"চৈতা নদী" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বানান
(বানান)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা দৃশ্যমান সম্পাদনা
[[File:Choita river.jpg|thumb|right| 300px| বর্ষার মরশুমে চৈতা নদী, খড়ুয়া রাজাপুর ব্রিজ থেকে ]]
 
'''চৈতা নদী''' <ref>{{cite news | title = বিষমুক্ত জল দেবে কে,প্রশ্ন মানুষের | url=http://www.anandabazar.com/ | accessdate = ০৪-০৮-২০১৬ | newspaper = আনন্দবাজার প্রত্রিকা}}</ref> ইছামতি নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে গাইঘাটায় যমুনা নদীতে মিলিত হয়ছে। নদীর দৈর্ঘ্য ৪০ কিমি।নদীটিকিমি। নদীটি বর্তমানে উৎস মুখে [[ইছামতি নদী]] থেকে বিছিন্ন হয়ে পড়েছে এছাড়া নদীটিতে পলি জমে নদীর স্বাভাবিক গতি হারিয়েছে। নদীটিরচৈতা নদীর কিছু স্থানে নদী গর্ভে চাষাবাদ চলছে এবং নদীর পাড় ভেঙ্গে ও নদীর, গতিপথ রুদ্ধ করে মাছের ভেরিভেড়ি নির্মান ও মাছ চাষ হচ্ছে। এই নদীটির সঙ্গে গাইঘাটা এলাকার আর একটি গুরুত্বপূর্ন [[চালুন্দিয়া নদী]] যুক্ত রয়েছে।
 
==নদীর প্রবাহ==
চৈতা নদীটি [[গঙ্গা]] নদী ব্যবস্থার অন্তর্গত। নদীটি মোট ৪০ কিলোমিটার অতিক্রম করে গাইঘাটায় [[যমুনা নদী]]র সঙ্গে মিলিত হয়েছে।নদীটিহয়েছে। নদীটি প্রবাহ পথে গোপাননগরগোপালনগর, টালিখোলা, ক্ষেদাইতলা, চৈতাপাড়া,[[খড়ুয়া রাজাপুর]], রামপুর,প্রভূতি প্রভৃতি গ্রাম অতিক্রম করেছে।এইকরেছে। এই সমস্ত গ্রামের নদীর তীরবর্তী জমির কৃষি কাজ নদীর সঙ্গে যুক্ত।নদীটিরযুক্ত। নদীটির প্রবাহেরপ্রবাহে গাইঘাটা থেকে [[খড়ুয়া রাজাপুর]] গ্রামের উত্তর অংশ পর্যন্ত জোয়ার ভাটার প্রভাব দেখা যায়।
==বন্যা==
নদীটি প্রতি বছর আববাহিকাঅববাহিকা এলাকায় বর্ষার সময় বন্যার সৃষ্টিকরে।সৃষ্টি করে। নদীটিতে প্রচুর পলি জমার কারনে এটি বন্যার সৃষ্টি করে।২০০০হয়। ২০০০ সালের আগোস্টআগস্ট-সেপ্টেম্বসেপ্টেম্বর মাসে এই নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে এক ভয়ঙ্কর বন্যা সৃষ্টিহয়। হয়।এইএই বন্যা এই অঞ্চলেরএতদাঞ্চলের মানুষের কাছে [[২০০০ সালের বন্যা]] নামে পরিচিত।২০১০পরিচিত। ২০১০ ও ২০১৫ সালেও নদীটির দুই কূল প্লাবিত হয়।প্রতিহয়েছিল। প্রতি বছর নদীর জলের প্লাবনে জমির ফসল নষ্ট হয়।বর্তমানেহয়। বর্তমানে নদীটি সংস্কারের দাবি উঠেছে।
==তথ্যসূত্র==
{{সূত্র তালিকা}}