"মৃত্যু" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(বিষয়শ্রেণী:জীববিজ্ঞান যোগ হটক্যাটের মাধ্যমে)
 
দেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিভিন্ন হারে মারা যায়। সোমাটিক মৃত্যুর ৫ মিনিটের মধ্যেই মস্তিষ্কের কোষগুলির মৃত্যু ঘটে। অন্যদিকে হৃৎপিণ্ডের কোষগুলি ১৫ মিনিট এবং বৃক্কেরগুলি প্রায় ৩০ মিনিট বেঁচে থাকতে পারে। এই কারণে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সদ্যমৃত দেহ থেকে সরিয়ে নিয়ে জীবিত ব্যক্তির দেহে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব।
 
==মৃত্যু সম্পর্কে ‘শিব পুরাণ’-এর বক্তব্য==
 
• মৃত্যুর সবথেকে বড় প্রাকলক্ষণ টের পাওয়া যাবে দেহের ভিতরেই। পুরাণ-মতে, কোনও ব্যক্তের দেহে যদি হলদেটে ভাব দেখা যায় এবং তাতে রক্তবর্ণের আভা থাকে, তবে বুঝতে হবে তাঁর মৃত্যু সন্নিকটে।
 
• যদি কোনও ব্যক্তি জলে অথবা দর্পণে তাঁর ছায়া দেখতে না পান, তিনিও জানবেন তাঁর মৃত্যুর বেশি দেরি নেই।
 
• যদি কেউ নিজের ছায়া দেখতে না পান, তিনি জানবেন তাঁর ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে মৃত্যু। কেউ যদি মুণ্ডহীন ছায়া দেখেন, সেক্ষেত্রেও বিষয়টি এক।
 
• মৃত্যুর আগে সবকিছুই কৃষ্ণবর্ণ হয়ে যাবে। মৃত্যুপথযাত্রীর মুখ, জিভ, কান, চোখ, নাক পাথরের মতো হয়ে যাবে।
 
• যদি কোনও ব্যক্তি চন্দ্রালোক, আগুন অথবা সূর্য দেখতে না পান, তিনি জানবেন তাঁর আয়ু ৬ মাস।
 
• কোনও ব্যক্তি যদি আকাশে ধ্রুব তারা দেখেতে না পান, তিনি জানবেন তাঁর আয়ুও অস্তাচলে।
 
• আকাশ, চন্দ্র, সূর্য যদি কেউ লাল বর্ণে দেখেন, তিনিও জানবেন মৃত্যু তাঁর শিয়রে কড়া নাড়ছে।<ref>http://ebela.in/lifestyle/signs-of-death-according-to-shiv-purana-dgtl-1.441510</ref>
 
== তথ্যসূত্র ==