পর্নোগ্রাফির প্রভাব: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎বিশ্বাসসমূহ: বানান ঠিক করা হয়েছে
(→‎আরও দেখুন: লিংক সংযোজন)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা
(→‎বিশ্বাসসমূহ: বানান ঠিক করা হয়েছে)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা
গেইল ডাইনেস, জিলম্যানের ১৯৮৯ সালে প্রকাশিত গবেষণাটি সংক্ষেপিত করেন, এবং এতে বেশকিছু তথ্য অন্তর্ভূক্ত করেন। তিনি বলেন যে, ‘‘[পর্নোগ্রাফি] যৌনতা [সম্পর্কে] দৃষ্টিভঙ্গির [বিরূপ] পরিবর্তন ঘটায়, সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, এটি কম প্রচলিত যৌনাচরণের প্রতি উৎসাহপূর্ণ আকর্ষণ সৃষ্টি করে; অন্তরঙ্গ [যৌন] সঙ্গীর শারীরিক অবয়ব ও যৌন ক্ষমতার প্রতি অসন্তুষ্টির জন্ম দেয়; ধর্ষণ ও শিশুদের উপর যৌন নির্যাতনের মত অপরাধসমূহকে একটি মামুলি ব্যাপারে পরিণত করে; যৌন নির্যাতনের স্বীকার হওয়া ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি অসংবেদনশীল হতে উৎসাহিত করে এবং পুরুষদের মনে এই বিশ্বাস সৃষ্টিতে সহায়তা করে যে, ধর্ষিতরাও [অন্য কাউকে] ধর্ষণ করতে সক্ষম হবে। উপরন্তু, অভ্যাসগত পর্নোগ্রাফি ভোক্তারাই অনিয়মিত ভোক্তাদের তুলনায়, যৌনতার ক্ষেত্রে অধিক সহানুভূতিহীন এবং নারীদের প্রতি বেশি সহিংস হওয়ার ঝুঁকিতে আছে।’’<ref name=dines2010>{{cite book|last1=Dines|first1=Gail|title=Pornland : how porn has hijacked our sexuality|date=2010|publisher=Beacon Press|location=Boston|isbn=0807044520}}</ref><ref name=bryant1989>{{cite book|last1=Bryant|first1=editors, D. Zillmann, J.|title=Pornography : research advances and policy considerations|date=1989|publisher=Lawrence Erlbaum Associates|location=Hillsdale (New Jersey)|isbn=0805806156}}</ref>
 
