প্রধান মেনু খুলুন

পরিবর্তনসমূহ

সম্পাদনা সারাংশ নেই
| website = <!-- {{URL|Example.com}} -->
}}
'''নির্মলেন্দু প্রকাশ গুণ চৌধুরী'''<ref name="সত্তর পেরিয়ে নির্মলেন্দু গুণ ">{{cite news |author= |title=সত্তর পেরিয়ে নির্মলেন্দু গুণ |url=http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/300783.html |date=২১ জুন ২০১৪ |accessdate=অক্টোবর ১৩, ২০১৪ |work=বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম }}</ref> (জন্ম: জুন ২১, ১৯৪৫, আষাঢ় ৭, ১৩৫২ বঙ্গাব্দ), যিনি '''নির্মলেন্দু গুণ''' নামে ব্যাপক পরিচিত,তিনি একজন [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশী]] কবি এবং চিত্রশিল্পী। কবিতার পাশাপাশি তিনি গদ্য এবং ভ্রমণকাহিনীও লিখেছেন। তাঁর কবিতায় মূলত নারীপ্রেম, শ্রেণি-সংগ্রাম এবং স্বৈরাচার বিরোধিতা, এ-বিষয়সমূহ প্রকাশ পেয়েছে। ১৯৭০ সালে প্রথম কাব্যগ্রন্থ ''[[প্রেমাংশুর রক্ত চাই]]'' প্রকাশিত হবার পর জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এ-গ্রন্থের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে লেখা ''হুলিয়া'' কবিতাটি ব্যাপক জরপ্রিয়তা অর্জন করে এবং পরবর্তীতে এর উপর ভিত্তি করে [[তানভীর মোকাম্মেল]] একটি পরীক্ষামূলক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন। এছাড়াও তাঁর ''স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো'' কবিতাটি বাংলাদেশের [[জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড|মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তকে]] পাঠ্য। তিনি ১৯৮২ সালে [[বাংলা একাডেমী]] , ২০০১ সালে [[একুশে পদক পুরস্কার (২০০০–০৯)|একুশে পদক]] এবং ২০১৬ সালে [[স্বাধীনতা পুরস্কার]] অর্জন করেন।
 
== প্রাথমিক জীবন ==
গুণ ১৯৪৫ সালে [[কাশবন গ্রাম|কাশবন]], [[বারহাট্টা উপজেলা|বারহাট্টা]], [[নেত্রকোনা জেলা|নেত্রকোণায়]] এক হিন্দু পরিবারে জন্ম নেন। তাঁর ছেলেবেলা কাটে নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলায়। বাবা সুখেন্দু প্রকাশ গুণ এবং মা বিনাপনি। বাবা-মার তিন মেয়ে এবং দুই ছেলের মধ্যে নির্মলেন্দু ছোট ছেলে। চার বছর বয়সে মার মৃত্যুর পর তাঁর বাবা আবার বিয়ে করেন চারুবালাকে।<ref name="সত্তর পেরিয়ে নির্মলেন্দু গুণ "/>
 
== শিক্ষাজীবন ==
 
== কর্মজীবন ==
স্বাধীনতার পূর্বে তিনি [[সমাজতান্ত্রিক রাজনীতি]]তেরাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। [[সাংবাদিকতা]]য়ওসাংবাদিকতায়ও জড়িত ছিলেন।
 
== সাহিত্য ধারা ==
 
তিনি প্রধানত একজন [[আধুনিক কবি]]।কবি। [[শ্রেণীসংগ্রাম]], [[স্বৈরাচার]]-বিরোধিতা, [[প্রেম]] ও [[নারী]] তার কবিতার মূল-বিষয় হিসেবে বার বার এসেছে। কবিতার পাশাপাশি ভ্রমণ কাহিনীও লিখেছেন। নিজের লেখা [[কবিতা]] এবং গদ্য সম্পর্কে তার নিজের বক্তব্য হলো -
{{উক্তি|অনেক সময় কবিতা লেখার চেয়ে আমি গদ্যরচনায় বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করি। বিশেষ করে আমার আত্মজৈবনিক রচনা বা ভ্রমণকথা লেখার সময় আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে আমি যে গদ্যটি রচনা করতে চলেছি, তা আমার কাব্য-রচনার চেয়ে কোনো অর্থেই ঊনকর্ম নয়। কাব্যকে যদি আমি আমার কন্যা বলে ভাবি, তবে গদ্যকে পুত্রবৎ। ওরা দুজন তো আমারই সন্তান। কাব্যলক্ষ্মী কন্যা যদি, গদ্যপ্রবর পুত্রবৎ।}}
বহুল আবৃত্ত কবিতাসমূহের মধ্যে - ''হুলিয়া'', ''অসমাপ্ত কবিতা'', ''মানুষ'' (১৯৭০ প্রেমাংশুর রক্ত চাই), ''আফ্রিকার প্রেমের কবিতা'' (১৯৮৬ নিরঞ্জনের পৃথিবী) - ইত্যাদি অন্যতম।
২৭টি

সম্পাদনা