মায়াবিনী (চলচ্চিত্র): সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বিষয়বস্তু বিয়োগ হয়েছে বিষয়বস্তু যোগ হয়েছে
পরিমার্জন
ট্যাগ: দৃশ্যমান সম্পাদনা মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
কাহিনী
ট্যাগ: দৃশ্যমান সম্পাদনা মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
২ নং লাইন:
 
== কাহিনী ==
গভীর জঙ্গলের মধ্যে কাঠ কাটতে গিয়ে প্রায়ই কাঠুরেরা আক্রান্ত হতে থাকে একটি ভয়ানক রোমশ জন্তুর দ্বারা। পর পর তিনজনের মৃত্যুর পরে শ্রমিকেরা জঙ্গলে যেতে ভয় পায়। স্থানীয় রাজাবাহাদুর নায়েব কে সঙ্গে নিয়ে পুলিশের সাহায্য চান। দারোগা সেখানে পুলিশ পাহারা বসান কিন্তু কিছু পরেই অজ্ঞাত আততায়ীর হাতে খুন হন রাজাবাহাদুর। রাজ পরিবারের কুমার বাহাদুরের বিবাহ মাধবীর সাথে ঠিক হয়েছিল আগে থেকেই। মাধবী যদিও অন্যের বাকদত্তা। মাধবী ও তার পিতাকেকাকাকে আততায়ীরা ধরে নিয়ে বন্দী করে রাখে এবং হুবহু মাধবীর মতো দেখতে কলকাতার বার ড্যান্সার স্বাতীকে মাধবী সাজিয়ে রাজপরিবারে পাঠানো হয়। তাদের উদ্দেশ্য পরিবারের বিপুল ঐশ্বর্য গহনা ইত্যাদি হাতিয়ে নেওয়া। স্বাতী প্রথমে এই মিথ্যাচারে রাজী না হলেও অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার কথা চিন্তা করে এই কাজ করতে বাধ্য হয়। স্বাতীর সাথে কাকা সেজে যান বিপ্লববাবুবিপ্লব পাঁজা যিনি একজন জুয়াড়ী। তারা রাজপরিবারের অতিথি হয়ে থাকতে থাকতে জেনে যান কোন গুপ্ত কুঠুরীতে বহুমূল্য গহনা আছে। বাড়ির ড্রাইভার পাঁচু সবার ওপর গোপনে নজর রাখে। কুমারের পিসী বিমলার তত্বাবধানে বিবাহের আয়োজন সম্পন্ন হয়। এরপরে একদিন সেই সমস্ত সম্পদ চুরি হয়ে যায়। তদন্ত করতে আসেন নতুন পুলিশ অফিসার রঞ্জিত চ্যাটার্জী যিনি ছিলেন মাধবীর প্রেমিক। এদিকে আসল চোরকে দেখে ফেলায় ববাড়ির চাকর খুন হয়ে যায়। স্বাতী, মাধবী সেজে কুমারকে আর ঠকাতে রাজি হয়না। কিন্তু বিপ্লব তাকে বোঝান যে তাদের যারা নিয়োগ করেছে সেই কাজ সম্পন্ন না হলে বিপদ ঘটবে। আসল মাধবী ও তার কাকা মৈনাক আততায়ী দের আস্তানা থেকে পালিয়ে আসেন ও পুলিশকে সব খুলে বলেন। রঞ্জিত বুঝতে পারে স্বাতী মাধবী সেজে আছে। অজ্ঞাত মুখোশ পপরা আততায়ী কে জংগলে সে তাড়া করে ধরলে আড়াল থেকে আসল খুনী মুখোশধারীকে খুন করে পালায়। কিন্তু ধরা পড়ে ড্রাইভার পাঁচুর হাতে। পাঁচু আসলে গোয়েন্দা দপ্তরের অফিসার নারায়ন ঘোষ। খুন ও চুরির তদন্ত করতে যাকে প্রতাপগড় রাজপরিবারে পাঠানো হয়েছিল।
 
== অভিনয় ==