"গ্রাহাম ম্যাকেঞ্জি" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট বানান ঠিক করছে, কোনো সমস্যায় তানভিরের আলাপ পাতায় বার্তা রাখুন
(পরিমার্জন করা হলো)
(বট বানান ঠিক করছে, কোনো সমস্যায় তানভিরের আলাপ পাতায় বার্তা রাখুন)
জন কার্টিন হাই স্কুলে অধ্যয়ন করেন। সেখানে বিদ্যালয়ের প্রথম একাদশে ব্যাট ও বল উভয় বিভাগে ভাল করেন। ষোল বছর বয়সে ক্লেয়ারমন্ট-কটস্লো দলের পক্ষে ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রথম স্তরভিত্তিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তাঁর। কিন্তু, ক্রীড়াশৈলীতে ধারাবাহিকতা না থাকায় তাঁকে দ্বিতীয় একাদশে অবনমন করা হয়। ১৯৫৮-৫৯ মৌসুমে দ্বিতীয় স্তরভিত্তিক ক্রিকেট খেলতে থাকেন ও পেস বোলারের অভাব থাকায় বোলিং করে ১৪.৫০ গড়ে ৫০ উইকেট পান।
 
১৯৫৯-৬০ মৌসুমে পুণরায় দলের প্রথম একাদশে অন্তর্ভূক্তঅন্তর্ভুক্ত হন। ঐ মৌসুমে ৩৯.৪৬ গড়ে ৫১৫ রান ও ১১.২১ গড়ে ৪৯ উইকেট পান। এরফলে রাজ্য দলনির্বাচকমণ্ডলী মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত [[শেফিল্ড শিল্ড|শেফিল্ড শিল্ডের]] খেলায় [[ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট দল|ভিক্টোরিয়া]] বিপক্ষে অংশগ্রহণের জন্য তাঁকে আমন্ত্রণ জানায়। খেলায় তিনি কোন উইকেট পাননি এবং ২২ ও ৪১ রান তোলেন। পার্থে [[Southern Redbacks|দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার]] বিপক্ষে অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত খেলায় তিনি তাঁর প্রথম [[উইকেট]] লাভ করেন। মৌসুম শেষে দলীয় অধিনায়ক [[Ken Meuleman|কেন মিউলম্যান]] তাঁকে [[ফাস্ট বোলিং|ফাস্ট বোলিংয়ে]] মনোনিবেশ ঘটানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন।<ref name="wisden">{{cite web| title= Wisden 1965 – Graham McKenzie |url=http://content-aus.cricinfo.com/ci/content/story/154555.html| year= 1965 |accessdate=2007-05-21| publisher=-[[Wisden]]}}</ref>
 
== খেলোয়াড়ী জীবন ==
১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে সফরকারী [[ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল|ওয়েস্ট ইন্ডিজের]] বিপক্ষে ২৫.২৬ গড় ৩০ উইকেট পান। ২৭ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে ২০০ টেস্ট উইকেট পান যা একসময় রেকর্ড হিসেবে পরিগণিত হয়েছিল।<ref name="az"/> একই মৌসুমে ভারত সফরে ২১.০০ গড়ে ২১ উইকেট পান। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৪ টেস্টে অংশ নিয়ে ১/৩৩৩ পেয়েছিলেন ও তাঁর দল [[হোয়াইটওয়াশ]] হয়েছিল।
 
[[1970-71 Ashes series|১৯৭০-৭১]] মৌসুমের অ্যাশেজ সিরিজের প্রথম চার টেস্টে অংশ নেন। ওয়াকা গ্রাউন্ডে প্রথম টেস্টে খেলার পর মেলবোর্নে একদিনের আন্তর্জাতিকের ইতিহাসে প্রথম ওডিআইয়ে ২/২২ পান। পার্থে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে ৪/৬৬ লাভ করেন। সিডনিতে অনুষ্ঠিত ৪র্থ টেস্টে ইংরেজ ফাস্ট বোলার জন স্নো’র [[bouncer (cricket)|বাউন্সারে]] মুখে আঘাত পেলে রিটায়ার্ড হার্ট হন। [[John Snow (cricketer)|স্নো’র]] ৭/৪০-এর ফলে ইংল্যান্ড দল ২৯৯ রানে ব্যবধানে জয়ী হয়।<ref>p101, John Snow, ''Cricket Rebel'', Hamlyn, 1976</ref> আরোগ্যলাভের পর সিরিজ নির্ধারণী সপ্তম টেস্ট শুরুর পূর্বে প্রস্তুতিকালীন খেলায় [[জিওফ বয়কট|জিওফ বয়কটের]] হাত ভেঙ্গে ফেলেন।<ref>p104, John Snow, ''Cricket Rebel'', Hamlyn, 1976</ref> কিন্তু ঐ টেস্টে তাঁকে অন্তর্ভূক্তঅন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এরফলে তাঁর উইকেট সংখ্যা ২৪৬ রয়ে যায় যা রিচি বেনো’র অস্ট্রেলীয় রেকর্ডের চেয়ে মাত্র দুইটি কম ছিল।
 
== অবসর ==
১৯৭৪ সাল পর্যন্ত ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে খেলা চালিয়ে যান। ১৯৭৭ সালে অবসর ভেঙ্গে [[ক্যারি প্যাকার|ক্যারি প্যাকারের]] বিশ্ব সিরিজ ক্রিকেটে অংশ নেন। এরপর তাঁর পরিবার দক্ষিণ আফ্রিকায় চলে যায় ও সেখানে তিনি ঘরোয়া সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অংশ নেন। এরপর পুণরায় পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসেন।<ref name="az"/>
 
প্রথম পশ্চিম অস্ট্রেলীয় হিসেবে ১৯৬৫ সালে [[উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালমেনাক|উইজডেন]] কর্তৃক [[উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার|বর্ষসেরা ক্রিকেটার]] হিসেবে মনোনীত হন।<ref name="wisden"/> ২০১০ সালে ম্যাকেঞ্জিকে [[অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট হল অব ফেম|অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট হল অব ফেমে]] অন্তর্ভূক্তঅন্তর্ভুক্ত করা হয়।<ref name="HoF">{{cite news|url=http://www.cricinfo.com/australia/content/story/448134.html|title=Lawry and McKenzie gain places in Hall of Fame|date=14 February 2010|publisher=ESPN Cricinfo|accessdate=14 February 2010}}</ref>
 
== তথ্যসূত্র ==
৬২,০৩৫টি

সম্পাদনা