"খান বাহাদুর আবদুল মোমেন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(নতুন পৃষ্ঠা: {{Infobox person | honorific_prefix = খান বাহাদুর | name = আবদুল মোমেন | image = | image_s...)
 
সমসাময়িক মুসলিমদের শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। অবসর গ্রহণের পর তিনি কলকাতা ইম্প্রুভমেন্ট ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। ১৯৩১ সালে তিনি মুসলিম শিক্ষা কমিশন কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন এবং এই কমিশন পরবর্তীতে মোমেন কমিশন নামে পরিচিতি পায়। কমিশনের অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন আজিজুল হক, তমিজউদ্দিন খান, খান বাহাদুর আফাজউদ্দিন আহমেদ এবং বর্ধমানের আবুল কাশেম।<ref name="BP" />
 
আবদুল মোমেন [[ওয়াকফ]] ব্যবস্থা সংস্কার ও বিধিবদ্ধকরণের সমর্থক ছিলেন।।ছিলেন। তার প্রচেষ্টায় ১৯৩৪ সালে ওয়াকফ আইন বিধিবদ্ধ হয় এবং ১৯৩৬ সালে বেঙ্গল ওয়াকাফ বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। মুসলিম বীমা উদ্যোক্তাদের মধ্যে তিনি প্রথমদিককার অন্যতম উদ্যোক্তা। তিনি আর্যস্থান বীমা কোম্পানির তহবিল গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেচনে।<ref name="BP" />
 
তিনি বাংলার ভূমি ব্যবস্থা নিয়ে আগ্রহী ছিলেন এবং এই বিষয়ে একজন বিশেষজ্ঞ ছিলেন। তার জ্ঞানের কারনে তিনি যশোর জেলার সার্ভে এন্ড সেটেলমেন্টের প্রধান অফিসার নিয়োগ পেয়েছিলেন। ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত সেটেলমেন্ট অফিসারের পদটি ব্রিটিশদের জন্য সংরক্ষিত হলেও তার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম দেখা দেয়। তার প্রণীত ''ফাইনাল রিপোর্ট অন সার্ভে এন্ড সেটেলমেন্ট অপারেশন্স ইন দ্য যশোর ডিস্ট্রিক্ট ১৯২০-১৯২৪''-এ ইনি জেলার ভূমির প্রজাস্বত্ত্ব এবং আর্থিক বিষয়াদির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। তার জরিপে ভূমির স্বত্ব আরোপ, মধ্যস্বত্বভোগী, রায়তদের অধিকার এবং অবস্থা, হাট-বাজার, জনসংখ্যা, সকল শ্রেণীর অর্থব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত ছিল।<ref name="BP" />