"গ্রাহাম গুচ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট বানান ঠিক করছে, কোনো সমস্যায় তানভিরের আলাপ পাতায় বার্তা রাখুন
(সম্প্রসারণ)
(বট বানান ঠিক করছে, কোনো সমস্যায় তানভিরের আলাপ পাতায় বার্তা রাখুন)
 
== খেলোয়াড়ী জীবন ==
১০-১৪ জুলাই, ১৯৭৫ সালে ২১ বছর বয়সে [[ইয়ান চ্যাপেল|ইয়ান চ্যাপেলের]] নেতৃত্বাধীন সফরকারী [[অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দল|অস্ট্রেলিয়া দলের]] বিপক্ষে বার্মিংহামে অনুষ্ঠিত ১ম টেস্টে অভিষেক ঘটে গুচের। কিন্তু সূচনালগ্নটি মোটেই ভাল হয়নি তাঁর। উভয় ইনিংসেই তিনি [[ক্রিকেটের পরিভাষা#জোড়া শূন্য|শূন্য]] রান করেছিলেন।<ref>[http://content-uk.cricinfo.com/england/engine/match/63146.html Cricinfo - 1st Test: England v Australia at Birmingham, 10-14 July 1975<!-- Bot generated title -->]</ref> ঐ টেস্টে ইংল্যান্ড ইনিংস ও ৮৫ রানের বিরাট ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল। পরের টেস্টে ৬ ও ৩১ রান করেন। ফলে দল থেকে বাদ পড়ে যান। এসেক্সে ভাল ক্রীড়াশৈলী উপস্থাপন করায় ১৯৭৮ সালে পুণরায় দলে অন্তর্ভূক্তঅন্তর্ভুক্ত হন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বিদ্রোহী দলের সাথে খেলার জন্য তিনি তিন বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েন। তারপরও [[টেস্ট ক্রিকেট|টেস্ট ক্রিকেটে]] ৮,৯০০ রান নিয়ে এপ্রিল, ২০১৫ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের শীর্ষস্থানীয় [[রান (ক্রিকেট)|রান]] সংগ্রহকারীর ভূমিকায় আসীন রয়েছেন।<ref>[http://stats.espncricinfo.com/ci/engine/stats/index.html?class=1;team=1;template=results;type=batting Most Runs for England, stats.espncricinfo.com Retrieved on 4 September, 2011.]</ref>
 
[[ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল|ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের]] বৈশ্বিক টেস্ট ক্রিকেট অঙ্গনে একাধিপত্য বিস্তারকালীন সময়ে তাঁর খেলোয়াড়ী জীবন কাটে। এ সময়ে তাঁর প্রায় চল্লিশ গড়ের ব্যাটিং সত্যিই উল্লেখযোগ্য অবদানরূপে বিবেচিত হয়। [[হেডিংলি স্টেডিয়াম|হেডিংলিতে]] ১৯৯১ সালে তাঁর করা ১৫৪ রান অনেকগুলো সেরা সেঞ্চুরিগুলোর একটি হিসেবে ক্রিকেট বোদ্ধা ও সাবেক খেলোয়াড়গণ মনে করেন। [[লর্ড’স ক্রিকেট গ্রাউন্ড|লর্ডসে]] তিনি নিজস্ব সর্বোচ্চ [[টেস্ট ক্রিকেটে ত্রি-শতকের তালিকা|৩৩৩ রান]] করার পাশাপাশি দ্বিতীয় ইনিংসেও [[সেঞ্চুরি (ক্রিকেট)|সেঞ্চুরি]] করে সর্বোচ্চ রানের কীর্তিগাঁথা অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
== সম্মাননা ==
{{টেস্টে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ইংরেজ ক্রিকেটার}}
১৯৮০ সালে [[উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালমেনাক|উইজডেন]] কর্তৃক [[উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার|উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটাররূপে]] পুরস্কৃত হন। ২০০৯ সালে [[আইসিসি ক্রিকেট হল অব ফেম|আইসিসি ক্রিকেট হল অব ফেমে]] অন্তর্ভূক্তঅন্তর্ভুক্ত হন।<ref>{{cite web |url=http://www.thesportscampus.com/200907171413/test-cricket/hof-inducted |title=Benaud, Gooch, Compton, Larwood and Woolley inducted into Cricket Hall of Fame}}</ref> ৮ নভেম্বর, ২০১১ তারিখে [[পূর্ব লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়]] থেকে সম্মানসূচক [[পুরস্কার]] গ্রহণ করেন।
 
== তথ্যসূত্র ==
৫৪,০৭৩টি

সম্পাদনা