"মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(নিবন্ধ সম্প্রসারণ পরিষ্কার করা তথ্যসূত্র যোগ/উন্নতিকরণ)
ট্যাগ: ২০১৭ উৎস সম্পাদনা
== যেভাবে শহীদ হলেন ==
[[চিত্র:Mohiuddin Jahangir Tomb by Mustafiz 2.jpg|right|thumb|ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ও মেজর নাজমুল হকের সমাধি]]
[[ডিসেম্বর ১০|১০ ডিসেম্বর]] ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর, লেফটেন্যান্ট কাইয়ুম, লেফটেন্যান্ট আউয়াল ও ৫০ জনের মতো মুক্তিযোদ্ধা [[চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা|চাঁপাইনবাবগঞ্জের]] পশ্চিমে বারঘরিয়া এলাকায় অবস্থান গ্রহণ করেন। [[ডিসেম্বর ১৪|১৪ ডিসেম্বর]] ভোরে মাত্র ২০ জন মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে বারঘরিয়া এলাকা থেকে ৩/৪ টি দেশী নৌকায় করে রেহাইচর এলাকা থেকে [[মহানন্দা নদী]] অতিক্রম করেন। নদী অতিক্রম করার পর উত্তর দিক থেকে একটি একটি করে প্রত্যেকটি শত্রু অবস্থানের দখল নিয়ে দক্ষিণে এগোতে থাকেন। তিনি এমনভাবে আক্রমণ পরিকল্পনা করেছিলেন যেন উত্তর দিক থেকে শত্রু নিপাত করার সময় দক্ষিণ দিক থেকে শত্রু কোনকিছু আঁচ করতে না পারে। এভাবে এগুতে থাকার সময় জয় যখন প্রায় সুনিশ্চিত তখন ঘটে বিপর্যয়। হঠাৎ বাঁধের উপর থেকে ইস্ট পাকিস্তান সিভিল আর্মড ফোর্সের ৮/১০ জন সৈনিক দৌড়ে চর এলাকায় এসে যোগ দেয়। এরপরই শুরু হয় পাকিস্তান বাহিনীর অবিরাম ধারায় গুলিবর্ষন। ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর জীবনের পরোয়া না করে সামনে এগিয়ে যান। ঠিকযখন সেইআর সময়েএকটি শত্রুরমাত্র একটিশত্রু অবস্থান বাঁকি রইল এমন সময় মুখোমুখি সংঘর্ষে বাংকার চার্জে শত্রুর গুলিবুলেটে এসে বিদ্ধ হয় জাহাঙ্গীরের কপালে। শহীদ হন তিনি।
<ref>[http://www.barisalnews.com/bangla/?p=1396 বরিশালনিউজ ডট কম]</ref>
 
৩৯টি

সম্পাদনা