"ইয়ান বোথাম" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট বানান ঠিক করছে, কোনো সমস্যায় তানভিরের আলাপ পাতায় বার্তা রাখুন
(পরিমার্জন)
(বট বানান ঠিক করছে, কোনো সমস্যায় তানভিরের আলাপ পাতায় বার্তা রাখুন)
| name = স্যার ইয়ান বোথাম
|
| caption = ২০০৯ সালে বইয়ের স্বাক্ষর অনুষ্ঠানেঅণুষ্ঠানে স্যার ইয়ান বোথাম
| country = ইংল্যান্ড
| fullname = স্যার ইয়ান টেরেন্স বোথাম, ওবিই
| caps2 = ১১ | goals2 = ০
}}
স্যার '''ইয়ান টেরেন্স বোথাম''', [[ওবিই]] ({{lang-en|Ian Terence Botham}}; [[জন্ম]]: [[২৪ নভেম্বর]], [[১৯৫৫]]) চেশায়ারে জন্মগ্রহণকারী সাবেক ইংরেজ [[ক্রিকেট|ক্রিকেটার]]। ক্রিকেট খেলায় [[ব্যাটিং (ক্রিকেট)|ব্যাটিং]] ও [[বোলিং (ক্রিকেট)|বোলিং]] - উভয় বিভাগেই তিনি অসামান্য ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শন করে বিশ্বের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রকৃত [[অল-রাউন্ডার|অল-রাউন্ডারের]] মর্যাদা পেয়েছেন। [[ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল|ইংল্যান্ড দলের]] পক্ষ হয়ে ১৪টি সেঞ্চুরি ও ৩৮৩টি টেস্ট উইকেট লাভ করেন '''ইয়ান বোথাম'''। শতাধিক [[টেস্ট ক্রিকেট|টেস্টে]] অংশগ্রহণের পাশাপাশি [[অধিনায়ক (ক্রিকেট)|অধিনায়কত্ব]] করেছেন তিনি। ১৯৮১ সালে [[দি অ্যাশেজ|অ্যাশেজ]] সিরিজে [[অস্ট্রেলিয়া জাতীয়জাতিয় ক্রিকেট দল|অস্ট্রেলিয়াকে]] পরাভূত করতে ব্যাপকভাবে সহায়তা করেছিলেন। এ সিরিজটি ‘বোথামের অ্যাসেজ’ নামে পরিচিতি বহন করে আসছে। ''বিফি'' ডাকনামেওডাকণামেও তিনি সমান জনপ্রিয়।<ref>{{cite news|url=http://www.ft.com/cms/s/02c82326-1b75-11dc-bc55-000b5df10621.html|title='Sir Beefy' leads cast of nearly 1,000|first=Christopher|last=Adams|work=Financial Times |date=16 June 2007|accessdate=28 August 2009}}</ref> মাঠ ও মাঠের বাইরে বিতর্কিত খেলোয়াড়রূপে তিনি একগুচ্ছ রেকর্ডের অধিকারী হিসেবে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের বোলারদের পক্ষে সর্বাধিক [[উইকেট]] লাভের রেকর্ডটিও ধরে রেখেছিলেন। বর্তমানে তিনি [[টেলিভিশন|টেলিভিশনে]] কাজ করছেন। [[দাতব্য প্রতিষ্ঠান|দাতব্য প্রতিষ্ঠানের]] অর্থ সংগ্রহের জন্যে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছেন। ২০০৭ সালে [[নাইটহুড|নাইট]] পদবীতে ভূষিত হন। [[ডেনিস কম্পটন]], [[জিম কাম্বস]] ও [[আর্নল্ড সাইডবটম|আর্নল্ড সাইডবটমের]] ন্যায় তিনিও [[দ্য ফুটবল লীগ|ফুটবল লীগের]] অন্যতম [[ফুটবলার]] হিসেবে ১১টি খেলায় অংশগ্রহণ করেছেন।
 
== প্রারম্ভিক জীবন ==
 
== সম্মাননা ==
১৬ এপ্রিল, ২০১৫ তারিখ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বাধিক ৩৮৩ উইকেট নিয়ে রেকর্ডের অধিকারী ছিলেন। কিন্তু, ১৭ এপ্রিল, ২০১৫ তারিখে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে অ্যান্টিগুয়ার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতঅণুষ্ঠিত ১ম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে [[দিনেশ রামদিন|দিনেশ রামদিনকে]] আউট করে [[জেমস অ্যান্ডারসন]] বোথামের গড়া সর্বোচ্চ টেস্ট উইকেট লাভের রেকর্ডটি ভেঙ্গে ফেলেন।<ref>{{cite news |title=James Anderson breaks Sir Ian Botham's England wicket record |url=http://www.bbc.co.uk/sport/0/cricket/32257895 |publisher=BBC Sport (British Broadcasting Corporation) |date=17 April 2015 |accessdate=18 April 2015 }}</ref>
 
বোথামকে ইংল্যান্ডের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা অল-রাউন্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এছাড়া তারকা মর্যাদাও পেয়েছেন তিনি। দাতব্য প্রতিষ্ঠানে অনন্য সাধারণ অবদান রাখায় তাঁকে [[নাইট ব্যাচেলর|নাইটহুড]] পদকে ভূষিত করা হয়।<ref>http://www.thenorthernecho.co.uk/archive/2004/08/06/The+North+East+Archive/6982046.Bothams_rocked_by_jewellery_break_in/</ref> ৮ আগস্ট, ২০০৯ তারিখে [[আইসিসি ক্রিকেট হল অব ফেম|আইসিসি ক্রিকেট হল অব ফেমে]] বোথামকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।<ref>{{cite news | url=http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2009-08-09/top-stories/28212639_1_icc-cricket-hall-first-class-cricket-test-cricket|title=Botham, Boycott, Trueman inducted into ICC Hall of Fame | publisher=The Times of India | accessdate=8 October 2011 | date=9 August 2009}}</ref>
{{succession box
| before=[[মাইক ব্রিয়ারলি]]
| title=[[ইংরেজ জাতীয়জাতিয় ক্রিকেট অধিনায়ক]]
| years=১৯৮০-১৯৮১
| after=[[মাইক ব্রিয়ারলি]]
১,০৬,৬৩৯টি

সম্পাদনা