প্রধান মেনু খুলুন

পরিবর্তনসমূহ

বট বানান ঠিক করছে, কোনো সমস্যায় তানভিরের আলাপ পাতায় বার্তা রাখুন
=== দ্রৌপদীর বিবাহ ===
[[File:Swayamvara Draupadi Arjuna Archery.jpg|thumb|270x270px|স্বয়ংবরে [[অর্জুন (পাণ্ডব)|অর্জুনের]] লক্ষবিদ্ধকরণ, [[কর্ণাটক|কর্ণাটকের]] চেন্নকেশব মন্দির, [[ভারত]] ]]
এই সময় দ্রুপদ যজ্ঞ করে [[ধৃষ্টদ্যুম্ন]] ও [[দ্রৌপদী]] নামে দুই পুত্র-কন্যা লাভ করেন। পাণ্ডবরা ব্রাহ্মণের ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াবার সময় দ্রৌপদীর স্বয়ংবর সভা আয়োজিত হয়। ঘোষিত হয়, উঁচুতে ঝুলন্ত মাছের চোখটির প্রতিবিম্ব নীচেনিচে জলে দেখে ঘূর্ণায়মান চক্রের মধ্য দিয়ে যে রাজকুমার চোখটিকে শরবিদ্ধ করতে পারবে, সে দ্রৌপদীকে পত্নী হিসেবে লাভ করবে। অধিকাংশরাই এতে অসমর্থ হয় ও [[কর্ণ]] সাফল্যের সীমায় এলেও সূতপুত্র হিসেবে পরিচিত হওয়ায় দ্রৌপদী তাঁকে গ্রহণ করেন না। ব্রাহ্মণবেশী [[অর্জুন (পাণ্ডব)|অর্জুন]] এই পরীক্ষায় সমর্থ হয় ও দ্রৌপদীকে লাভ করেন। কিন্তু দ্রৌপদীকে নিয়ে পাণ্ডবরা কুন্তীর কাছে ফিরে এলে পাণ্ডবরা জানায় অর্জুন ভিক্ষায় এক দারুণ জিনিস পেয়েছেন। [[কুন্তী]] না দেখেই মন্তব্য করেন, “যা পেয়েছ, পাঁচ ভাই মিলে ভাগ করে নাও।” ধর্মসংকটে পড়েন পাণ্ডবেরা। অতঃপর দ্রৌপদীকে পঞ্চপাণ্ডবেরই স্ত্রী হিসেবে পরিচিত হতে হয়।
 
=== ইন্দ্রপ্রস্থ নির্মাণ ===
কিন্তু ৩৬ বছর পর গান্ধারীর অভিশাপের ফলস্বরূপ [[কৃষ্ণ|কৃষ্ণের]] যদুবংশের সদস্যরা প্রভাস তীর্থে মদ্যপ অবস্থায় পরস্পরের সাথে অন্তর্দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়ে মুষল যুদ্ধে প্রাণ হারান। [[বলরাম]] শেষনাগ রূপে দেহত্যাগ করেন এবং সামান্য এক ব্যাধের নিক্ষিপ্ত শরে কৃষ্ণ নির্বাণপ্রাপ্ত হন। এমনকি [[দ্বারকা]] নগরীও সমুদ্রে নিমজ্জিত হয়।
 
এসমস্ত অশুভ লক্ষণ প্রত্যক্ষ করে [[পাণ্ডব|পাণ্ডবেরা]] রাজ্যত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন ও অভিমন্যুর পুত্র [[পরীক্ষিৎ|পরীক্ষিৎকে]] সিংহাসনে বসিয়ে পঞ্চপাণ্ডব ও [[দ্রৌপদী]] হিমালয়ের পথে গমন করেন। এটি ‘মহাপ্রস্থান’ নামে পরিচিত। কিন্তু নিজেদের জীবনের কিছু ত্রুটি থাকার দরুণদরুন যুধিষ্ঠির বাদে কেউই স্বশরীরে স্বর্গে যেতে পারেন না, পথেই তাঁদের মৃত্যু হয়। তবে দ্রোণকে মিথ্যা বলবার জন্য [[যুধিষ্ঠির|যুধিষ্ঠিরকেও]] একবার [[নরক]] দর্শন করতে হয়। এইভাবে তাঁরা সুখে-শান্তিতে স্বর্গসুখ ভোগ করতে থাকেন।
 
== বিভিন্ন সংস্করণ ও অনুবাদ ==
৪৯,৩২১টি

সম্পাদনা