সাকিব আল হাসান: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

Spelling and info check
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(Spelling and info check)
ট্যাগ: দৃশ্যমান সম্পাদনা মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
| playername = সাকিব আল হাসান
| image = Shakib-Al-Hasan-Face.jpg
| = 200px
| country = বাংলাদেশ
| fullname = সাকিব আল হাসান
| heightft = ৫
| heightinch = 09
| role = [[অল-রাউন্ডারঅলরাউন্ডার]]
| spouse = উম্মে আহমেদ শিশির (2012)
| Children = আলাইয়াআলাইনা হাসান অব্রি
| batting = বামহাতি
| bowling = স্লো বামহাতি অর্থোডক্স
| testdebutagainst = ভারত
| testcap = ৪৬
| lasttestdate = ২৭ অক্টোবরমার্চ
| lasttestyear = ২০১৬২০১৭
| lasttestagainst = ইংল্যান্ডশ্রীলঙ্কা
| odidebutdate = ৬ আগস্ট
| odidebutyear = ২০০৬
| T20Idebutagainst = জিম্বাবুয়ে
| T20Icap = ১১
| lastT20Idate = ০৮ জানুয়ারীজানুয়ারি
| lastT20Iyear = ২০১৭
| lastT20Iagainst = নিউজিল্যান্ড
| best bowling3 = ৪/১৫
| catches/stumpings3 = ৯/–
| column4 = [[প্রথম-শ্রেণীরশ্রেণির ক্রিকেট|এফসি]]
| matches4 = ৭৬
| runs4 = ৪,৬৯০
| best bowling4 = ৭/৩২
| catches/stumpings4 = ৪১/–
| date = ১৩ জানুয়ারীজানুয়ারি
| year = ২০১৭
| source = http://www.espncricinfo.com/ci/content/player/56143.html ক্রিকেট আর্কাইভ ডট কম
}}
 
'''সাকিব আল-হাসান''' ([[জন্ম]]: [[২৪ মার্চ]] [[১৯৮৭]]) একজন [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশীবাংলাদেশি]] [[ক্রিকেটার]]। [[২০০৬]] সালের আগস্ট মাসে [[জিম্বাবুয়ে জাতীয় ক্রিকেট দল|জিম্বাবুয়ের]] বিপক্ষে [[একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট|একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে]] অভিষেক। তিনি বামহাতি মিডল অর্ডার [[ব্যাটিং (ক্রিকেট)|ব্যাটসম্যান]] এবং বামহাতি অর্থোডক্স স্পিনার। সাকিব ছিলেন [[বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান]] (বিকেএসপি)-এর একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী। তারতাঁর খেলার মান আর ধারাবাহিকতা তাকেতাঁকে নিয়ে গেছে এক নতুন উচ্চতায়, হয়েছেন দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য একজন খেলোয়াড়-"দ্য ওয়ান ম্যান আর্মি"। এছাড়াও তারতাঁর রয়েছে বিশ্বের সেরা [[অল-রাউন্ডার|অলরাউন্ডার]] হওয়ার কৃতিত্ব। সাকিব ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০ প্রত্যেক ক্রিকেট সংস্করণে এক নম্বর অল-রাউন্ডার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন| সাকিব প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের ক্রিকেটে ৪,০০০ করার গৌরব অর্জন করেন। তিনি টি২০তে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ১০০০ রান পূর্ণ করেন ৷ এছাড়া দ্বিতীয় অলরাউন্ডার হিসেবে টি২০তে ১০০০ রান ও ৫০ উইকেট লাভ করেন ৷
 
== প্রথম জীবনে এবং যুব ক্রিকেটে ==
 
তরুণ বয়সেই সাকিব খেলা পাগলখেলাপাগল ছিলেন। তাঁর বাবা [[খুলনা বিভাগ|খুলনা বিভাগের]] হয়ে খেলতেন এবং এক কাজিন, [[বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল|বাংলাদেশ জাতীয় দলের]] হয়ে। এরকম ফুটবল পাগল পরিবারে বড় হওয়া সত্ত্বেও সাকিবের ক্রিকেট দক্ষতা ছিল অসাধারণ। গ্রাম-গ্রামান্তরে তাঁকে খেলার জন্য ভাড়া করে নিয়ে যাওয়া হত। এরকমই এক ম্যাচে সাকিব এক [[আম্পায়ার (ক্রিকেট)|আম্পায়ারকে]] অভিভূত করেছিলেন যিনি পরবর্তীতে সাকিবকে ইসলামপুর পাড়া ক্লাব ( [[মাগুরা জেলা|মাগুরা]] ক্রিকেট লীগের একটি দল) এর সাথে অনুশীলন করার সুযোগ করে দেন। সাকিব তাঁর স্বভাবসুলভ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ও দ্রুতগতির বোলিং অব্যাহত রাখেন, সেই সাথে প্রথমবারের মত স্পিন বোলিং নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন ও সফল হন। ফলস্বরূপ, ইসলামপুর দলে খেলার সুযোগ পান এবং প্রথম বলেই উইকেট তুলে নেন। সত্যিকারের ক্রিকেট বল দিয়ে এটাই ছিল তাঁর প্রথম করা বল। এর আগ পর্যন্ত তিনি টেপড টেনিস বল দিয়েই খেলতেন।
 
মাত্র পনের বছর বয়সেই সাকিব অনূর্দ্ধঅনূর্ধ্ব​-১৯ দলে খেলার সুযোগ পান। [[২০০৫]] সালে অনূর্দ্ধঅনূর্ধ্ব​-১৯ ত্রি-দেশীয় টুর্নামেন্টের ফাইনালে (অপর দুটি দেশ ছিল [[ইংল্যান্ড]] ও [[শ্রীলঙ্কা]]) মাত্র ৮৬ বলে [[সেঞ্চুরি (ক্রিকেট)|সেঞ্চুরি]] করে ও তিনটি [[উইকেট]] নিয়ে দলকে জেতাতে সহায়তা করেন তিনি। [[২০০৫]] থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে সাকিব অনূর্দ্ধঅনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে ১৮টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন। ৩৫.১৮ গড়ে তিনি মোট ৫৬৩ রান সংগ্রহ করেন এবং ২০.১৮ গড়ে নেন মোট ২২টি উইকেট।
 
== আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সূচনালগ্নে ==
২৪টি

সম্পাদনা