প্রধান মেনু খুলুন

পরিবর্তনসমূহ

 
ম্যাকড্যানিয়েল বলছেন যে, ''দেবীভাগবত পুরাণ'' গ্রন্থে ‘পরাভক্তি’কে ভক্তির সর্বোচ্চ স্তর বলা হয়েছে। এই স্তরে ভক্ত বর বা মুক্তি কিছুই চান না। তিনি দেবীকে ভালবাসেন বলে তাঁকে স্মরণ করে কাঁদেন। তিনি সর্বত্র দেবীর উপস্থিতি অনুভব করেন এবং সকল জীবিত সত্ত্বায় দেবীকে দেখেন। তিনি দেবীর ধারণা ও উপস্থিতিতে মগ্ন হয়ে থাকেন।{{Sfn|June McDaniel|2004|pp=158-161}}{{Sfn|Cheever Mackenzie Brown|1998|pp=23-25}}
 
====উৎসব ও সংস্কৃতি====
রোচার বলেছেন, এই পুরাণের সপ্তম স্কন্ধে দেবী-সংক্রান্ত উৎসব, তীর্থ-সংক্রান্ত তথ্য এবং তাঁকে স্মরণ করার উপায় বর্ণিত হয়েছে।{{Sfn|Rocher|1986|p=170}} এই স্কন্ধেই শিবের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ও [[কার্তিক (দেবতা)|স্কন্দের]] জন্মের বিবরণ সংক্ষেপে আলোচনা করা হয়েছে।{{Sfn|Rocher|1986|p=170}} এই স্কন্ধের শেষ দশটি অধ্যায় (৩১শ থেকে ৪০শ অধ্যায়) হল বিখ্যাত দার্শনিক সন্দর্ভ ''দেবীগীতা''। এই অংশটি পৃথক গ্রন্থাকারেও প্রকাশিত হয়ে থাকে।{{Sfn|Cheever Mackenzie Brown|1998|pp=1-4}} ''দেবীভাগবত পুরাণ'' গ্রন্থের অষ্টম স্কন্ধটিতে হিন্দু পৌরাণিক সাহিত্যের পঞ্চলক্ষণের একটি লক্ষণ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এখানে পৃথিবী, গ্রহ ও নক্ষত্রের ভূগোল, সূর্য ও চন্দ্রের গতি এবং সময়ের ব্যাখ্যা ও হিন্দু পঞ্জিকা আলোচিত হয়েছে।{{Sfn|Rocher|1986|pp=170-171}}
 
এই পুরাণের দীর্ঘতম অংশটি হল নবম স্কন্ধ। এটি গঠনভঙ্গিমা ও বিষয়বস্তুর দিক থেকে ''[[ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ]]'' গ্রন্থের ‘প্রকৃতিখণ্ড’ অংশের অনুরূপ।{{Sfn|Rocher|1986|p=171}}{{Sfn|C Mackenzie Brown|1990|p=160}} উভয় অংশই দেবী-কেন্দ্রিক এবং উভয় অংশেই দেবীতত্ত্ব আলোচিত হয়েছে। তবে উভয় অংশের মধ্যে একটি পার্থক্য রয়েছে।{{Sfn|Rocher|1986|p=171}} ''ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ'' গ্রন্থের ‘প্রকৃতিখণ্ডে’ অনেক শ্লোকে বিষ্ণুর বিভিন্ন নামের ([[অবতার]]) উল্লেখ করে তাঁর স্তুতি করা হয়েছে। ''দেবীভাগবত পুরাণ'' গ্রন্থের নবম স্কন্ধে এই অংশগুলি সংযোজিত হয়েছে। কিন্তু সেখানে বিষ্ণুর নামের পরিবর্তে দেবীর নাম ব্যবহৃত হয়েছে।{{Sfn|Rocher|1986|p=171}}
 
==আরও দেখুন==