"আলতাফ মাহমুদ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বানান, ব্যাকরণ, বাক্যশৈলী
(আইএসবিএন টেমপ্লেট যোগ)
(বানান, ব্যাকরণ, বাক্যশৈলী)
| name = আলতাফ মাহমুদ
| image = Replace this image male bn.svg <!-- Only freely-licensed images may be used to depict living people. See [[WP:NONFREE]]. -->
| birth_date = {{birth date |df=yes|1933|12|23}}
| imagesize =
| caption =
| pseudonym =
| birth_name =
| birth_date = {{birth date |df=yes|1933|12|23}}
| birth_place = পাতার চর, মুলাদী, [[বরিশাল জেলা]], [[ব্রিটিশ ভারত]] (বর্তমান [[বাংলাদেশ]])
| disappeared_date = {{disappearedDisappeared date and age|1971|08|30|1933|12|23|df=yes}}
| disappeared_place =
| disappeared_status = নিখোঁজ ও মৃত ধরে নেয়া হয়েছে
| occupation = মুক্তিযোদ্ধা, সুরকার, সংস্কৃতি কর্মীসংস্কৃতিকর্মী
| nationality = বাংলাদেশীবাংলাদেশি
| ethnicity = [[বাঙালি জাতি|বাঙালি]]
| citizenship = [[বাংলাদেশ]] [[চিত্র:Flag of Bangladesh.svg|20px]]
| period =
| genre =
| subject =
| movement =
| notableworks =
| spouse = সারা আরা মাহমুদ
| partner =
| children = শাওন মাহমুদ
| relatives =
| influences =
| influenced =
| awards = [[একুশে পদক]], [[স্বাধীনতা পদক]] পুরস্কার
| signature =
| website =
| portaldisp =
}}
 
'''আলতাফ মাহমুদ''' ([[জন্ম]]: [[২৪ ডিসেম্বর ২৪|২৪ডিসেম্বর]], [[১৯৩৩]] - অন্তর্ধান: [[১৯৭১]]) একজন [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশীবাংলাদেশি]] সুরকার, সাংস্কৃতিক কর্মীসংস্কৃতিকর্মী ও [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|স্বাধীনতা যুদ্ধেরযুদ্ধে]] শহীদশহিদ মুক্তিযোদ্ধা। তিনি একজন ভাষা সৈনিকভাষাসৈনিক ছিলেন এবং ২১শে ফেব্রুয়ারির [[শহীদ দিবস|শহীদশহিদ দিবসেদিবস]] গাওয়ানিয়ে রচিত [[আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো]] গানটির বর্তমান সুরটিও তাঁরই করা। এই গানের সুরকার হিসেবেই তিনি সমধিক পরিচিত।
 
== ব্যক্তিজীবন ==
== ব্যক্তি জীবন ==
১৯৩৩ সালের ২৩শে২৩ ডিসেম্বর [[বরিশাল জেলা|বরিশাল জেলার]] জেলার [[মুলাদী উপজেলা|মুলাদী উপজেলার]] পাতারচর গ্রামে আলতাফ মাহমুদ জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৮ সালে [[বরিশাল জিলা স্কুল]] থেকে তিনি মেট্রিকুলেশন পরীক্ষা পাশ করে [[বিএম কলেজ|বিএম কলেজে]] ভর্তি হন। পরে তিনি চিত্রকলা শিখতে [[ক্যালকাটা আর্টস স্কুল|ক্যালকাটা আর্টস স্কুলে]] গমণগমন করেন। বিদ্যালয়ে থাকা অবস্থায়ইঅবস্থাতেই মাহমুদ গান গাইতে শুরু করেন। তিনি প্রথমে প্রসিদ্ধ [[ভায়োলিন]]ভায়োলিনবাদক বাদক [[সুরেন রায়|সুরেন রায়ের]] কাছে প্রথম সঙ্গীতে তালিম নেন। এছাড়া তিনি [[গণসঙ্গীত]] গাইতে শেখেনশিখেছিলেন যা সেই সময় তাঁকে অসম্ভব জনপ্রিয়তা ও বিপুল খ্যাতি এনে দেয়।
 
