"কার্ল নুনেস" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

খেলোয়াড়ী জীবন - অনুচ্ছেদ
(সম্প্রসারণ)
(খেলোয়াড়ী জীবন - অনুচ্ছেদ)
১৯২০-এর দশকের মধ্যভাগে [[Jamaica cricket team|জ্যামাইকা দলের]] অধিনায়করূপে [[Barbados cricket team|বার্বাডোস]], [[মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাব|এমসিসি]] ও [[Lionel Tennyson|লিওনেল টেনিসনের]] নেতৃত্বাধীন সফরকারী দলের বিপক্ষে খেলেন। টেনিসনের দলের বিপক্ষে দুইটি সেঞ্চুরি হাঁকান। তন্মধ্যে নিজস্ব সেরা অপরাজিত ২০০* তোলেন। ১৯২৬ সালে জ্যামাইকান ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড প্রতিষ্ঠাকালীন তিনি শীর্ষস্থানীয় ভূমিকা পালন করেন।
 
== খেলোয়াড়ী জীবন ==
সমগ্র প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনে শুধুমাত্র উইকেটের পিছনে মাঝারি মানের থাকলেও ১৯২৮ সালে [[George Dewhurst (cricketer)|জর্জ ডিউহার্স্টের]] অনুপস্থিতিতে প্রধান উইকেট-রক্ষক মনোনীত হন। নিজস্ব প্রথম পছন্দের অবস্থান [[ব্যাটিং অর্ডার|ব্যাটিং উদ্বোধনের]] পরিবর্তে মাঝারি সারিতে চলে যান। [[টেস্ট ক্রিকেট|টেস্টে]] তিনি সীমিত সাফল্য পান ও সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন। সে তুলনায় [[প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট|প্রথম-শ্রেণীর]] খেলাগুলোয় অধিক সফলতা পেয়েছেন। তন্মধ্যে, [[Glamorgan County Cricket Club|গ্ল্যামারগনের]] বিপক্ষে একটি সেঞ্চুরিও করেন।
 
এ সফরের পর তিনি কেবলমাত্র জ্যামাইকাতেই খেলতে থাকেন। এতে ১৯২৯-৩০ মৌসুমে সফরকারী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কিংস্টন টেস্টেও তাঁর অংশগ্রহণ ছিল। খেলাটি চার টেস্ট সিরিজের চূড়ান্ত ছিল। নানেস পুণরায় [[অধিনায়ক (ক্রিকেট)|অধিনায়করূপে]] মনোনীত হন। তবে, এবার তাঁকে উইকেট-রক্ষণ থেকে দূরে সরে আসতে হয় ও ইনিংস উদ্বোধনে নামেন। তত্ত্বগতভাবে [[timeless Test|অনির্দিষ্ট সময়ের]] ঐ টেস্টটি আটদিন খেলার পর ড্রয়ে পরিণত হয়। [[অ্যান্ডি স্যান্ডহাম|অ্যান্ড্রু স্যান্ডহামের]] [[টেস্ট ক্রিকেটে ত্রি-শতকের তালিকা|৩২৫ রানের]] কল্যাণে ইংল্যান্ড তাদের তৎকালীন সর্বোচ্চ ৮৪৯ তোলে। জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২৮৬ রানের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬৬ তোলেন নানেস। দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৯২। [[জর্জ হ্যাডলি|জর্জ হ্যাডলি’র]] সাথে দ্বিতীয় উইকেটে যোগ করেন ২২৭ ও হ্যাডলি নিজে করেন ২২৩। এটিই নানেসের সর্বশেষ টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল।
৭৪,৬০০টি

সম্পাদনা