ষাট গম্বুজ মসজিদ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(sp using ankur spellchecker)
সম্পাদনা সারাংশ নেই
 
==বহির্ভাগ==
মসজিদটির পূর্ব দেয়ালে ১১টি বিরাট আকারের [[খিলান]]যুক্ত দরজা আছে । মাঝের দরজাটি অন্যগুলোর চেয়ে বড়। উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে আছে ৭টি করে দরজা। মসজিদের ৪ কোনে ৪টি [[মিনার]] আছে । এগুলোর [[নকশা]] গোলাকার এবং এরা উপরের দিকে সরু হয়ে গেছে। এদের কার্নিশের কাছে বলয়াকার ব্যান্ড ও চূড়ায় গোলাকার [[গম্বুজ]] আছে। মিনার গুলোগুলোর উচ্চতা ছাদের [[কার্নিশ|কার্নিশের]] চেয়ে বেশী। সামনের দুটি মিনারে পেঁচানো [[সিঁড়ি]] আছে এবং এখান থেকে [[আজান]] দেবার ব্যবস্থা ছিল। এদের একটির নাম রওশন কোঠা, অপরটির নাম আন্ধার কোঠা। মসজিদের ভেতরে ৬০টি স্তম্ভ বা পিলার আছে। এগুলো উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬ সারিতে অবস্থিত এবং প্রত্যেক সারিতে ১০টি করে স্তম্ভ আছে। প্রতিটি স্তম্ভই পাথর কেটে বানানো, শুধু ৫টি স্তম্ভ বাইরে থেকে ইট দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে। এই ৬০টি স্তম্ভ ও চারপাশের দেয়ালের ওপর তৈরি করা হয়েছে গম্বুজ। মসজিদটির নাম ষাট গম্বুজ মসজিদ হলেও এখানে গম্বুজ মোটেও ৬০টি নয়, গম্বুজ মোট ৭৭টি। পূর্ব দেয়ালের মাঝের দরজা ও পশ্চিম দেয়ালের মাঝের মিহরাবের মধ্যবর্তী সারিতে যে সাতটি গম্বুজ সেগুলো দেখতে অনেকটা বাংলাদেশের চৌচালা ঘরের চালের মত। বাকি ৭০টি গম্বুজ আধা গোলাকার।
 
==অন্তর্ভাগ==
১,০৫৭টি

সম্পাদনা