"তেভাগা আন্দোলন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সাহিত্য
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা দৃশ্যমান সম্পাদনা
(সাহিত্য)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা দৃশ্যমান সম্পাদনা
==ঠাকুরগাঁওয়ে আন্দোলন==
১৯৪৬ সালে [[রানীশংকাইল উপজেলা|রানীশংকৈল উপজেলায়]] তেভাগা আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় কৃষক নারীরা লাঠি, ঝাঁটা, দা-বটি, কুড়াল যে যা হাতের কাছে পায় তাই দিয়ে পুলিশকে বাঁধা দেয়। একজন বন্দুকধারী পুলিস নারী ভলান্টিয়ারদের প্রতি অসম্মানজনক উক্তি করে গালি দেয়। কৃষক নেতা ও [[রাজবংশী]] নারী ভাণ্ডনীর নেতৃত্বে কৃষক নারীরা পুলিসটিকে গ্রেপ্তার করে সারারাত আটক রাখে। ভাণ্ডনী সারারাত বন্দুক কাঁধে করে তাকে পাহারা দেয়।<ref>সুপ্রকাশ রায়, ''তেভাগা সংগ্রাম''; র‍্যাডিক্যাল কলকাতা, সংশোধিত দ্বিতীয় প্রকাশ, জানুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ১১-১২</ref>
 
== সাহিত্য ও গানে ==
তেভাগা আআন্দোলনে প্রগতিশীল সাহিত্যিক ও শিল্পী রাও আলোড়িত হয়েছেন। সোমনাথ হোড়ের চিত্র,এবং দিনপঞ্জি 'তেভাগার ডায়েরী' উল্লেখযোগ্য রচনা। গোলাম কুদ্দুস, পূর্নেন্দু পত্রী, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ প্রথিতযশা সাহিত্যিকেরা তেভাগা আন্দোলনের ওপর উপন্যাস কবিতা রচনা করেন। সলিল চৌধুরীর গান 'হেই সামালো ধান' ও কবিয়াল নিবারণ পন্ডিতের 'মোদের দুখের কথা কাহাকে জানাই' এর নাম করা যায়।
 
== আরো তথ্য ==