য রাখেন করেন। ১৯১১ সালে [[লন্ডন]] বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব জাতি কংগ্রেসে জাতিতত্ত্ব বিষয়ক বক্তব্য রাখেন তিনি। ১৯২১ সাকেসালে [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুররে]]<nowiki/>র আমন্ত্রনে বিশ্বভারতী উদ্বোধন অনুষ্ঠানের সভাপতি হন। তুলনামূলক সাহিত্য, ধর্মদর্শন বিচার ও দর্শন আলোচনায় গণিতের সূত্র প্রয়োগে তিনি ছিলেন পথিকৃৎ।<ref name=":1" />
 
==লেখনী==