অ্যাভেডন ক্যারোল ব্যাখ্যা করেছেন যে, ‘‘জিলম্যানের ভাষ্যমতে, ‘যৌনতার ক্ষেত্রে সহানুভূতিহীন’ বলতে তিনি বুঝিয়েছেন ‘[[সমকামিতা|সমকামিতারসমপ্রেমিতার]] প্রতি অধিক সহনশীলতা’; [এটি] একটি বিশ্বাস [যা] বলে যে, মাতৃত্বের পাশাপাশি নারীদের আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ পন্থা নির্বাচনের ক্ষমতা থাকা উচিৎ; [উদাহরণস্বরূপ] বিবাহবন্ধনে কম বিশ্বাস; এবং এমন বিশ্বাস যা বলে, নারীরাও যৌনতাকে উপভোগ করতে পারবে এবং শুধুমাত্র স্বামীদের খুশি করা কিংবা গর্ভধারণের উদ্দেশ্য ছাড়াও [কেবল] আত্মতৃপ্তির জন্যেও যৌনকার্যে অংশ নিতে পারবে। মোটের উপর, [যেগুলো ছিল] ঐ সময়ের নারীবাদী দলগুলোর মূল উদ্দেশ্য। জিলম্যান তার গবেষণায়, [পর্নোগ্রাফির কারণে] নারীবিদ্বেষ কিংবা সহিংস আচরণ বা আচরণের আকাঙ্খার বৃদ্ধি দেখাতে ব্যর্থ হন, যদিও তিনি সত্যিই [তা দেখানোর] চেষ্টা করেছিলেন।’’ তিনি আরও বলেন যে, ‘‘জিলম্যান ও ব্রায়ান্টের করা গবেষণার বিভিন্ন ধরণের ব্যাখ্যার প্রতি নজর রেখেই, [যুক্তরাষ্ট্রের] সার্জন জেনারেলের প্রতিবেদনে বলা হয় যে, [তাদের] করা গবেষণা, যেগুলো ধরে নেয় যে, পুরুষেরা নারীদের তুলনায় অনেক বেশি সহানুভূতিহীন, সেগুলোর একমাত্র নির্ভরযোগ্য আবিষ্কার হলো: [পুরুষদের] যেই দলটি  পর্নোগ্রাফি দেখেছিল, তাদের এই আচরণ অপেক্ষাকৃত সঠিকভাবে, মানবসমাজে [ব্যাপকহারে] যৌনচর্চার পরিব্যপ্তিকেই নির্দেশ করে। গবেষণায় নিয়ন্ত্রণ হিসেবে ব্যবহৃত দলের সদস্যরা, যারা পর্নোগ্রাফি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো [কখনও] দেখেন নি, তারা বিশেষ কিছু [সম্ভাব্য অপ্রচলিত] যৌনাচরণ প্রচলিত হওয়ার বিষয়ের প্রতি তীব্রভাবে অবমূল্যায়ণপ্রবণ ছিলেন।’’ এবং তিনি এই মত ব্যক্ত করেন যে, ‘‘জিলম্যান ও ব্রায়ান্ট তাদের গবেষণায় অছাত্রদেরও অন্তর্ভূক্ত করার চেষ্টা করেন, যাদের অনেকেই গবেষণার জন্য যে পর্নোগ্রাফি দেখতে হবে তা জানার পর গবেষণা ত্যাগ করে চলে যায়। এর এই অর্থ দাড়ায় যে, নিয়ন্ত্রণ হিসেবে ব্যবহৃত দলে, একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন জনগোষ্ঠীর লোক ছিল, যেমন, তাদের অনেকেই ছিলেন বোধহয় বয়স্ক, বিবাহিত বা সংসারী পুরুষ। অতএব, এসব লোকের কাছ থেকে পাওয়া ভিন্ন উত্তরগুলো হয়ত, নারীদের প্রতি তাদের ভিন্নতর দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করে, এবং হয়ত পর্নোগ্রাফি দেখার ফলে সৃষ্ট প্রভাবকে একেবারেই প্রতিফলিত করে না।’’  [এতকিছুর পরে] গবেষণাটিকে আর নিয়ন্ত্রিত বলা যায় না। শেষ পর্যন্ত, গবেষণাটির হয়ত এই অর্থ দাড়ায় যে, বয়স্ক, বিবাহিত পুরুষেরা হয়ত কমবয়েসী অবিবাহিত অনূঢ় মনোবিজ্ঞানের পুরুষ ছাত্রদের তুলনায় তাদের যৌনসঙ্গীর প্রতি অপেক্ষাকৃত কম দোষগ্রাহী, এবং অবিবাহিত শিক্ষিত যুবকেরা সমাজে নারীদের ভূমিকা ও সমপ্রেমিতাকে আরও উদারনৈতিক দৃষ্টিতে দেখে, এবং সমাজে প্রচলিত বিভিন্ন যৌনাচরণ সম্পর্কে আরও বাস্তবধর্মী জ্ঞান রাখে।’’<ref name=avedon1994>{{cite book|last1=Carol|first1=Avedon|title=Nudes, Prudes and Attitudes: Pornography and Censorship|date=1994|publisher=New Clarion Press|location=Gloucester|page=69}}</ref>
 
== স্বাভাবিক যৌনক্রিয়া ও আসক্তি ==
১,৮৬১টি

সম্পাদনা