সালাউদ্দিন লাভলু: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

টেমপ্লেটে সংশোধন
সম্পাদনা সারাংশ নেই
(টেমপ্লেটে সংশোধন)
| caption = রা.বি. চরুকলায় সালাউদ্দিন লাভলু (ফেব্রুয়ারী, ২০১৭)
| birth_name =
| birth_date = {{Birthজন্ম dateতারিখ and ageবয়স |১৯৬২|১|২৪}}
| birth_place = [[পাবনা জেলা|পাবনা]], [[রাজশাহী বিভাগ|রাজশাহী ]], [[বাংলাদেশ]]
| occupation = অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার এবং টেলিভিশন পরিচালক
}}
 
'''সালাউদ্দিন লাভলু''' ([[ইংরেজী]]:'''Salauddin Lavlu''') জন্মগ্রহণ করেন ১৯৬২ সালের ২৭ আগষ্ট<ref name="nn24Jan2012">{{citeসংবাদ newsউদ্ধৃতি |title=Salauddin Lavlu's birthday today |url=http://thedailynewnation.com/news/1038/salauddin-lavlus-birthday-today.html |newspaper=The New Nation |location=Dhaka |date=24 January 2012}}</ref>
এবং তিনি একজন [[বাংলাদেশী]] অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার এবং টিভি পরিচালক। তার কাজ সাধারণত টেলিভিশন চলচ্চিত্র এবং টেলিফিল্মের সমন্বয়। তাঁর প্রযোজনার সাধারণত হাস্যরসাত্মক এবং এসন সাধারণত বাংলাদেশী শ্রোতাদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।{{Citation needed|date=December 2009}} তার উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে ''ব্যস্ত ডাক্তার'' (২০০৪),''গরুচোর'' (২০০৭),''ঢোলের বাদ্য'' (২০০৮) এবং ''ওয়ারেন'' (২০০৯) এবং উল্লেখযোগ্য টেলিফিল্মগুলোর মধ্যে, ''রঙের মানুষ'' (২০০৪),''ভবের হাট'' (২০০৭),''ঘর কুটুম'' (২০০৮),''আলতা সুন্দরী'' (২০০৯) এবং ''সাকিন সারিসুরি'' (২০০৯) অন্যতম।
 
 
===অভিনয়, লেখা এবং পরিচালনা===
১৯৯৭ সাল থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে, লাভলু আট থেকে নয়টি টেলিভিশন চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন। এর মধ্যে ''দ্বিচক্রযান'' (১৯৯৭),''গহরগাছি'' (১৯৯৭),''একজন আয়নাল লস্কর'' (১৯৯৯),''আধুলী'' (২০০২) এবং ''ঘর'' (২০০২) উল্লেখযোগ্য<ref>{{citeসংবাদ newsউদ্ধৃতি |last=Manir |first=Sabira |date=28 October 2004 |title=''Ranger Manush'' comes to the big screen |url=http://archive.thedailystar.net/2004/10/28/d410281401111.htm |newspaper=The Daily Star}}</ref> । তার এই কাজগুলো সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন এবং কিছু চলচ্চিত্র বিভিন্ন পুরস্কার জয়লাভ করে। তার এই সকল চলচ্চিত্রে [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] গ্রামের চিত্র অপূর্বভাবে ফুটে উঠে – যা লাভলু অনেক কাঙ্খিত বিষয়। লাভলু বিশ্বাস করে যে, বাংলাদেশের গ্রাম ভিত্তিক এইসব চলচ্চিত্র অনেক উপভোগ্য কারণ এইখানে হাস্যরসের ভান্ডার বিদ্যমান। তিনি আরো বিশ্বাস করেন যে, গ্রামে অনেক সহজে বিভিন্ন ধরনের বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন চারিত্র বিদ্যমান কারণ, এইসব গ্রামে বিভিন্ন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন বহু সাধারণ মানুষ বসবাস করে। লাভলু বিশ্বাস করে, এইসব মানুষগুলো সেইসব চরিত্র সৃষ্টি করতে পারে যা স্ক্রিপ্ট লেখার জন্য প্রয়োজন।
 
সাম্প্রতিক এক সাক্ষাতকারে,{{Citation needed|date=December 2009}} লাভলু নিজে গ্রামের সাথে জড়িত থাকায় তিনি গ্রাম নিয়ে কাজ করতে উৎসাহ পান। {{cquote| গ্রামে বসবাসকারী সবাই পরস্পরের সাথে শক্তিশালী বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। তারা অনেক স্বচ্ছ এবং সাধারণ মানুষ যাদের ছোট্ট স্বপ্ন এবং ছোট্ট চাওয়া পাওয়া থাকে। তারা তাদের আশেপাশে বসবাসরত মানুষের সহযোগীতা করতে অনেক সচেতন থাকে। যদিও শহরের বসবাসরত মানুষ ঠিক তার উলটো। তারা অনেক একা। তারা তাদের বন্ধু বান্ধব এবং পরিবার পরিজনের বাইরে আরে কেউর তেমন খবরত রাখে না। আরো, যখন শহরের বসবাসরত অধিকাংশ মানুষের ভিত হচ্ছে গ্রামে, এবং যখন তারা আমার নাটক দেখে তখন তারা তাদের জীবনযাত্রা এবং নাটকের চরিত্রে সাথে মিল করতে পারে।|সালাউদ্দীন লাভলু
 
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
{{reflist}}
 
==বহিঃসংযোগ==
{{Artists of Bangladesh}}
 
{{DEFAULTSORTপূর্বনির্ধারিতবাছাই:Lavlu, Salauddin}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬২-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
৩,৮৭,৬৮৩টি

সম্পাদনা