তিনিতাঁর বিয়ে হয় সারা আরা মাহমুদকেমাহমুদের বিয়ে করেন।সাথে। তাঁদের সংসারেমেয়ের নাম শাওন মাহমুদ নামীয় কন্যা সন্তান রয়েছে।মাহমুদ।<ref name=pa>দৈনিক প্রথম আলো, মুদ্রিত সংস্করণ, সারা দেশ, পৃষ্ঠা ১৬, ৩১ আগস্ট, ২০১২, সংস্কৃতি সংবাদ - শহীদ আলতাফ মাহমুদ স্মরণ ও পদক প্রদান</ref>
 
[[১৯৭১]] সালের ৩০ আগস্ট [[আগস্টবাংলাদেশের ৩০স্বাধীনতা যুদ্ধ|৩০বাংলাদেশের আগস্টস্বাধীনতা যুদ্ধের]] পাকিস্তানীসময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আলতাফ মাহমুদকে [[ঢাকা|ঢাকার]] আউটার সার্কুলার রোডের বাসা থেকে চোখ বাঁধা অবস্থায় কোথাও নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁর আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।<ref name=pa/><ref>[http://shahidaltafmahmud.com/biography-2 শহীদ আলতাফ মাহমুদ ডট কম]</ref>
 
== কর্মজীবন ==
১৯৫০ সালে আলতাফ মাহমুদ ঢাকায় আসেন এবং ''ধুমকেতু শিল্পী সংঘে'' যোগ দেন। পরবর্তীকালে তিনি এই সংস্থাটির 'সঙ্গীত পরিচালক' পদে আসীন হন। ১৯৫৪ সালে "ভিয়েনা শান্তি সম্মেলনে" মাহমুদ আমন্ত্রিত হন, কিন্তু [[করাচি|করাচিতে]] পাকিস্তানীপাকিস্তানি সরকার তাঁর [[পাসপোর্ট]] আটকে দেয়ায় তিনি এখানে যোগ দিতে পারেননি। তিনি ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত করাচিতে ছিলেন এবং ওস্তাদ আব্দুল কাদের খাঁ'র কাছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত বিষয়ক তালিম নিয়েছিলেন। এছাড়া তিনি নৃত্যনৃত্যপরিচালক পরিচালক [[ঘনশ্যাম]] এবং সঙ্গীত পরিচালকসঙ্গীতপরিচালক [[দেবু ভট্টাচার্য্যভট্টাচার্য|দেবু ভট্টাচার্য্যেরভট্টাচার্যের]] সহকারী হিসেবেও কাজ করেছেন। করাচি থেকে [[ঢাকা]] ফেরার পর মাহমুদ ১৯টি বিভিন্ন [[চলচ্চিত্র|চলচ্চিত্রে]] কাজ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে বিখ্যাত চলচ্চিত্র [[জীবন থেকে নেয়া]], ক্যায়সে কাহু, কার বউ, তানহা, বেহুলা, আগুন নিয়ে খেলা, দুই ভাই, সংসার, আঁকাবাঁকা, আদর্শ ছাপাখানা, নয়নতারা, শপথ নিলাম, প্রতিশোধ, কখগঘঙ, কুচবরণ কন্যা, সুযোরাণী দুয়োরাণী, আপন দুলাল, সপ্তডিঙ্গা প্রভৃতি। এছাড়া তিনি [[রাজনীতি]] এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থার সাথেও জড়িত ছিলেন। সঙ্গীতে [[প্রতিভা|প্রতিভার]] থাকলেওপাশাপাশি মাহমুদ ছবিও আঁকতে পারতেন।
 
