"সাধারণ আপেক্ষিকতা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পূর্ণ পরিবর্তন
(সম্পূর্ণ পরিবর্তন)
{{সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব}}
'''সাধারণ আপেক্ষিকতা''' ('''আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব''' নামেও পরিচিত; ইংরেজিতে General Theory of Relativity তথা GTR নামে পরিচিত) বলতে বিজ্ঞানী [[আলবার্ট আইনস্টাইন]] কর্তৃক [[১৯১৫]]-[[১৯১৬]] সালে আবিষ্কৃত মহকার্ষের জ্যামিতিক তত্ত্বকে বোঝায়। এটি [[বিশেষ আপেক্ষিকতা]] এবং [[নিউটনের মহাকর্ষ তত্ত্ব|নিউটনের মহাকর্ষ তত্ত্বকে]] একীভূত করার মাধ্যমে একটি বিশেষ অন্তর্দৃষ্টির জন্ম দিয়েছে। অন্তর্দৃষ্টিলব্ধ বিষয়টি হচ্ছে, [[স্থান]] এবং [[কাল|কালের]] [[বক্রতা|বক্রতার]] মাধ্যমে মহাকর্ষীয় ত্বরণকে ব্যাখ্যা করা সম্ভব। [[স্থান-কাল|স্থান-কালের]] মধ্যস্থিত পদার্থের [[ভর]]-[[শক্তি]] এবং [[ভরবেগ|ভরবেগের]] কারণেই এই বক্রতার উৎপত্তি ঘটে।
'''সাধারণ আপেক্ষিকতত্ত্ব''' হলো [[আলবার্ট আইনস্টাইন|আইনস্টাইন]] কর্তৃক প্রণীত মহাকর্ষ সম্পর্কিত একটি তত্ত্ব। আইনস্টাইন তাঁর [[বিশেষ আপেক্ষিকতত্ত্ব]]কে সম্প্রসারণের মাধ্যমে সাধারণ আপেক্ষিকতত্ত্ব গড়ে তুলতে পুরো একটি দশক([[১৯০৬]] - [[১৯১৬]]) ব্যয় করেন। এই তত্ত্বটিকে সারল্য এবং নির্ভুলতার ভিত্তিতে পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে সুন্দর তত্ত্ব হিসাবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।
 
==সত্যতা নিরুপণ==
এই তত্ত্বের মূলধারণা অনযায়ী মহাকর্ষকে [[স্থান-কাল বক্রতাজনিত]] একটি ফলাফল হিসাবে ধারনা করা হয়। অর্থাৎ নির্দিষ্ট কোন [[জড় প্রসঙ্গ কাঠামো|জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে]]অবস্থিত একজন ব্যক্তি সাধারন [[অভিকর্ষ ক্ষেত্র]] এবং গতির কারণে সৃষ্ট অভিকর্ষ ক্ষেত্রে মধ্যে কোন পার্থক্য অনুভব করেন না।
 
==মৌলিক নীতি==
==সাধারন আপেক্ষিক তত্ত্বের প্রাথমিক কথা==
 
চিরায়ত বলবিদ্যায় [[মহাকর্ষ|মহাকর্ষকে]] সর্বদাই একটি সাধারন বল হিসাবে কল্পনা করা হয়েছে।
==গাণিতিক কাঠামো==
 
{{পদার্থবিজ্ঞান-ফুটার}}
১৩,৪৫৫টি

সম্পাদনা