আন্দ্রেনিক তেয়মৌরিয়ান: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে
সম্পাদনা সারাংশ নেই
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে)
}}
 
'''আন্দ্রেনিক তেয়মৌরিয়ান''' ( পার্সি: آندرانيک تیموریان , [[আর্মেনীয় ভাষা|আর্মেনিয়]] : Անդրանիկ Թէյմուրեան , জন্ম ৬ মার্চ ১৯৮৩) একজন ইরানী ফুটবলার, যিনি বর্তমানে [[পার্সিয়ান প্রো লিগ|পার্সিয়ান প্রো লিগে]] [[মেশিন সাজি|'মেশিন সাজি]] 'এবং [[ইরান জাতীয় ফুটবল দল|ইরান জাতীয় ফুটবল দলের]] হয়ে খেলে। তিনি সাধারনত ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে খেলে, কিন্তু প্রায় ওয়াইড মিডফিল্ডার হিসেবে খেলে থাকেন। তিনি ইরান জাতীয় দলের ১ম [[খ্রিস্ট ধর্ম|খ্রিস্টান]] ধর্মালম্বী অধিনায়ক। তিনি ইরানের তেহরান শহরে সংখ্যালঘু আর্মেনিয় পরিবারে জন্মগ্রহন করেন।
 
== ক্লাব ক্যারিয়ার ==
আন্দ্রেনিক ইরানের আঘাব এফসি ক্লাবে ক্যারিয়ার শুরু করেন এবং ২০০৫-০৬ মৌসুমে এফসি আবোমস্লে ক্লাবে পেশাদার ফুটবল শুরু করে।
 
=== বোল্টন ===
 
=== ফুলহাম ===
২০০৮ সালের ১২ জুন আন্দ্রেনিক ২ বছরের চুক্তিতে এবং ফ্রি ট্রান্সফারে ফুলহামে যোগ দেয়। ফুলহামের হয়ে তার অভিষেক হয় আর্সেনালের বিপক্ষে। ঐ ম্যাচে ফুলহাম ১-০ গোলে জয়লাভ করে। ২০০৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি বার্নসলিতে ১ বছরের জন্য লোনে যোগ দেয়। ১ জুলাই ২০১০ সালে আন্দ্রেনিকের সাথে ফুলহামের চুক্তি শেষ হয়।
 
=== ট্র্যাক্টর সাযি ===
 
=== এস্টেঘলাল ===
২০১১ সালের জুলাইয়ে আন্দ্রেনিক তেহরানের দল এস্টেঘলালে যোগ দেন। ৯ নভেম্বর সেপাহানের বিপক্ষে অভিষেক হয়। ২০১১ সালের ৯ নভেম্বরে এশিয়ার সেরা ১০ ফুটবলারদের মধ্যে একজন নির্বাচিত হন। ১ম মৌসুমেই হাযফি কাপ জয় করেন।
 
=== আল খারাইতিয়াত ===
 
=== এস্টেঘালে ফেরা ===
২০১৩ সালের ১৮ জুলাই আন্দ্রেনিক ৩ বছরের চুক্তিতে আবার এস্টেঘালে যোগ দেয়। তার ১ম ম্যাচে সেপাহানের কাছে ১-২ গোলে পরাজিত হয়। ২ আগস্ট আন্দ্রেনিক ২০১৩-১৪ মৌসুমের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন ।
 
=== ট্র্যাক্টর গাযিতে ফেরা ===
২০১৪ সালের ২৭ ডিসেম্বর আন্দ্রেনিক ১৮ মাসের চুক্তিতে প্রাক্তন ক্লাব ট্র্যাক্টর গাযিতে যোগ দেয়। ১ম ম্যাচেই সাবা কমের বিপক্ষে ফ্রি কিক থেকে গোল দেন।
 
=== উম সালাল ===
 
=== সেইপা ===
২০১৬ সালের ১৯ জানুয়ারিতে আন্দ্রেনিক ৬ মাসের চুক্তিতে সেইপা ক্লাবে যোগ দেন। ইনজুরির কারণে মাত্র ৪ ম্যাচ খেলে জুলাইয়ে ক্লাব ছাড়েন।
 
=== মেশিন সাযি ===
 
== আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার ==
আন্দ্রেনিক ইরানের জাতীয় দলে খেলার আগে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলে খেলেন। ২০০৬ বিশ্বকাপে তিনি ইরানের হয়ে খেলেছেন। ২০০৭ এবং ২০১১ এশিয়ান কাপে ইরানের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
 
২০১৪ সালের ১৮ মে, আন্দ্রেনিক প্রথম খ্রিস্টান হিসেবে ইরানকে নেতৃত্ব দেন। বেলারুশের বিপক্ষে ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়। ২০১৪ সালের ১ জুলাই তিনি ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপের জন্য ডাক পান। আন্দ্রেনিক ২০১৪ বিশ্বকাপে সবগুলো ম্যাচের পুরো সময় খেলেছেন, এবং বিশ্বকাপে ইরানের হয়ে সবচেয়ে ম্যাচে নেতৃত্ব দেয়ার রেকর্ড করেন। ২০১৫ সালে এএফসি এশিয়ান কাপে দলে ডাক পান। সে ঐ টূর্নামেন্টে ১ টি এসিস্ট করেন। জাভেদ নেকুয়ামের অবসরের পর আন্দ্রেনিক অধিনায়ক নির্বাচিত হয়।
 
আন্দ্রেনিক তেয়মৌরিয়ান অধিনায়ক হিসেবে শততম ম্যাচে উজবেকিস্তানকে ১-০ গোলে হারায়।
 
== তথ্যসূত্র ==
১,৯৬,০১৪টি

সম্পাদনা