"আলৎসহাইমার রোগ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বানান সঙ্গশোধন
(Removing Link GA template (handled by wikidata) - The interwiki article is not good)
(বানান সঙ্গশোধন)
* {{vcite journal |url=http://un.org/esa/population/publications/wpp2006/WPP2006_Highlights_rev.pdf |format=PDF |accessdate=2008-08-27 |year=2007 |title=World population prospects: the 2006 revision, highlights |publisher=Population Division, Department of Economic and Social Affairs, United Nations |version=Working Paper No. ESA/P/WP.202 |author1=<Please add first missing authors to populate metadata.>}}</ref>
 
== লক্ষনলক্ষণ ও উপসর্গ ==
যদিও এই রোগ বিভিন্নজনে বিভিন্নভাবে বিকশিত হয় তথাপি ইহার কিছু সাধারণ উপসর্গ দেখা যায়। প্রাথমিক উপসর্গগুলোকে প্রায়শ বার্ধক্যজনিত সমস্যা বা মানসিক চাপের বহিঃপ্রকাশ বলে করে ভুল করা হয়।
প্রারম্ভিক অবস্থায় প্রকাশিত উপসর্গ সমূহের সবচেয়ে সাধারণ রূপ হল সাম্প্রতিক ঘটনা ভুলে যাওয়া কিন্তু অতীতের ঘটনা (যা স্বাভাবিকভাবে মনে থাকে না) এর পূর্ণ স্মৃতিচারন।স্মৃতিচারণ।
 
রোগের অবনতির সাথে সাথে রোগী দ্বিধাগ্রস্থতা, অস্থিরতা, রোষপ্রণতা, ভাষা ব্যাবহারে অসুবিধা, দীর্ঘমেয়াদী স্মৃতিভ্রংশতা এবং ক্রমান্বয়ে শারীরিক ক্রিয়াকর্মের বিলুপ্ততা ও অবশেষে মৃত্যু মুখে পতিত হয়।
== কারনকারণ ==
আলঝেইমার রোগের প্রকৃত কারনকারণ উদ্ঘাটনউদঘাটন করা এখনও সম্ভব হয় নি। তবে গবেষণায় এটি নিরূপিত যে,ইহা এটি মষ্তিস্কের প্লাক ও টেঙ্গুল(যা হাইড্রোফসফোরাইলেটেড টাউ প্রোটিনের সমষ্টি) সংশ্লিষ্ট রোগ। ৫-১০% ক্ষেত্রে বংশগতির প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছে।
 
এই রোগে আক্রান্তের মস্তিষ্কে তিনটি উপাদানের অস্বাভাবিক উপস্থিতি পরিলক্ষিত হয়েছেঃ
# অ্যামাইলয়েড প্লাক
# নিউরোফাইব্রিলারী টেঙ্গুল (টাঊটাউ প্রোটিনে গঠিত এক ধরনের আঁশ)
# অ্যাসিটাইলকোলিন
 
এই রোগের মুলমূল ঘটনার সূত্রপাত হয় অ্যামাইলয়েড বিটা নামক একধরনের প্রোটিন উৎপাদনের মাধমে যা পরবর্তীতে মস্তিষ্কের রক্তকণিকার ভেতরে দলা পাকিয়ে অ্যামাইলয়েড প্লাক গঠন করে।এইকরে। এই অ্যামাইলয়েড প্লাকই নিউরনের মৃত্যুর জন্য দায়ী।
 
প্রকৃতপক্ষে অ্যামাইলয়েড বিটা তৈরি হয় অ্যামাইলয়েড প্রিকারসর প্রোটিন এর এনজাইমেটিক ভাঙ্গনের ফলে। ধারনাধারণা করা হয় এই অ্যামাইলয়েড প্রিকারসর প্রোটিন মূলত স্নায়ু প্রতিরক্ষাকারী উপাদান ।উপাদান। স্বাভাবিকক্ষেত্রে এটি উৎপন্ন হয় স্নায়ুবিক চাপ অথবা ইঞ্জুরির কারনে।কারণে।
 
উৎপাদিত এই অ্যামাইলয়েড প্রিকারসর প্রোটিনকে ভাঙনের জন্য দুই ধরনের এনজাইম যথাক্রমে আলফা সিক্রেটেজ ও বিটা সিক্রেটেজ প্রতিযোগিতা করে।
 
এই অ্যামাইলয়েড প্লাক নিম্নোক্ত দুটি ঘটনার মাধ্যমে মস্তিষ্কের স্নায়ুর মৃত্যু ঘটায়ঃ
# প্রদাহ ও জারনজারণ ক্রিয়ায় স্নায়ুর ক্ষতি সাধনঃ অ্যামাইলয়েড প্লাক মস্তিষ্কের নিউরনের সাহায্যকারী গ্লিয়াল কোষ অ্যাসট্রোসাইট ও মাইক্রোগ্লিয়াকে উদ্দেপিত করে। ফলশ্রুতিতে অ্যাসট্রোসাইট অ্যারাচিডোনিক এসিড উৎপন্ন করে এবং অ্যারাচিডোনিক এসিড থেকে প্রস্টাগ্লান্ডিন উৎপন্ন হয়। অপরদিকে মাইক্রোগ্লিয়া ক্ষতিকর মুক্ত অনুঅণু (ফ্রি রেডিকাল) তৈরি করে। এই প্রস্টাগ্লান্ডিন এবং মুক্ত অনুঅণু (ফ্রি রেডিকাল) স্নায়ুকোষের মৃত্যু ঘটায়।
 
# নিউরোফাইব্রিলারী টেঙ্গুল (টাঊটাউ প্রোটিনে গঠিত এক ধরনের আঁশ) গঠনঃ টাউ প্রোটিন হল অনুনালিকা (মাইক্রোটিবিউল) এর গাঠনিক উপাদান। অনুনালিকা সাধারনতসাধারণত নিউরনের কোষদেহ থেকে ডেন্ড্রাইটের দিকে প্রয়োজনীয় উপাদান পরিবহনে সহায়তা করে। আলজাইমারআলঝেইমার রোগে আক্রান্তের স্নায়ুকোষের টাউ প্রোটিনের গাঠনিক পরিবর্তন ঘটে এবং এটি গিট্টুগিট পাকিয়ে যায়। তখন একে নিউরোফাইব্রিলারী টেঙ্গুল বলে। এমতাবস্থায় নিউরনে সক্রিয় অনুনালিকার পরিমানপরিমাণ কমতে থাকে এবং পর্যায়ক্রমে নিঊরনেরনিউরনের মৃত্যু ঘটে।
 
মস্তিষ্কের কর্টেক্সে ও সম্মুখ ভাগে ব্রিহদাকারবৃহদাকার পিরামিড আকৃতির আসিটাইলকোলিনঅ্যাসিটাইলকোলিন নিঊরোননিউরন থাকে যা আসিটাইলকোলিন ক্ষরণের মাধ্যমে বুদ্ধিমত্তায় গুরুত্তপুরনগুরুত্তপূর্ণ ভুমিকাভূমিকা পালন করে। এই আসিটাইলকোলিন নিঊরোনেনিউরনে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি অনুনালিকা থাকে।
 
আলজাইমারআলঝেইমার রোগে টাউ প্রোটিনের গাঠনিক পরিবর্তনের কারনেকারণে এই আসিটাইলকোলিন নিঊরোনেনিউরনে কর্মক্ষমতা হ্রাস পায় । সাথে সাথে বুদ্ধিমত্তা , অনুধাবনের ক্ষমতা ও হ্রাস পায়।
 
== চিকিৎসা ==
৭৪৮টি

সম্পাদনা