প্রধান মেনু খুলুন

পরিবর্তনসমূহ

→‎কবিতা চর্চা: রচনাশৈলী
==কবিতা চর্চা==
হেমচন্দ্রের প্রধান পরিচয় তিনি একজন দেশপ্রেমিক যশস্বী কবি। তাঁর সর্বাধিক প্রসিদ্ধ রচনা ''বৃত্রসংহার'' কাব্য (১৮৭৫-৭৭ দুই খণ্ড) এই কাব্যগ্রন্থে তিনি পৌরাণিক কাহিনীর সাহায্যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আহ্বান জানিয়েছিলেন। জুলাই ১৮৭২-এ ''এডুকেশন গেজেট'' পত্রিকায় তাঁর 'ভারত সঙ্গীত' কবিতাটি প্রকাশিত হলে তিনি সরকারের রোষানলে পড়েন এবং সম্পাদক [[ভূদেব মুখোপাধ্যায়|ভূদেব মুখোপাধ্যায়কেও]] সরকারের কাছে জবাবদিহি করতে হয়।<ref>https://shikkhasova.wordpress.com/2016/01/07/বাংলার-মহাকবি-হেমচন্দ্র/ </ref>এই কবিতায় স্পষ্ট ও প্রত্যক্ষভাবে ভারতবাসীকে অধীনতার পাশ থেকে মুক্ত হবার আহ্বান জানানো হয়। প্রকৃতপক্ষে তিনিই প্রথম জাতীয় কবি যিনি সমগ্র স্বাধীন ভারতের এক সংহতিপূর্ণ চিত্র দেখেছিলেন।<ref name="সংসদ"/>
হেমচন্দ্রের প্রথম কাব্য ''চিন্তাতরঙ্গিনী'' (১৮৬১)।এছাড়াও। ''বৃত্রসংহার'' মহাকাব্য এবং কবির শ্রেষ্ঠ রচনা। এছাড়াও আছে-
{{div col|2}}
*''বীরবাহু'' (১৮৬৪),
*''আশাকানন'' (১৮৭৬),
*''বিবিধ কবিতা'' (১৩০০) ও
*''বৃত্রসংহার'' (১৮৭৫)
*''বৃত্রসংহার দশ মহাবিদ্যা'' মহাকাব্য এবং কবির শ্রেষ্ঠ রচনা।<ref>[[রফিকুল ইসলাম (অধ্যাপক)|রফিকুল ইসলাম]], মোহাম্মদ আবু জাফর ও [[আবুল কাসেম ফজলুল হক]] সম্পাদিত; ''কবিতা সংগ্রহ''; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; জুলাই ১৯৯০; পৃষ্ঠা- ৪৫১-৪৫২।</ref>
*'' দশ মহাবিদ্যা''
</div>
''বৃত্রসংহার'' মহাকাব্য এবং কবির শ্রেষ্ঠ রচনা।<ref>[[রফিকুল ইসলাম (অধ্যাপক)|রফিকুল ইসলাম]], মোহাম্মদ আবু জাফর ও [[আবুল কাসেম ফজলুল হক]] সম্পাদিত; ''কবিতা সংগ্রহ''; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; জুলাই ১৯৯০; পৃষ্ঠা- ৪৫১-৪৫২।</ref>
 
==মৃত্যু==
২৪,৭৮৩টি

সম্পাদনা