প্রধান মেনু খুলুন

পরিবর্তনসমূহ

|}
প্রচলিত কিংবদন্তি অনুসারে, ''দেবীভাগবত পুরাণ'' গ্রন্থের শ্লোকসংখ্যা ১৮,০০০।{{Sfn|Lynn Foulston |Stuart Abbott|2009|p=73}} প্রকৃত গ্রন্থটির বিভিন পাঠান্তর পাওয়া যায়। পাঠগুলির শ্লোকসংখ্যা উক্ত সংখ্যার নিকটবর্তী।{{Sfn|Cheever Mackenzie Brown|1998|p=4}}
==বিষয়বস্তু==
ফাউলস্টোন ও অ্যাবোটের মতে, ''দেবীভাগবত পুরাণ'' গ্রন্থের ধর্মতত্ত্বটি হল পুরাণ, অধিবিদ্যা ও [[ভক্তি|ভক্তিবাদের]] একটি বিশ্বকোষতুল্য মিশ্রণ।{{Sfn|Lynn Foulston |Stuart Abbott|2009|p=75}} সি ম্যাকেঞ্জি ব্রাউনের মতে, এই পুরাণকথা অন্যান্য পুরাণগ্রন্থে প্রাপ্ত পৌরাণিক কাহিনিরই অনুরূপ। এই কাহিনির মূল উপজীব্য বিষয় ভাল ও মন্দ এবং দেব ও দৈত্যের মধ্যে নিরন্তর সংগ্রামের কথা।{{Sfn|Cheever Mackenzie Brown|1998|pp=5-6}} এই কিংবদন্তিগুলি ''[[মহাভারত]]'' ও অন্যান্য প্রাচীন হিন্দু পুরাণকথার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে।{{Sfn|Cheever Mackenzie Brown|1998|p=6-10}} যদিও এই পুরাণের কিংবদন্তিগুলির কেন্দ্রবিন্দু হলেন দেবীসত্ত্বা। এখানে দেবীভক্তির একটি বিষয় যুক্ত হয়েছে। এই গ্রন্থে দেবীকে চিরন্তন সত্য, ব্রহ্মাণ্ডের সকল কিছুর উৎস, সকল কিছুর চিরন্তন সমাপ্তি ‘নির্গুণ’ (নিরাকার) ও ‘সগুণ’ (সাকার), সর্বোচ্চ অপরিবর্তনীয় সত্য (পুরুষ), বিশিষ্ট পরিবর্তনশীল সত্য (প্রকৃতি) এবং প্রত্যেক জীবের অন্তরাত্মা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।{{Sfn|Cheever Mackenzie Brown|1998|p=6-10}}{{Sfn|Tracy Pintchman|2015|pp=131-138}}{{Sfn|Alf Hiltebeitel|Kathleen M. Erndl|2000|pp=24-31}}
 
==আরও দেখুন==