নিখিল ভারত মুসলিম লীগ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

NahidSultanBot-এর করা 1791332 নং সংস্করণে প্রত্যাবর্তন করা হয়েছে। (টুইং)
(→‎ইতিহাস: তথ্য সংযোজন করা হয়েছে)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা
(NahidSultanBot-এর করা 1791332 নং সংস্করণে প্রত্যাবর্তন করা হয়েছে। (টুইং))
== ইতিহাস ==
১৮৭৭ সালে [[আমীর আলী]]র উদ্যোগে ‘[[সেন্ট্রাল মোহামেডান এ্যাসোসিয়েশন]]’ গঠনের সাথে স্যার [[সৈয়দ আহমদ]] দ্বিমত পোষণ করেন। তিনি মুসলমানদেরকে রাজনীতি থেকে বিরত থাকার উপদেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু কংগ্রেস আত্মপ্রকাশ করার পর হিন্দি এবং উর্দুর বিরোধ সৃষ্টি হলে মুসলমানদের স্বার্থের ব্যাপারে সৈয়দ আহমদ সচেতন হয়ে উঠেন এবং ১৮৮৯ সালে রাজনৈতিক সংগঠনের ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে ‘[[ইউনাইটেড ন্যাশনাল ডিফেন্স এ্যাসোসিয়েশন]]’ গঠন করেন (১৮৮৯)। ১৮৯৩ সালে উত্তর ভারতে মোহমেডান ‘এ্যাংলো ওরিয়েন্টাল ডিফেন্স অরগানাইজেশন অব আপার ইনডিয়া’ গঠিত হয়। ১৯০৩ সালে সাহরানপুরে মুসলিম রাজনৈতিক সংস্থা গঠিত হয়। ১৯০৬ সালের ফেব্রুয়ারীতে পাঞ্জাবে ‘মুসলিম লীগ’ নামে একটি রাজনৈতিক সংস্থা গঠিত হয়। এদিকে বঙ্গভঙ্গের প্রতিক্রিয়ায় সমগ্র ভারত জুড়ে হিন্দু জনগোষ্ঠীর প্রতিবাদ এবং মুসলিম বিদ্বেষের ঝড় বয়ে যাওয়ায় স্যার সলিমুল্লাহকে দারুণভাবে ভাবিয়ে তোলে। তিনি সর্বভারতীয় পর্যায়ে মুসলিম ঐক্যের কথা ভাবতে শুরু করেন।
১৯০৬ সালের নভেম্বরে সলিমুল্লাহ এ.কে.ফজলুল হকের মাধ্যমে সমগ্র ভারতের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দের নিকট পত্রালাপে নিজের অভিপ্রায় তুলে ধরলেন এবং সর্বভারতীয় মুসলিম সংঘের প্রস্তাব রাখলেন। ১৯০৬ সালের ২৮-৩০শে ডিসেম্বর [[সর্বভারতীয় শিক্ষা সম্মেলন]] আহুত হল। ঢাকার শাহবাগে ইসরাত মঞ্জিলে(বর্তমান মধুর ক্যান্টিন) অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে সমগ্র ভারতের প্রায় ৮ হাজার প্রতিনিধি যোগ দিলেন। দুই দিন ব্যাপী শিক্ষা সম্মেলন শেষে রাজনৈতিক সমাবেশ শুরু হলে নবাব সলিমুল্লাহ ‘অল ইন্ডিয়া মুসলিম কনফেডারেন্সী’ অর্থাৎ সর্বভারতীয় মুসলিম সংঘ গঠনের প্রস্তাব দেন; [[হাকিম আজমল খান]], [[জাফর আলী]] এবং আরো কিছু প্রতিনিধি প্রস্তাবটিকে সমর্থন করেন। কিছু প্রতিনিধির আপত্তির প্রেক্ষিতে কনফেডারেন্সী শব্দটি পরিত্যাগ করে লীগ শব্দটিকে গ্রহণ করা হয়। অবশেষে ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ গঠিত হয়। ঢাকায় এই ঐতিহাসিক সম্মেলনে বঙ্গভঙ্গ সমর্থন এবং বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের নিন্দা করা হয়। এ সংগঠনের ব্যাপারে শুরু থেকেই হিন্দু জনগোষ্ঠী বিরূপ অবস্থান নেয়। [[সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়]] সম্পাদিত [[দি বেঙ্গলী]]পত্রিকা নবগঠিত মুসলিম লীগকে সলিমুল্লাহ লীগ হিসেবে অভিহিত করে।
 
== তথ্যসূত্র ==