"ঐতিহাসিক বস্তুবাদ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সংশোধন
(সংশোধন)
'''ঐতিহাসিক বস্তুবাদ''' ({{lang-en|Historical materialism}})হচ্ছে সমাজজীবনের অনুশীলনে [[দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ|দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের]] মূলনীতিগুলোর প্রয়োগ। সামাজিক জীবনধারা এবং সমাজ ও সমাজের ইতিবৃত্তের বিচারে দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের মূলনীতিগুলোর প্রয়োগ ও ব্যবহারকে বলে ঐতিহাসিক বস্তুবাদ।<ref>[[ইওসিফ স্তালিন|জে. ভি. স্তালিন]], ''[[দ্বান্দ্বিক ও ঐতিহাসিক বস্তুবাদ|দ্বন্দ্বমূলক ও ঐতিহাসিক বস্তুবাদ]]'', ন্যাশনাল বুক এজেন্সি প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, ৩২তম মুদ্রণ, সেপ্টেম্বর ২০০৬, পৃষ্ঠা ৫।</ref>
 
[[কার্ল মার্কস]] "ঐতিহাসিক বস্তুবাদ" অভিধাটি নিজে প্রয়োগ করেননি। তিনি যে শব্দগুচ্ছ প্রয়োগ করেছেন তা হচ্ছে ''ইতিহাসের বস্তুবাদী ধারনা''।<ref name="দত্তগুপ্ত ও ঘোষ" /> ইতিহাসের ঐতিহাসিক বস্তুবাদী তত্ত্ব <ref>Evans, p. 53; Marx's account of the theory is the Preface to ''[[A Contribution to the Critique of Political Economy]]'' (1859). [http://www.marxists.org/archive/marx/works/1859/critique-pol-economy/index.htm].
Another exposition of the theory is in ''The German Ideology''. It, too, is available online from [http://www.marxists.org/archive/marx/works/1845/german-ideology marxists.org].
</ref> হচ্ছে সমাজব্যাখ্যার পদ্ধতি। মার্কসের কাছে সমাজের বৈপ্লবিক রূপান্তরণের জন্যই সমাজের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার প্রয়োজন অনুভূত হয়।<ref name="দত্তগুপ্ত ও ঘোষ" >শোভনলাল দত্তগুপ্ত ও উৎপল ঘোষ, ''মার্কসীয় সমাজতত্ত্ব'' পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষৎ, কলকাতা, তৃতীয় মুদ্রণ, জুন ২০১৪, পৃষ্ঠা ৩৯।</ref>
১৬,৮৯১টি

সম্পাদনা