"জৈন ধর্ম" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

টেমপ্লেটে সংশোধন
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(টেমপ্লেটে সংশোধন)
{{infobox Jainism}}
'''জৈনধর্ম''' ({{IPAc-en|ˈ|dʒ|eɪ|n|ɪ|z|əm}}<ref>{{citeওয়েব webউদ্ধৃতি|title="Jainism" (ODE) |url=http://www.oxforddictionaries.com/definition/english/Jainism|website=Oxford Dictionaries}}</ref> বা {{IPAc-en|ˈ|dʒ|aɪ|n|ɪ|z|əm}}<ref>{{citeওয়েব webউদ্ধৃতি|title="Jainism" (Dictionary.com)|url=http://dictionary.reference.com/browse/Jainism|website=Dictionary.com}}</ref>) (প্রথাগত নাম '''জিন সাশন''' বা '''জৈন [[ধর্ম (জৈনধর্ম)|ধর্ম]]''') {{sfn|Sangave|2006|p=15}} হল একটি [[ভারতীয় ধর্ম]]। এই ধর্ম সকল জীবিত প্রাণীর প্রতি অহিংসার শিক্ষা দেয়। জৈন ধর্মাবলম্বীরা মনে করেন অহিংসা ও আত্ম-সংযম হল মোক্ষ এবং জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তিলাভের পন্থা।
 
"জৈন" শব্দটি এসেছে [[সংস্কৃত]] "জিন" (অর্থাৎ, জয়ী) শব্দটি থেকে। যে মানুষ আসক্তি, আকাঙ্ক্ষা, ক্রোধ, অহংকার, লোভ ইত্যাদি আন্তরিক আবেগগুলিকে জয় করেছেন এবং সেই জয়ের মাধ্যমে পবিত্র অনন্ত জ্ঞান ([[কেবল জ্ঞান]]) লাভ করেছেন, তাঁকেই "জিন" বলা হয়। "জিন"দের আচরিত ও প্রচারিত পথের অনুগামীদের বলে "জৈন"।{{sfn|Sangave|2006|p=15}}{{sfn|Jain|1998|p=11}}{{sfn|Sangave|2001|p=164}}
===উৎস===
{{see also|জৈনধর্মের কালরেখা}}
জৈনধর্মের উৎস অজ্ঞাত।<ref name="flugelP" />{{sfn|Glasenapp|1999|p=13}} জৈনধর্ম হল একটি অনন্তকালীন দর্শন।{{sfn|Zimmer|1952|pp=x, 180-181}} [[জৈন বিশ্বতত্ত্ব#কালচক্র|জৈন কালচক্র]] অনুসারে, কালচক্রের প্রত্যেক অর্ধে চব্বিশ জন বিশিষ্ট মানুষ [[তীর্থঙ্কর|তীর্থঙ্করের]] পর্যায়ে উন্নীত হন এবং মানুষকে মোক্ষের পথ প্রদর্শন করেন। তাই এঁদের বলা হয় মানুষের আধ্যাত্মিক সহায়ক।{{sfn|Rankin|2013|p=40}} মহাবীরের পূর্বসূরী তথা ২৩তম তীর্থঙ্কর [[পার্শ্বনাথ]] ছিলেন একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব।{{sfn|Zimmer|1952|pp=182-183}}{{sfn|Glasenapp|1999|pp=16-17}} তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৯ম-৭ম শতাব্দীর মধ্যবর্তী কোনো এক সময়ে জীবিত ছিলেন।{{sfn|Zimmer|1952|pp=183}}{{sfn|Glasenapp|1999|pp=23-24}}<ref>{{citeওয়েব webউদ্ধৃতি|author=Paul Dundas|title=Jainism|publisher=Encyclopaedia Britannica|year=2013|url= http://www.britannica.com/EBchecked/topic/299478/Jainism}}</ref>{{sfn|Jaini|1998|p=10}} আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থগুলিতে পার্শ্বনাথের অনুগামীদের উল্লেখ আছে। ''উত্তরাধ্যয়ন'' সূত্রের একটি কিংবদন্তিতে পার্শ্বনাথের শিষ্যদের সঙ্গে মহাবীরের শিষ্যদের সাক্ষাতের কথা আছে। এই সাক্ষাতের ফলে পুরনো ও নতুন জৈন শিক্ষাদর্শের মিলন ঘটেছিল।<ref name="Jacobi Herman page 465"/>
 
খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে বর্ধমান মহাবীর জৈনধর্মের সবচেয়ে প্রভাবশালী শিক্ষকে পরিণত হন। জৈনরা তাঁকে ২৪তম এবং এই কালচক্রের সর্বশেষ তীর্থঙ্কর রূপে শ্রদ্ধা করেন। জৈন বিশ্বাস অনুযায়ী, তিনি এমন এক ব্যক্তিত্ব যিনি শুরু থেকেই বহু প্রাচীনকালে প্রতিষ্ঠিত একটি ধর্মের অনুগামী।<ref name="Jacobi Herman page 465">Jacobi Herman, Jainism IN Encyclopedia of Religion and Ethics Volume 7, James Hastings (ed.) page 465</ref>
 
== পাদটীকা ==
{{সূত্র তালিকা|2}}
{{reflist|2}}
 
==টীকা==
{{reflistসূত্র তালিকা|colwidth=30em|refs=
<ref name="pib">{{Citation|url=http://pib.nic.in/release/rel_print_page1.asp?relid=3724|title=Census 2001 Data on religion released|publisher=Government of India|accessdate=1 September 2010}}</ref>
<ref name="ghadai">{{Citation|url=http://www.orissa.gov.in/e-magazine/Orissareview/2009/July/engpdf/62-64.pdf|title=Maritime Heritage of Orissa|first=Balabhadra|last=Ghadai|work=Orissa Review|date=July 2009|accessdate=12 November 2012}}</ref>
<ref name="Owen2012">{{Citation|last=Owen|first=Lisa|title=Carving Devotion in the Jain Caves at Ellora|url=http://books.google.com/books?id=vHK2WE8xAzYC|year=2012|publisher=BRILL|isbn=978-90-04-20629-8|pages=1–2}}</ref>
<ref name="ht">{{citeসংবাদ newsউদ্ধৃতি|last=Variyar|first=Mugdha|title=Scholars translate Jain verses in new books|url=http://www.hindustantimes.com/India-news/Mumbai/Scholars-translate-Jain-verses-in-new-books/Article1-1062823.aspx|newspaper=Hindustan Times|date=May 2013}}</ref>
}}
 
|publisher=Bharatiya Jnanpith
|page=18}}
*{{বই উদ্ধৃতি
*{{cite book
|title=Risabha Deva - The Founder of Jainism
|last=Jain
৩,৪৪,৯৯১টি

সম্পাদনা