"ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মাদ বিন বখতিয়ার খলজী" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট বানান ঠিক করেছে
(বট বানান ঠিক করছে, কোনো সমস্যায় তানভিরের আলাপ পাতায় বার্তা রাখুন)
(বট বানান ঠিক করেছে)
 
== মৃত্যু ==
[[তিব্বত]] অভিযান বিফল হলে বখতিয়ার [[দেবকোট|দেবকোটে]] ফিরে আসেন। গৌহাটির নিকটে [[ব্রহ্মপুত্র নদ|ব্রহ্মপুত্রের]] তীরে কানাই বড়শি বোয়া নামক স্থানে তুর্কি সেনাদলের বিধ্স্ত হওয়ার বিভিন্ন আলামত পাওয়া যায়। তিব্বত অভিযান বিফল এবং সৈন্যবাহিনীর ব্যাপক ক্ষতির ফলে লখনৌতির মুসলিম রাজ্যের প্রজারের মধ্যে বিদ্রোহ ও বিরোধ দেখা দিতে শুরু করে। এরই ফলে বাংলার ছোট ছোট মুসলিম রাজ্যগুলো [[দিল্লি|দিল্লির]] সাথে সম্ভাব্য বিরোধে আগে থেকেই কোনঠাসা হয়ে পড়ে। এরকম নানাবিধ চিন্তা, এবং পরাজয়ের গ্লানিতে বখতিয়ার অসুস্থ এবং পরে শয্যাশায়ী হন। এর অল্প কিছুদিন বাদে [[১২০৬]] খ্রিষ্টাব্দে তিনি শয্যাশায়ী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। কেউ কেউ অণুমানঅনুমান করেন যে বখতিয়ারের মৃত্যুতে তার সেনাপতি আলিমর্দান খলজির হাত ছিল<ref>{{Cite web|title=History of Dinajpur District: Muslim Period|url=http://kantaji.com/dinajpurhistory.html}}</ref>।
 
== বিতর্ক ও সমালোচনা ==
 
== অর্জন ==
১৯৯০ সালের কাছাঁকাছিকাছাকাছি সময় বাংলাদেশি কবি [[আল মাহমুদ]] "বখতিয়ারের ঘোড়া" নামক এক কাব্যগ্রন্থ লেখেন যেখানে বখতিয়ার খলজিকে বাংলার একজন গুরুত্ত্বপূর্ণ বীর হিসেবে উল্লেখ করেন ৷ বাংলার ইতিহাসে তিনি একজন অন্যতম পরিচিত ব্যক্তি ৷ <ref>The preaching of Islam: a history of the propagation of the Muslim faith By Sir Thomas Walker Arnold, pg. 227-228</ref>।
 
== তথ্যসূত্র ==
৩,৪২,৩১৭টি

সম্পাদনা