"জ্যাক লিওন্স" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

টেমপ্লেটের নাম সংশোধন
(→‎বহিঃসংযোগ: + সম্প্রসারণ)
(টেমপ্লেটের নাম সংশোধন)
১৮৮৮, ১৮৯০ ও ১৮৯৩ সালে সর্বমোট তিনবার ইংল্যান্ড সফরে যান। এ সফরগুলোয় তিনি ব্যাট হাতে হার্ড হিটার ভূমিকা পালন করেন। [[জর্জ বোনর|জর্জ বোনরের]] ন্যায় তেমন জনপ্রিয়তা পাননি। [[পার্সি ম্যাকডোনেল|পার্সি ম্যাকডোনেলের]] ন্যায় সকল ধরনের উইকেটেও সমান দক্ষতা প্রদর্শন করেননি। তবে স্পিন বল যদি বাঁক নিতো তাহলে তিনি সহজেই বোলারের শিকারে পরিণত হতেন। কিন্তু, হার্ড ও প্রকৃত উইকেটে ব্যাট হাতে রুদ্রমূর্তি ধারণ করতেন। বিশেষ করে সেরা বোলারগণ তাঁর হাতে বেশ নাকানি-চুবানি খেতেন। প্রথম সফরেই তিনি সফলতা পান। ১৮৯১-৯২ মৌসুমের শীতকালে ডব্লিউ. জি. গ্রেসের নেতৃত্বাধীন লর্ড শেফিল্ডের দলের বিপক্ষে সিডনি টেস্টে ১৩৪ রানের চমকপ্রদ ইনিংস খেলেন। ১৮৯৩ সালে ইংরেজরা তাঁর সেরা খেলা অবলোকন করে। সবগুলো খেলায় অংশ নিয়ে ১,৬০৫ রান তুলে ২৮ ঊর্ধ্ব গড়ে। তন্মধ্যে তাঁর সর্বোচ্চ স্কোর করেন ১৪৯। এর পরের বারও তিনি ২৩ ইনিংসে ৩৩ গড়ে ৭৬১ তোলেন। মে, ১৮৯৩ সালে লর্ডসে লিওন তাঁর সেরা ইনিংসটি উপহার দেন। অস্ট্রেলীয়রা দ্বিতীয়বারের মতো শক্তিশালী এমসিসি দলের বিপক্ষে ১৮১ রান পিছনে থেকে ব্যাটিংয়ে নামেন। এক উইকেট পতনের পর লিওন ও [[আলিক ব্যানারম্যান]] উইকেটে নামেন। এবার তিনি করেন ১৪৯ রান। ১২৪ রানের জুটিতে তাঁর সংগৃহীত ১০০ রান তুলেন এক ঘন্টায়। সম্পূর্ণ ইনিংসে তিনি বাইশ চার, তিনটি তিন, বিশটি দুই এবং বারোটি একক রান ছিল। ঐদিন দর্শকেরা লর্ডসে অন্যতম সেরা ব্যাটিং প্রদর্শনী অবলোকন করেন।
 
লিওন্সের ব্যাটিং কৌশল তাঁর খেলোয়াড়ী জীবনে প্রভাববিস্তার করলেও একসময় কার্যকরী বোলার হিসেবেও নিজের পরিচিতি ঘটান। ১৮৮৭-৮৮ মৌসুমে অ্যাডিলেডে সফরকারী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার সদস্যরূপে ৭/৯৪ পান। ১৮৯০ সালে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে ৫/৩০ লাভের পাশাপাশি ৫৫ ও ৩৩ রান তুলে সবিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দেন।
 
== অবসর ==
 
{{অস্ট্রেলীয় প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট মৌসুমে শীর্ষস্থানীয় রানসংগ্রহকারী (১৮৫০-৫১ থেকে ১৮৯৯-০০)}}
 
{{পূর্বনির্ধারিতবাছাই:লিওন্স, জ্যাক}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৬৩-এ জন্ম]]
৩,৭৪,৪২৭টি

সম্পাদনা