=== বেতারে পেশাজীবন ===
 
== আন্দোলনে অংশগ্রহণ ==
১৯৫০ সালের দিকে তিনি [[বাংলা ভাষা আন্দোলন|ভাষা আন্দোলনের]] পক্ষে সমর্থন আদায়ের জন্য বিভিন্ন জায়গায় [[গণসঙ্গীত]] গাইতেন। [[গান]] গাওয়ার মাধ্যমে মাহমুদ এই [[আন্দোলন|আন্দোলনকে]] সর্বদাই সমর্থন যুগিয়েছেন। ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে [[আবদুল গাফফার চৌধুরী]] রচিত [[''আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো]]'' শিরোনামের আলোড়ন সৃষ্টিকারী গানটিতে সুর সংযোজন করে খ্যাতির শীর্ষে আরোহণ করেন।<ref name="ReferenceA">[[সেলিনা হোসেন]] ও নুরুল ইসলাম সম্পাদিত; ''[[বাংলা একাডেমী চরিতাভিধান]]''; দ্বিতীয় সংস্করণ: ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৭; পৃষ্ঠা: ৬৯, {{আইএসবিএন|984-07-4354-6}}</ref> তিনিগানটির ''আমারপ্রথম ভাইয়েরসুরকার রক্তে[[আব্দুল রাঙানো''লতিফ]] গানটিতেহলেও পুণরায়পরবর্তীতে সুরারোপআলতাফ করেন,মাহমুদের যেটিসুরটিই প্রথমতগৃহীত সুর করেছিলেন [[আব্দুল লতিফ]]।হয়। এই সুরটি ১৯৬৯ সালে [[জহির রায়হান|জহির রায়হানের]] তাঁর চলচ্চিত্র ''জীবন থেকে নেয়া'য়'-তে ব্যবহার করেন।
 
[[১৯৭১]] সালে আলতাফ মাহমুদ স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে তাঁর বাসায় গোপন ক্যাম্প স্থাপন করেন। কিন্তু ক্যাম্পের কথা ফাঁস হয়ে গেলে [[১৯৭১]] সালের [[৩০ আগস্ট]] পাকিস্তানপাকিস্তানি বাহিনী তাঁকে আটক করে। তাঁর ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। তাঁর বাসা থেকে আরো অনেক [[গেরিলা]] যোদ্ধা আটক হয়।<ref>জাহানারা ইমাম, “একাত্তরের দিনগুলি’’, সন্ধানী প্রকাশনী, pp. 187-189 {{আইএসবিএন|984-480-000-5}}</ref> এদের অনেকের সাথে তিনিও চিরতরে হারিয়ে গেছেন।<ref>আহমেদ, মনোয়ার, ভাষা আন্দোলনের প্রামাণ্য দলিল, আগামী প্রকাশনী, pp.111</ref> পরবর্তীকালে [[স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র]] থেকে তাঁর দেশাত্মবোধক গান প্রচারিত হতে থাকে যা অগণিত মুক্তিযোদ্ধাকে অণুপ্রারিত করেছিল।
 
== সম্মাননা ==
* ১৯৭৭ সালে আলতাফ মাহমুদকে [[একুশে পদক]] প্রদান করা হয়। বাংলা সংস্কৃতি ও [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে]] অবদান রাখার কারণে তাঁকে এ [[পুরস্কার]] প্রদান করা হয়।
* সংস্কৃতিক্ষেত্রে অসামান্য আবদান রাখায় শহীদশহিদ আলতাফ মাহমুদকে ২০০৪ সালে [[স্বাধীনতা পুরস্কার]] (মরণোত্তর) প্রদান করা হয়।
* তাঁকে স্মরণ রাখতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ''শহীদশহিদ আলতাফ মাহমুদ ফাউন্ডেশন''।<ref name=pa/>
 
== তথ্যসূত্র ==
১৮৯টি

সম্পাদনা