প্রমথেশ চন্দ্র বরুয়া: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বানান সংশোধন
(টেমপ্লেটে সংশোধন)
(বানান সংশোধন)
 
==জীবনী এবং চলচ্চিত্রে অবদান==
১৯২০ সালে কলকাতা [[হেয়ার স্কুল]] থেকে প্রবেশিকা পাশ। ১৯২৪-এ প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। ১৯২৮-এ মনোনীত সদস্য হিসেবে আসাম আইনসভায় যোগদান। ১৯৩০-এ উক্ত আইনসভার সদস্য নির্বাচিত।তিনি মোট ১৪টি বাংলা ও সাতটি হিন্দি ছবি পরিচালনা করেন।<ref name="ReferenceA">[[সেলিনা হোসেন]] ও নুরুল ইসলাম সম্পাদিত; ''[[বাংলা একাডেমী চরিতাভিধান]]''; দ্বিতীয় সংস্করণ: ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৭; পৃষ্ঠা: ২৩১, ISBN 984-07-4354-6</ref> প্রমথেশ চন্দ্র বরুয়া কলকাতার [[ধীরেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলী]]র 'দ্য ব্রিটিশ ডমিনিয়ান ফিল্ম লিমিটেড'এ মনোনিবেশ করেছিলেন ও তিনি এই প্রতিষ্ঠানে অভিনয় করেছিলেন।তিনি দ্বিতীয়বার ইউরোপ ভ্রমনের জন্য গিয়েছিলেন ও লন্ডন থেকে চলচিত্র নির্মানেরনির্মাণের জন্য প্রশিক্ষন নিয়েছিলেন ও প্যারিসে লাইট বয় হিসেবে কাজ করে চলচ্চিত্র নির্মানেরনির্মাণের কার্য আয়ত্ত করেছিলেন। প্যারিস থেকে চলচ্চিত্র নির্মানেরনির্মাণের সামগ্রী ক্রয় করে তিনি ভারতে বড়ুয়া পিক্চার্স নামক ষ্টুডিও স্থাপন করেছিলেন। ১৯৩১ সনে এই ষ্টুডিওর প্রথম চলচ্চিত্র 'অপরাধী' মুক্তি পেয়েছিল। কালীপ্রসাদ ঘোষ পরিচালিত [[ভাগ্যলক্ষ্মী]] চলচ্চিত্ৰে তিনি খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। [[ধীরেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলী]], প্রমথেশ বড়ুয়া ও [[দেবকী বসু]] একত্রিত হয়ে [[নিউ থিয়েটর্স]] নামক চলচ্চিত্র প্রয়োজনা প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেছিলেন। এই থিয়েটারের অন্তঃভুক্ত থাকার সময় তিনি দেবদাস চলচিত্র নির্মাণ করেছিলেন। [[শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]] রচিত উপন্যাসে আধারিত এই চলচ্চিত্র প্রথমে বাংলা ভাষায় নির্মাণ করা হয়েছিল এবং ১৯৩৫ সনে তিনি হিন্দী ভাষায় দেবদাস চলচ্চিত্র নির্মাননির্মাণ করেছিলেন। তিনি হিন্দী চলচ্চিত্র মন্জিল, মুক্তি, অধিকার ও রজত জয়ন্তীতে পরিচলনা করেছিলেন।
 
==মৃত্যু==
৩,৮৭,৬৮৩টি

সম্পাদনা