"বামপন্থী রাজনীতি" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

তথ্যসূত্র প্রদান ও পরিবর্ধন করা হলো
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে)
(তথ্যসূত্র প্রদান ও পরিবর্ধন করা হলো)
==বামপন্থী রাজনীতির কর্মসূচি==
বিশ শতক পরবর্তীকালে বামপন্থী হতে হলে যে বৈশিষ্ট্য থাকা দরকার তা হচ্ছে বামপন্থিদের [[সাম্রাজ্যবাদ]] ও [[সম্প্রসারণবাদ]]বিরোধী হতে হবে। এছাড়াও বামপন্থি হতে হলে তাদের অবশ্যই [[সামন্তবাদ]]বিরোধী তথা সামন্ততন্ত্রের অবশেষ উচ্ছেদের কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে; সবরকম সম্ভাব্য আকার ও রূপে বিরাজমান ভূমিদাস প্রথার জেরগুলো, যেমন বর্গাপ্রথার উচ্ছেদ করে ভূমিসংস্কার করতে হবে। তৃতীয়ত রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে কোনো ধরনের [[প্রতিক্রিয়াশীল]] আইন বা বিধিবিধানকে তারা সমর্থন করবে না। চতুর্থত, তারা উগ্র-জাতীয়তাবাদের বিরোধী অবস্থানে সুদৃঢ় থাকবে।<ref>এম আর চৌধুরী; ''আবশ্যকীয় শব্দ পরিচয়''; ঢাকা, এপ্রিল, ২০১২; পৃষ্ঠা-৬৯।</ref>
 
==অর্থনীতি==
বামপন্থী অর্থনীতি মুলত কেইন্সীয় অর্থনীতিতে বিশ্বাস করে এবং কারখানা গণতন্ত্র ও সামাজিক বাজারের মাধ্যমে কল্যাণ রাষ্ট্রে অর্থনীতির জাতীয়করণে এবং কেন্দ্রীয় পরিকল্পনায়<ref>Andrew Glyn, ''Social Democracy in Neoliberal Times: The Left and Economic Policy since 1980'', Oxford University Press, 2001, ISBN 978-0-19-924138-5,</ref> একটি নৈরাজ্যবাদী/ সিণ্ডিক্যালবাদের পক্ষে স্বব্যবস্থাপনার নৈরাজ্যবাদী সাম্যবাদের পক্ষে দাঁড়ায়। শিল্প বিপ্লবের সময় বামপন্থীরা ট্রেড ইউনিয়নকে সমর্থন করত। বিশ শতকের শুরুতে, অনেক বামপন্থী অর্থনীতিতে সরকারের শক্তিশালী হস্তক্ষেপের পক্ষে দাঁড়ান।<ref>Eric D. Beinhocker. ''The origin of wealth''. [[Harvard Business Press]]. 2006. ISBN 978-1-57851-777-0 p. 416 [http://www.google.com/books?id=eUoolrxSFy0C&printsec=frontcover&dq=Beinhocker#PPA416,M1 Google Books]</ref>
 
==তথ্যসূত্র==
 
==বহিঃসংযোগ==
* [http://anupsadi.blogspot.com/2014/05/left-wing-politics.html বামপন্থী রাজনীতির সীমাবদ্ধতা এবং তাদের অতীত প্রগতিশীলতা]
 
{{রাজনৈতিক মতবাদ}}
৩২,০৪৩টি

সম্পাদনা