"শেখ মুজিবুর রহমান" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
১৯৪৯ সালে [[পূর্ব-পাকিস্তান মুসলিম লীগ|পূর্ব-পাকিস্তান মুসলিম লীগের]] নির্বাচনে একজন যুগ্ম-সচিব নির্বাচিত হবার পর শেখ মুজিবুর রহমান রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহন শুরু করেন। ১৯৫৩ সালে একজন রাজনৈতিক বন্দী হিসেবে ফরিদপুর জেলে কারাবরণ করেন। ১৯৫৪ সালে তিনি [[ইউনাইটেড ফ্রন্ট|ইউনাইটেড ফ্রন্টের]] হয়ে পূর্ব বাংলা আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৫৬ তে তিনি [[আতাউর রহমান খান|আতাউর রহমান খানের]] কেবিনেট থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর তিনি দলের গঠনে মনেনিবেশ করেন এবং দলকে তৃনমূল পর্যায়ে সক্রিয় করে তোলেন। এই সময়ে দলের ভেতর তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ১৯৬৬ সালে দলের প্রধান হবার আগ পর্যন্ত তিনি মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
 
১৯৬৬ সালে তিনি ছয়-দফা আন্দোলনের সুচনা করেন যার মূল বক্তব্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন। এতে পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী শংকিত হয়ে উঠে। যার ফলশ্রুতিতে ১৯৬৬ সালের মে মাসে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং ১৯৬৮ সালে দেশদ্রোহীতার অভিযোগে তাকে [[আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলমামলা|আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার]] একজন আসামী হিসেবে আবার গ্রেফতার করা হয়। জনগণের দাবীর মূখে ১৯৬৯ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে সরকার মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন।
 
১৯৭০ এর সাধারন নির্বাচনে জনগণ শেখ মুজিবুর রহমানের ছয়-দফা দাবীকে সমর্থন জানালে তাঁর দল আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দকৃত ১৬৪টি সীটের মধ্যে ১৬২টিতে জয়ী হয়। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগড়িষ্ঠতা পাবার পরও [[জুলফিকার আলী ভুট্টো|ভুট্টো]] ও [[ইয়াহিয়া খান|ইয়াহিয়ার]] সামরিক জান্তা মুজিবকে সরকার গঠন করতে না দিয়ে নির্বাচনের ফলাফলকে বাতিল ঘোষনা করলে মুজিব সর্বাত্নক [[অসহযোগ আন্দোলন|অসহযোগ আন্দোলনের]] ডাক দেন।
২৪৯টি

সম্পাদনা